17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমির নামজারী করতে ৭০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
আসসালামু আলাইকুম আমি একটি জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম। জাহাজমারা হাতিয়া নোয়াখালী থানার অন্তর্গত জাহাজমারা ভূমি অফিসে সেখানে আমাকে ১০০০০ টাকা দাবি করে এবং ১০ হাজার টাকা ছাড়া করবে না আমি টাকা পরিশোধ করেছি
আমার ও খালাদের ওয়ারিশ সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন দেওয়ানিমামলা চলার পর ডিগ্রি হাতে পায়। সেই ডিগ্রির কাগজসহ অন্যান্য কাগজপত্র নিয়ে গত জুলাই/২০২৬ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই নামজারি করার জন্য। ভূমি কর্মকর্তা সকল কাগজপত্র যাচাই করে। সকল কাগজ ঠিক থাকার পরও তিনি বিভিন্ন আগরুম-বাগরুম বুঝিয়ে আমাদের কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ৫৫ হাজার টাকায় ফয়সালা দেয়। প্রথম অবস্থায় ১০ হাজার পরে ৩০ হাজার নামজারির কাগজ বের হলে ১৫ হাজার দেওয়া লাগবে।
আমি জমির কর দিতে গেলে আমর কর আসে ১১০০ টাকা ওনি আমার কাছে দাবি করে ২৬০০ টাকা
আমি দেড় শতাংশ জমি ক্রয় করলাম ৬ মাস আগে ওয়ারিশদের কাছ থেকে , উক্ত ভূমির সর্বশেষ রেকর্ড আর এস অনুযায়ী সাব রেজিস্ট্রেশন অফিসে রেজিস্ট্রেশন করলাম, জমি খারিজ প্রক্রিয়া করতে গেলে যেখানে সরকারি খরচ ১১০০ টাকা, কিন্তু ভূমি অফিসের আওতাধীন তফসিল অফিসে ৯০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা রাজি হই করার জন্য কিন্তু পরবর্তীতে হবে না বলে কাগজপত্র সমস্যা আছে ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়
mutation korte gele tk cai
বাড়ির যায়গার খাজনা দিতে গেছিলাম, ভুমি অফিসে ডুক্তে হাতের ডান পাশ্বের ভবনে ডুকার সময় ডান পাশ্বে একজন কর্মকর্তা নাম জানিনা সম্ভবত পায়ে সমস্যা আছে, অনাকে জিজ্ঞেস করলাম যায়গার খাজনা দিতে এসেছি উনি কাগজ পত্র দেখে বল্লো ৩২০০০ হাজার টাকা দিতে, আমরা শুনে অবাক এতো টাকা কি করে হলো, ভদ্রলোক আমাকে বল্লো বড় সাবের কাছে গিয়ে আলাপ করতে,জন্য বড় সাবের কক্ষ ডান থেকে ১/২ কক্ষ পরে গেলাম উনার কাছে উনি কাগজ দেখে ভেবে চিনতে বল্লো ২৫০০০/ টাকা দেন কক্ষের ভিতরেই আমার পরিচিত একজনের সাথে দেখা হলো যা বুজলাম আমার পরিচিত লোকের আনা গোনা বেশি উনি সহ সুপারিশ করলো তার পরে বল্লো ঠিকাছে সর্ব শেষ ১৮০০০/টাকা দেওয়ার জন্য কিন্তু আমাদেরকে টাকার রশিদ দিবে ১৪০০০/ টাকার, কি করার আছে মেনে নিলাম। পরিচিত লোক না থাকলে ২০হাজার দিতে হতো।
সরকারি পি ছিল ১১৭০? আমি ২০ শতক জমি খারিজ করতে ভুমি অফিসে যাই সে খানে গিয়ে আমি বলছি আমি জমি খারিজ করবো তার পর আমি কাগজ পাতি দেই কাগজ দেখে আমায় বলে যে ২০ হাজার টাকা লাগবে। তার পর কথা বলে ১৫০০০৳ টাকায় কথা ফাইনাল হয়ে। তার পর শুরু হলো অফিসে যাওয়া আসা আজকে না হয় কালকে কালকে না হয় পরশু এভাবে করতে করতে। ১মাস চলে গেল তারপর একদিন একটা ডেট দিল। ওই ডেকে আমি অফিসে যাই যাওয়ার পর বলে আগে টাকা হাতে দেন তারপরে কাগজ দেব তারপর আমি টাকা দিয়ে দিলাম কাগজ হাতে নিয়ে দেখি আমার জমি ১০শতক খারিজ হইছে বাকি ১০ শতক হয় নাই এখন আবার ১০ শতকের জন্য টাকা চাচ্ছে।
প্রতিটি নামজারি খতিয়ানের জন্য নায়েব কে দিতে হয় ৩০০০ টাকা এবং সহকারি ভুমি কর্মকর্তা ( এসিল্যান্ড) দিতে হয় ৬০০০ টাকা৷ এসিল্যান্ডের সহকারি কে দিতে হয় ১৫০০ টাকা। খাজনা পরিশোধ করতে গিয়ে ১৯৭৭-২০২৬ পর্যন্ত খাজনা এন্টি করে নাল জমি আবাসিক দেখায় অনেক টাকা দেখা। খাজনা পরিশোধের অনুমোদন নিতে হলে ১০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে কৃষি-১, কৃষি-২ অনুমোদন করে প্রতিটি খাজনা রশিদ হতে। এতে সরকার কর পরিশোধ সামান্য। উদাহরণ যেমন আপনার খাজনা ৩০০০০ টাকা হিসাব দিখেয়ে ১০০০০ টাকা ঘুষ দিলে নায়েব অনুমোদন করে ১০০০ টাকা
কাজটা প্রয়োজন ছিল,প্রথমে বলা হলো যে, ৫০০০-৮০০০ হাজারে হয়ে যাবে।পরের ধাপে বেশ কালক্ষেপণ করানো হলে পরবর্তীতে তাগাদা দিতেই বলে ১৫০০০ লাগবে, আচ্ছা যান ৫০০ টাকা ছাড়! পরের সর্বমোট ১৪৫০০ টাকা নিলেও রশিদ পেয়েছি ১৯৪১/- টাকার। বি.দ্র: প্রয়োজন মানুষকে ভুল সিদ্ধান্ত বাধ্য করায় সমাজের আইনের শাসন দূর্বল হলে।
সাবরেজিস্টার টাকা খেয়ে প্রকৃত মালিকের জমি আরেকজনের নামের লিখে দেই, ভূমি কমিশনার স্যার বারবার এই সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার পরও,মুখোশ পরা সাব রেজিস্টার 'রা নতুনভাবে সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে, শেষ পর্যন্ত জমি নিজের দখলেই আনার জন্য বাধ্য হয়ে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে, ভূমি অফিসে যারা পিয়ন আছে তারা আরো বেশি ভয়ংকর তারা কোন কাজ টাকার বিনিময় ছাড়া করতে চায় না। একটা ছোট কাজ, খতিয়ান ঠিক করার মত ছোট কাজ করতে প্রায় সাড়ে তিন বছর সময় লাগছে এতে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ৪ লক্ষ টাকা প্লাস
খসড়া খতিয়ানে ভূল করে দিছে টাকা না পেয়ে
আমাদের একটা সংশোধন মামলার আমরা রায় পেয়েছি ওই জায়গা সরকারিভাবে আমাদের মেপে দেওয়ার কথা মাপার জন্য তারা বিশ হাজার টাকা দাবি করছে এক টাকাও কোন দিলে হবে না।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাস। BRS খতিয়ান পাওয়া যাচ্ছিল না । সব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানাইলো বি আর এস খতিয়ান ছাড়া জমির দলিল হবে না। তখন বাধ্য হয়ে বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে এটা করতে হয়েছে ।
সাংবাদিক ভূমি অফিসে এসে আমাদের ভূমি অফিসে নাকি সমস্যা আছে, এসব বলে টাকা দাবি করে।
নামজারির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও কোন দোষ ত্রুটি খুঁজে না পেয়ে উনি ওয়ারী সার্টিফিকেট দাবি করেন। যখন দেখলেন ওয়ারিশ সার্টিফিকেট আছে তখন উনি বললেন এটা ডেট এক্সপায়ার হয়ে গেছে নতুন করে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নিয়ে আসবে অন্য একজনের মাধ্যমে আমার থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়
চকোরিয়া ভুমি অফিসের অধীনে চিরিঙ্গা তহসীদার আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করছিলো, যে দিন আমার সাথে দেখা হয়েছিলো, এরপর টাকা কেন দিতে হবে, যেহেতু একই মামলা জেলা প্রসাশক রাজস্ব এর আদালতে নিষ্পত্তি হয়েছে, এটা আমি বলার পরে, আমার কোন কথা শুনতে চাইনি, নোটিশ দিবে বলে, আমাকে চলে যেতে বলে। পরে নোটিশ না দিয়ে তদন্ত করতে গেছে,
আমি আমার জমির নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমি টাকা টা দেই।
সাধারণ নিয়মে কাজ করতে গিয়েছিলাম, রেজিষ্টার অফিসে আসে দুপুর ১২ টায় চলে যায় ৩ টায়। নিয়মমত তার সামনে নথি নিয়ে থাকার পরও আমার হাত থেকে কাগজ নেয়নি। যারা টাকা দিচ্ছে তাদের নাম ডেকে কাজ করে দিয়েছে। দলিল লেখক সরকার জানায় টাকা ছাড়া সে রেজিষ্টার এর সামনে যেতে পারবে না। সেদিন িফরে আসি। অনেক অনেক কথা লিখে শেষ করা যাবেনা। যাহোক পরদিন ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। আর আল্লাহ র কাছে বিচার দিয়েছি।
টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে নামজারী করা হইছিলো, প্রথমে টাকা না দেয়ায় অনেক ভুল বের করছিলো, টাকা দেয়ার পর কোন ভুল নেই।