খাজনা
আমি জমির খাজনা দিতে গিয়ে দেখি আমার জমির শ্রেনি আবাসিক করে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে আমার খারিজ অনুযায়ী জমি শ্রেনি সংসধন করতে বললে তহশিলদার উক্ত টাকা দাবি করে বসে। কয়েক দিন ঘুরাঘুরি করার পর উপায় না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি জমির খাজনা দিতে গিয়ে দেখি আমার জমির শ্রেনি আবাসিক করে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে আমার খারিজ অনুযায়ী জমি শ্রেনি সংসধন করতে বললে তহশিলদার উক্ত টাকা দাবি করে বসে। কয়েক দিন ঘুরাঘুরি করার পর উপায় না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আসসালামু আলাইকুম, শরীয়তপুর জেলা এবং নরিয়া থানা সবগুলো ভূমি অফিসে চলে। ঘুসের রমরমা ব্যাবসা।দলিলের নামজারি করতে ১৫০০০-১৮০০০৳ টাকা লাগে।একটি পর্চা তোলতে ৫০০-৮০০ টাকা ঘুস দিতে হয়।আমরা এর থেকে মুক্তি চাই।
আমি একজন দুবাই প্রবাসী । বাংলাদেশের ভুমি অফিসগুলো দুর্নীতিতে ভরপুর । কয়টার কথা বলবো জানি না প্রায় প্রতিটা কাজের জন্য টাকা ছাড়া কোন রকম কাজ হয়না অথবা জমিরেজিষ্টিরি হয় না। আমি যেহেতু একজন প্রবাসী তাই সময় কম থাকে ।সেজন্য অহেতুক ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য টাকা দিতে হয়। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গিয়ে ইচ্ছা ছিলো টাকা ছাড়া লাইসেন্স নিবো শুধু সরকারি ফি জমা দিবো কিন্তু প্রায় দুই বছর ঘুরেছি কিন্তু লাইসেন্স পাইনি । তারপর বাধ্য হয়েই ১২০০০ টাকা দিয়ে একদিনে লাইসেন্স পাই । বলে রাখি আমার কাছে দুবাইয়ের প্রায় ২০ বছর আগের লাইসেন্স আছে । তারপর ঐ সময় আমার কাছে international license ছিলো । আমি একজন দক্ষ ড্রাইভার । দুবাইতে ব্যবসা করি। বাংলাদেশে এমন কোন দপ্তর নাই যেখানে দুর্নীতি নাই ।আমি আমার দেশকে ভালোবাসি
আমি আমার জমির কাগজপত্র ঠিক করার জন্য সরকারি ভূমি অফিসে যাই এবং সেখানে সরকারি ভূমি অফিসার থেকে পরামর্শ চাই, উনি আমাকে বুঝিয়েছিল কাজটি খুব কঠিন কিন্তু তাকে যদি আমি ৩০ হাজার টাকা দেই সেক্ষেত্রে উনি আমাকে কাজ করতে সাহায্য করবে। আমার কাজটি খুব দরকারী হওয়ায় আমি তাকে টাকা আরো কমানোর জন্য অনুরোধ করি কিন্তু সে তার দাবীতে অটল থাকে এবং বাধ্য হয়ে আমার ঐখান থেকে কাজ শেষ না করে চলে আসতে হয় এবং তাকে বলেছিলাম টাকা ম্যানেজ করতে পারলে যোগাযোগ করবো তার সাথে এই কথা বলে চলে আসি ওইখান থেকে। দ্বিতীয়ত সরকারি ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করার জন্য জমির খতিয়ান চেক করার জন্য প্রত্যেকটা খতিয়ানের জন্য 50 থেকে 100 টাকা করে নিতো অফিসের পিয়ন এবং ক্লার্করা। আপনি টাকা না দিলে আপনার কাজ কোনভাবেই হবে ন
হোল্ডিং এন্ট্রি ও অনুমোদনের জন্য ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে
বর্তমানে রাজুক এর প্লটে নতুন করে সিটি মিউটেশন করতে হচ্ছে। তা ছাড়া জমির খজনা দেওয়া যাচ্ছে না। আমি গুলশান ভুমি অফিস এ যোগাযোগ করলে তারা ৫ টি সিটি মিউটেশন এর জন্য ১৮০০০০.০০ টাকা ঘুস দাবি করে।
বিগত ৮ বছর আগে, হেবা দলিল নামজারি করার সময় আমার বাবাকে এই ঘুষ দিতে হয়েছিল। ১২ শতাংশ জমি
আমি একজন প্রবাসী ২০০8 সালে ৩০ শতাংশ জমি কিনেছি তার পর আমি প্রবাসে চলে আসলাম জমি আমার নামে রেকড করতে দিলাম কিন্তু রেকোরড হল ২৮ শতাংশ আমি প্রবাস থেকে এসে দেখতে পারলাম তখন আমি জানতে চাইলাম জমি আমি কিনলাম ৩০ শতাংশ দলিলে আছে ৩০ শতাংশ কিন্তু রেকড কেন ২৮ শতাংশ আমাকে বলে সরকার রাস্তার জন্য ২শতাংশ নিয়ে গেছে জমি আমার আর সরকার নিয়েগেছে টাকা ছারা এটা কি জাইহোক আমি প্রবাসী আমার সময় নাই দৌরা দৌরি করবো আমাকে যে আবার প্রবাসে জেতে হবে কি করবো মেনে নিলাম চলেগেলাম আবার প্রবাসে আমি জমি টা ছিল রাস্তা থেকে অনেক নিচু তাই জমি টা কে রাস্তা সমান মাটি দিয়ে ভরাট করালাম আমি তো প্রবাসী দেশে না কি জরিপ হয়েছে আমি জানিনা জরিপে আমার জমি কে ২৮ শতাংশ থেকে ১৩ শতাংশ ভুমি সম্পদ দেখিয়ে ১৫ শতাংশ করে দিয়েছে আমি যখন দেশে আসলাম খাজ
orem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Integer hendrerit est sed porttitor egestas. Quisque rhoncus id velit eu viverra. Mauris ac eros tempus, consequat sapien at, aliquam erat. Ut sed urna vitae diam scelerisque pellentesque. Mauris porta tincidunt leo, vel fermentum augue vulputate finibus. Integer sit amet nisl eget lectus malesuada eleifend quis nec massa. Sed ut scelerisque ipsum. Aliquam facilisis id urna sit amet bibendum. Suspendisse a viverra erat, quis sollicitudin diam. Cras eget erat neque.
আমি জায়গা নামজারির জন্য কিছু দিন আগে অনলাইনে আবেদন করি আমি আবেদন কপি নিয়ে ভুমি অফিসে জমা দিতে যাই এখন থাকে আমাদের যে ভুমি অফিস থাকে কল আসে আমি অফিসে যাবার জন্য পড়ের দিন আমি গেলাম চা পানির জন্য তাদেরকে কিছু দিবার জন্য এক সময় এক জন্য ৫০০০ টাকার কম হবে না এই খানে তাদের খরছ ও আছে এই কথা বলেন,, আমি বলি আমার কাছে এতো টাকা নাই আর আমি এতো টাকা দিতে এ পারবো না বলে চলে আসি
আমার জমি নামজারি করার জন্য ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তা। বর্তমানে তার অধীনে কতগুলা দালাল কাজ করে সে দালালের মাধ্যমে টাকা দাবি করে অন্যথায় কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা অনিয়ম হচ্ছে রাজামহার ভূমি অফিসে। আমি তার সুস্থ বিচার দাবি জানাচ্ছি।
আমাদের মরহুুম বাবা- মার জমি, ওয়ারিশ হিসেবে আমাদের নামে নামজারি করানোর জন্য ভুমি অফিসে ২ বার ৫,০০০+৭,০০০/- মোট ১২,০০০/- টাকা ঘুষ দেয়ার পর জয়কালী মন্দির ভুমি অফিসের এসি ল্যান্ড ২ বার ফাইল রিজেক্ট করে। যা ৬ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে ৩০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১ দিনের মধ্যে নামজারি করে দেয়।
আমার বাবা দলিল করে মারা গেছেন।আমি নামজারী করতে গিয়েছি।.65 শতাংশ ।তাদের পাকেজ ১ শতক হলেও ২৩ হাজার ১০০ শতক হলেও ২৩ হাজার লাগবে।তানাহলে হবেনা।বাধ্য হয়ে দিলাম।
মধ্যনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ প্রদান না করায় নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। একই বণ্টননামা ও মালিকানা কাগজপত্রের ভিত্তিতে একটি নামজারি আবেদন মঞ্জুর এবং অপরটি নামঞ্জুর হয়। ই-নামজারি কার্যক্রমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আবেদনকারীকে বারবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয় এবং ভূমি উন্নয়ন করের নামে আইনবহির্ভূত অর্থ দাবি করা হয়।
আমি ভূমির কাগজ পত্র যাচাই-বাছাই জন্য ভূমি অফিস গিয়েছে। সেখানকার লোক আমাকে বলে এগুলো করতে অনেক ঝামেলা খরচপাতি লাগবে। টাকা দিলে সকল কাজ এক টেবিলেই হয়ে যায়। না দিলে হয়রানি বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সামনে নিয়ে আসে। টাকা দিয়ে দিলে কোন সমস্যা নেই।
খারিজ সঙ্ক্রান্ত, তারপরেও কাজ হয় নি
পর্চা ফহফভজভক্স ফুতধ গুফু
মমির খারিজ করার জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে কাজ করে না। খাজনা অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিস থেকে সই করতে টাকা চায়। আটঘরিয়া উপজেলা, মাজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং আটঘরিয়া থানা ভূমি অফিস।
উত্তরখান ভূমি অফিসে প্রথমবার ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে সার্ভার ডাউন বলে আমাকে অনেক ঘুরাইসে তারপর 300 টাকা দিয়ে করাতে হয়েছে।
সাপটিবাড়িতে কম্পিউটার দোকানে ভূমি অফিসের লোক , এক কম্পিউটার দোকানে গিয়ে অনলাইন করতে বলে সবাই ওখানে অনলাইন করে পেয়ে অনলাইন প্রতি ১০০০ করে নেয়, অনলাইন কপি তৌসিদার জমা নেই অন্য ফোনে করলে হবে না বলে,, জমা নেওয়ার সময় ৫০০ টাকা লাগবে আা খাবে সে জন্য নেয়