নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম ডিসি অফিসে নামজারির জন্য জিপির সিগনেচার লাগে। জিপির পিএ ১০০০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ফাইল ধরবে না। অত:পর টাকা দিয়ে ফাইলে সাইন করাতে হয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের LA শাখাতেও দুর্নীতির কুরুক্ষেত্র।
সরাসরি অফিসে বহুদিন ধরে ফাইল জমা দেওয়ার পরেও কাজ হয় নাই। পরে তাদের মধ্যে থেকে দালাল দিয়ে সে কাজটা অফার করে। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
নামজারিতে 20000 চায়ষ
নামজারি, একবার অন্য একজন দিয়ে করে ৫০ হাজারের মত দিয়েছি। পরে নিজে করতে গিয়ে ৮০০০ টাকা দিয়েছি
নামজারি আবেদন করার জন্য | নরমালি তারা ফাইল এর কাজ শুরু করতে সময় নেয়
আমার বাড়ি করার জন্য নিজেদের পৌতৃক ভিটাটির ইমিঊটেশন বা নামজারির দরকার পরে। তাই আমার বাবা টাংাইল বাসাইলের ভুমি অফিসে সরনাপন্য হন। ওখান থেকেই আমাদের অনলাইন আবেদন করে দেয়া হয় আর পর কিযেন একটা ভুল আসে। তারপর সেটা ঠিক করতে আ্যসিলেন্ট এর কাছে যেতে বলে।আব্বু ওখানেও যাই, অনেকদিন ঘুরপাক খাই কিন্তু কাজ হয়না। পরে ওই অফিসের এক কর্মকর্তা তার পিওনকে ১২০০০ টাকা দিতে বলে আর বলে যে কোন সমস্যাই হবে না। আমাদের বাড়ি বানানোর তাড়া থাকাই দিতে বাধ্য হই তখন।
তিনটা খতিয়ান এর ছবি তুলে হটসএপে দিয়েছে ৩০০/- দিতে হয়েছে
প্রত্যেকবার জমির খারিজ বাবদ মোট ৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। এই চিত্র নাকি দেশ এর সকল ভূমি অফিসে বিদ্যমান
টাকা দিলে সেবা দেয় না দিলে হয়রানি করে
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
আমার বাবা মারা যায় ২০২০ সালে, এবং তার উত্তরোধীকার হিসেবে আমি তার একটা যায়গার মালিক হই, এবং অই যায়গা যখন আমাদের নামে নাম জারি করতে যাই তখন গুলশান ১০ এর ভুমি অফিস আমাদের থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেন, আমরা ৯ মাস চেষ্টা করেছি আমাদের সব পেপারস ঠিক ছিলো, কিন্তু তারা টাকার জন্য সব হোল্ড করে রেখেছিলেন
নামজারি খতিয়ান করার জন্য,
নামজারি করার জন্য আবেদন করলে অনেক ভুল আছে বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু কি ভুল আছে তা উল্লেখ করেনি
বগুড়া শহরের ফাঁপোড় ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাবার সম্পত্তি খারিজ করবার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে ঘুরতে ২ জোড়া স্যান্ডেল ক্ষয় করে পরবর্তীতে একজন সহকারী সাইডে ডেকে নিয়ে বললেন, এতো ঘুরতে হবে কেন, মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে দ্রুতই আপনার কাজ হয়ে যাবে। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিবার সিদ্ধান্ত নিই। বেচারা সহকারী অজু করে এসে বলে,তারাতারি খরচা টা দেন নামাজের সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা ধার্মিক সহকারী কে ৫.৬৬ শতক জমির খারিজের জন্য ১০০০০(দেশ হাজার টাকা) বুঝিয়া দিয়া রাগে লজ্জায় মাথা নতুন হইয়া চলিয়া আসি।কারণে আমি অন্যায়ের কাছে কখনও মাথা নতুন করি না। বছরটি ছিলো ২০১৮ সাল।
নামজারি করতে ভূমি অফিস কর্মকতা গ্রাহককে নানা ভূল এটা ওটা ভয় দেখিয়ে অফিসের বাহিরে আড়ালে নিয়ে টাকা নেয়।সাধারন মানুষ ভয় পেয়ে ও দরকারি তাই টাকা দেশ বাধ্য হয়ে।
১১৭০ টাকার নামজারী করতে ১৬০০০ টাকা নিলো। আমরা দুইজন করেছিলাম, একজন টাকা ঘুষ দিছে, একজন দেয়নি। সাতদিনেই ঘুষের টাকা দেয়াজনের নামজারী ও খাজনা কমপ্লিট। বাকি জনকে নামঞ্জুর করে দিছে। একই বিল্ডিং, একই জমি, একই কাগজ!!!
জমি রেজিষ্ট্রেশন এর সময় ২ লাখের কমে করবে না। — sub register & pion
নামজারি করার জন্য ঘূশ নিয়েছে।
জমির নকল দলিল নেয়ার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু সরকারি খরচ যেখানে ৮০০-১২০০ টাকা হয়ে থাকে।