মিউটেশন
মিউটেশন করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে,এই কাগজ ঠিক নেই,অই কাগজে সমস্যা, অমুক স্যার নেই,,,এধরণের হাজারো অপশন বের করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিউটেশন করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে,এই কাগজ ঠিক নেই,অই কাগজে সমস্যা, অমুক স্যার নেই,,,এধরণের হাজারো অপশন বের করে।
জমির নাম জারি করতে গিয়ে ১২ শতাংশ জমির নামজমি সরকারি পরিমাণ খুবই সামান্য কিন্তু সেখানে আমাকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে নাম জারি করা হয়েছে এখানে অহরহর এটা চলতেছে আমি টাকা দিয়েছি না দিলে হয়তো আমার এটা আরো দুই মাস তিন মাস সময় লাগতো করতে কিন্তু টাকা দেওয়ার কারনে এটা দ্রুত হয়ে গিয়েছে।
ভূমি ভবনের ভূমি কল সেন্টার এবং নাগরিক সেবা কেন্দ্র। নাগরিক সেবা কেন্দ্রে গ্রাহক সরাসরি আসে এবং সেবা নেই। এটি একটি প্রাইভেট অর্গানাইজেশন এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এখানে বেশ কিছু কর্মকর্তা আছে যারা নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা খেয়ে কাজ করে। কিন্তু কোন মনিটরিং নাই। মনিটরিং ইউনিট থাকা উচিত। সবাই করে না কিন্তু টার্গেট থাকে বিশেষ করে নামজারি
নামজারি করার জন্য ২ লাখ টাকা দাবি করেছিল এবং তা দিতে হয়েছে । আমার সমস্ত কাগজ পত্র ১০০% ঠিক ছিল।
Per Mutation fee is Tk. 1170/- whereas demand Tk. 4000/- by the bhumi office to process the file citing they will not be able to process with their seniors otherwise money. I had 9 file and paid Tk. 36,000/- whereas actual govt fee is Tk. 10,530/-. So, ghush was Tk. 25,470/-
নামজারি করতে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলেও নায়েব আমার থেকে ৫০০০টাকা চেয়েছিলেন।
আমার বাবা মারা যাবার ২ বছর পর ছোট বোনের বিয়ে দেবার জন্য আমার বাবার নামে ১২ শতক জমি বিক্রি করার প্রয়োজন হয় । জমি বিক্রির জন্য জমির সর্বশেষ ভুমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট ভুমি অফিসে যায় । তখন তহসিলদার আমার থেকে ভুলবাল বুজিয়ে ১৪০০ টাকার খাজনা ৭০০০ টাকা নিয়ে নেই ।
২৫ বিঘার কম কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি। ২৫ বিঘার কম কৃষি জমির মালিক কিনা তার প্রমাণ দিতে বলে। এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে চাই।
জমির নামজারির জন্য আমার কাছে চা খাওয়ার টাকা চেয়েছিল। কিন্তু আমি দেইনি আমার তখন জরুরী ছিল জমিটা খারিজ করা । আমি একটা স্কুল করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তার কারণে পারিনি। এখনো করতে পারিনি খারিজ। অবশেষে আমার স্কুলটাও করা হলো না । স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল
টাকা না দিলে খারিজ হবে না। এখনো হয় না। আমার ঘটনা ১ বছর আগের।
কয়েক দিন আগে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল রেকর্ড নিয়ে রেকর্ড সংশোধন করতে সিলেট আলমপুর সেটেলমেন্ট অফিসে আমরা যাই কথা বলি কমকর্তার সাথে সরকারি এই কমকর্তা বলে আপনাদের প্রতিপক্ক ৪লাখ দিয়ে গেছে এই বিষয় আপনারা ৫ লাখ দেন কাজ হয়ে যাবে আমরাও সাথে সাথে ৫ লাখ দিয়ে আসি ২ দিন পর কল করে আমাদের প্রতিপক্ক নাকি আরও ২ লাখ দিয়ে গেছে এখন আমরা নাকি আরও ৩লাখ টাকা দিলে আমাদের পক্কে রায় আসবে । এই সরকারি অফিসে পতিটি বালু কনা ঘুষ বানিজ্যর সাথে জড়িত
নামজারি দ্রুত হবে বলেছিল। আপনি ঝামেলা এড়াতে পারবেন। কোন উন্নত মানুষ কন্টাক্ট পরিস্থিতি এমন করা ছিল আপনি টাকা না দিয়ে পারবেন না।
আমরা কয়েকজন মিলে গ্রামে কিছু কৃষি জমি ক্রয় করি। ক্রয় করার পর নামজারি করতে গেলে ভূমি অফিসের লোক কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৪০০০০ টাকা দাবি করে। ঐ দিন টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন অজুহাতে কাগজে সমস্যা আছে বলে নামজারি করেনি। পরবর্তীতে ৩০০০০ দিলে একই কাগজ মোতাবেক নামজারি করে দেয়। ভূমি অফিসের প্রধানকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। সব তারা জড়িত।
নামজারি খতিয়ানঃ আমি একটা নামজারি করতে কুড়িগ্রাম, উলিপুর উপজেলার বুড়াবুড়ি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বলে, নামজারি করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। পরে আবশ্য দামদর করে ৪০০০ টাকায় করে দিতে রাজি হয়। অবশেষে আমি নামজারি খতিয়ান পাই।
আমাদের জমি এলাকার তহশিলদার ভুল করে সরকারী খাস খতিয়ানে দিয়ে দেয়।সেটা ঠিক করতে গেলে ২ লক্ষ টাকা দাবী করে এরপর কোনো রাস্তা না পেয়ে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় সেটা ঠিক করে দেয়৷
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
সময়টা ২০২৫ সাল। আমি আমার ক্রয়কৃত জায়গা নামজারি করাতে ভূমি অফিস যাই। আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আমমোক্তারনামা বলে জায়গা ক্রয় করি। ক্রয়ের আগে আমমোক্তার যাচাই করা হয়। কিন্তু ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বলে আমমোক্তারনামা যাচাই করতে হবে। সময় লাগবে ৭ দিন। আমি বলেছিলাম এটা যাচাই করা আছে। তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিলে এখনই সমাধান হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই।
নামজারির জন্য আমি অনলাইনে অন্তত তিন-চার বার আবেদন করেছি। কিন্তু পূর্বের জমির মালিকের নামের ভুল দেখিয়ে প্রতিবারই আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এ বিষয়ে নাম সংশোধনের কাগজপত্র, ইউনিয়ন মেম্বার ও চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি দাখিল ও প্রদর্শন করা হয়েছে। পরবর্তীতে উপজেলা ভূমি অফিসে গেলে আমাকে প্রায় ১০০ বছর আগের জমির সম্পূর্ণ ইতিহাস ও কাগজপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়, যা বাস্তবে অত্যন্ত কঠিন ও প্রায় অসম্ভব। পূর্বের নামের ভুলটি ইচ্ছাকৃত নয় এবং এসব রেকর্ড তৎকালীন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে। অথচ সংশোধিত কাগজপত্র দেখানোর পরও তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ভূমি অফিসে একাধিকবার গিয়ে আমার অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে, সরকারি সেবা পেতে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের একটি প্রবণতা রয়ে
ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে দেয়ার জন্য সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওয়েবসাইটে আপলোড করার পরেও কোনো কারণ না দেখিয়েই বারবার ক্যানসেল করে। পরে সরাসরি ভূমি অফিস গেলে বলে ২,০০০/- লাগবে অনলাইন করার জন্য অন্যথায় হবে না। পরে আমি আর টাকা দিইনি। এমনকি আমার আবেদন এখনও একইভাবে ঝুলে আছে।
২০২০ সালে রায়পুর পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সরাসরি আমার কাছে টাকা না চেয়ে আমাদের মিউচুয়াল পরিচিত এক ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে আসেন এবং তার মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা চান। সেই টাকা না দেওয়ায় আমার নামজারি ৩ মাস ঘুরানো হয়। অবশেষে আমি তাদের রাগারাগি করলে আমার ফাইল ছাড়ে এবং নামজারি করতে পারি।