নামজারি
নামজারি, একবার অন্য একজন দিয়ে করে ৫০ হাজারের মত দিয়েছি। পরে নিজে করতে গিয়ে ৮০০০ টাকা দিয়েছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি, একবার অন্য একজন দিয়ে করে ৫০ হাজারের মত দিয়েছি। পরে নিজে করতে গিয়ে ৮০০০ টাকা দিয়েছি
নামজারিতে 20000 চায়ষ
আমার বাবা মারা যায় ২০২০ সালে, এবং তার উত্তরোধীকার হিসেবে আমি তার একটা যায়গার মালিক হই, এবং অই যায়গা যখন আমাদের নামে নাম জারি করতে যাই তখন গুলশান ১০ এর ভুমি অফিস আমাদের থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেন, আমরা ৯ মাস চেষ্টা করেছি আমাদের সব পেপারস ঠিক ছিলো, কিন্তু তারা টাকার জন্য সব হোল্ড করে রেখেছিলেন
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।
নামজারি করার জন্য আবেদন করলে অনেক ভুল আছে বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু কি ভুল আছে তা উল্লেখ করেনি
নামজারি আবেদন করার জন্য | নরমালি তারা ফাইল এর কাজ শুরু করতে সময় নেয়
নামজারী আবেদন করার পর প্রস্তাবের জন্য তহশীলদারকে দিতে হয় ৪০০০, সার্কেল অফিসে প্রেরণের জন্য দিতে হয় ৫০০-১০০০, সার্কেল অফিসে ফাইল আসলে সার্ভেয়ার ও কানুনগো বাবদ দিতে হয় (১৫০০+১৫০০)=৩০০০, এর পর জারীকারককে নোটিশ বাবদ দিতে হয় ১০০০, ওরা ফাইলটিতে প্রতিবেদন দিয়ে পাঠিয়ে দেয় অফিস সহকারীকে, অনুমোদন বাবদ সহকারী নেয় আরো ৫০০০, অনুমোদন হওয়ার পর ফাইল যায় তামিল শাখায়, খতিয়ান তামিল বাবদ নেয় ১০০০ মোট খরচ ১৫০০০ সর্বশেষে আরো ১১৫০ নিজের পকেটের টাকা দিয়ে ডিসিয়ার কাটলাম এবং খতিয়ান প্রিন্ট নিলাম এই হলো নামজারীর অবস্থা
প্রত্যেকবার জমির খারিজ বাবদ মোট ৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। এই চিত্র নাকি দেশ এর সকল ভূমি অফিসে বিদ্যমান
নামজারি খতিয়ান করার জন্য,
চট্টগ্রাম ডিসি অফিসে নামজারির জন্য জিপির সিগনেচার লাগে। জিপির পিএ ১০০০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ফাইল ধরবে না। অত:পর টাকা দিয়ে ফাইলে সাইন করাতে হয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের LA শাখাতেও দুর্নীতির কুরুক্ষেত্র।
সরাসরি অফিসে বহুদিন ধরে ফাইল জমা দেওয়ার পরেও কাজ হয় নাই। পরে তাদের মধ্যে থেকে দালাল দিয়ে সে কাজটা অফার করে। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
আমার বাড়ি করার জন্য নিজেদের পৌতৃক ভিটাটির ইমিঊটেশন বা নামজারির দরকার পরে। তাই আমার বাবা টাংাইল বাসাইলের ভুমি অফিসে সরনাপন্য হন। ওখান থেকেই আমাদের অনলাইন আবেদন করে দেয়া হয় আর পর কিযেন একটা ভুল আসে। তারপর সেটা ঠিক করতে আ্যসিলেন্ট এর কাছে যেতে বলে।আব্বু ওখানেও যাই, অনেকদিন ঘুরপাক খাই কিন্তু কাজ হয়না। পরে ওই অফিসের এক কর্মকর্তা তার পিওনকে ১২০০০ টাকা দিতে বলে আর বলে যে কোন সমস্যাই হবে না। আমাদের বাড়ি বানানোর তাড়া থাকাই দিতে বাধ্য হই তখন।
নামজারি করার জন্য ঘূশ নিয়েছে।
জমির প্রিন্ট পরচা তুলতে গিয়েছিলাম । বলে বিতরণের ডেট শেষ । এখন তুলতে গেলে 500 টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি 140 টাকা । পরে অনেক জোরাজুরি করে 400 টাকায় মিটমাট করছি ।
আমার একটা জমির নামজারির জন্য আমি গিয়েছিলাম হচ্ছে আমাদের এলাকার একজন দলিল লেখক এর কাছে তিনি আমাদের সবার মানে আমাদের এলাকার সব জমির যাবতীয় কাজ সেই দেখে আমি এটা দিয়েছি ডিসেম্বর ৩ ২০২৫ তারিখে আমি তার কাছে কাজটা করতে দেই প্রায় এক বছর হয়ে গেল আমার কাজটা করে দিতেছেনা আর বলতেছেন যে ২৫ হাজার টাকা লাগবে না হইলে ঝামেলা হবে তখন আমি কোন কিছু বুঝতে না পেরে টাকা পরিশোধ করে দেই
ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।
ভূমি উন্নয়ন কর দেবো, তাই আগে প্রতিনিধি পেমেন্ট অপশন থেকে ৩ বছরের বকেয়া ৬০ টাকা দেখি। যখন খতিয়ান যুক্ত করার জন্য আবেদন করি তখন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ১৯ বছরের বকেয়া দিয়ে ১৫০০ টাকা করে অনুমোদন দেয়।
জমি রেজিষ্ট্রেশন এর সময় ২ লাখের কমে করবে না। — sub register & pion
নতুন জমি কিনেছিলাম । কিনার পর নামজারি করতে গেলে বলে ১৫০০০ টাকা লাগবে । আমি জানি যে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা ।ভেবেছিলাম হয়তো কত আর লাগবে ৩-৪ হাজার টাকা হয়তো । শেষ মেশ ১৩ হাজার টাকায় করাইতে হইছে । কি একটা জুলুম চিন্তা করেন । অনলাইন করে , এখন হয়রানি আরো বেশি
জমির নকল দলিল নেয়ার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু সরকারি খরচ যেখানে ৮০০-১২০০ টাকা হয়ে থাকে।