খতিয়ান নং সংশোধন
শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিসে চাহিদা মোতাবেক সকল ডকুমেন্ট দেয়ার পরেও ৪দিন যেতে হয়েছে, এখনও জানি না কাজটা করেছে কি না।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিসে চাহিদা মোতাবেক সকল ডকুমেন্ট দেয়ার পরেও ৪দিন যেতে হয়েছে, এখনও জানি না কাজটা করেছে কি না।
প্রথমে মিউটেশন করতে গেলে বলে, রেকর্ড সংশোধন করে মিউটেশন করতে আদালতে মামলা করতে হবে। আমি বুঝতে পারি নাই ওরা মুলত টাকার জন্য আমার রেকর্ড সংশোধনী মামলা এসি লান্ড এ করছে না, আদালতে যাই। 16 বছর আদালতে চক্কর কেটে ডিক্রী পাই আমার পক্ষে। এখন ও আদালতের রায় অনুযায়ী মিউটেশন করে দেয় নি, এখন ওদের কথা অনুযায়ী আবার এসি লান্ড এ মামলা করেছি , আদালতের রায় জমা দিয়ে। সরেজমিনে আসব দেখব বলে আসে নাই ২ বছর হয়. ওখানকার লোক 5 লাখ হলে করাতে পারবে বলে। এত দিনে আমি খরচ করতে করতে ফকির। টাকা নাই , ঘুষ দেই নাই , ফাইল ও আদালতের রায় পরে আছে, তাদের দেখার সময় নাই।
জমির নামজারি করার জন্য ঘুষ ছাড়া ৪বার আবেদন করেছিলাম। প্রতিবারই ফেরত দিয়েছে। শুনানি ছাড়া আবেদন বাতিল করে দিত। ৫ম বার ঘুষের টাকার পরিষদের পরপরই মিউটেশন হয়ে যায়।
নামজারির ফাইল জমা দিতে গেলেই ১০০ টাকা দিতে হয় এটা সেখানে রেওয়াজ
The land office ask me for 11000 BDT for my mutation otherwise they will no approved it.
ই নামজারি। সরকারি খরচে যেটা করতে লাগে ১১৭৬ টাকা। সেই নামজারি করতে আমার ২০০০০ টাকা লাগছে। রাউজান উপজেলা, চট্টগ্রাম, এইখানে এমন একটা শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি হয়ছে যে আমাকে বাধ্য হয়ে ১১৭৬ টাকার কাজ ২০০০০ দিয়ে করতে হয়ছে। সাধারণ নিয়মে আমি করতে গেছিলাম কিন্তু ওরা বারবার আম্র ফাইলটা রিজেক্ট করছে না না অজুহাতে। সময়টা গত দুইমাস আগের ঘটনা
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার আগে কোন রশিদ ছাড়াই নিয়েছিল .আমি জমি শতক কিনেছিলাম ৮০হাজার করে ৫ শতক .রেজিষ্ট্রেশন হয়েগেছে বলে পরে আসবেন..২দিন পরে রশিদ দিলো জমি দাম নাকি ৫০ হাজার করে কিনেছি...পরে দরছিলাম বললো বড় অফিসার করেছে .এখন হয়েগেছে কিছু করা সম্ভব না।
একজন গরীব মানুষের দশ শতাংশ জমি নাম জারি করার সময় আট হাজার টাকা চেয়েছিল ইউনিয়ন ভূমি অফিস। পরে আলহামদুলিল্লাহ এই অঞ্চলের নাম করা শিক্ষক মাধ্যমে মাত্র ১১৫০ টাকা এটা সম্পন্ন হয়। ওই শিক্ষক কয়েক হাজার লোকের নাম জারি করিয়েছিল সরকার নির্ধারিত মূল্য। কথা হলো সাধারণ মানুষের নিকট থেকে তো এরা অনেক টাকা বেশি দাবি করে। আর আমি শিওর সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এবং উপজেলা ভূমি অফিসে একই দুর্নীতিতে দুর্নীতিগ্রস্ত
মায়ের নিকট থেকে হেবার মাধ্যমে প্রাপ্ত আমরা তিন ভাই বোন তিনটি ফ্ল্যাটের নামজারি করতে চাইলে প্রতিটির জন্য 15000 করে 45000 টাকা চেয়েছে । আমরাজানি সরকারি খরচ 1170 টাকা করে । ডিজিটালি এটাকে সহজ করা উচিৎ । রেজিষ্ট্রি হওয়ার পর 1170 টাকা জমা দিয়ে অটো নামজারি হওয়া দরকার ।
কোটে একটি (এম পি ) মামলা করা হয়ে ছিল আদালত দৌলতখান ভুমি অফিসে তদন্ত দিলে সারবেয়ার — তদন্তে জান পরে অফিসে যেতে বলে গেলে সেখানে ১৫০০০হাজার টাকা দাবি করেন তখন আমি তাকে ৫০০০ হাজার টাকা দিয়েছি তারপর তিনি মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছেন
নোয়াখালী হাউসিং এস্টেট (দ্বিতীয় পর্যায়ে) জমির কেনার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এস্টেট), চট্টগ্রাম হাউসিং স্টেট, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তরের অনুমতি, নামজারীর অনাপত্তি প্রদানের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে বিল্ডিংয়ের প্লেন পাশের জন্যও ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
আমার দখলকৃত ১২৯ শতাংশ ভিপি জমি খ তফসিলে রয়েছে, সঠিক কাগজ পত্র দিয়ে আবেদন করেছি, তশিলদার সাহেব বলেছে এ্যাসিল্যান্ড কে না জানিয়ে প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন না,পরে একদিন জানিয়েছে তার ১ লক্ষ এবং এ্যাসিল্যান্ডের ২ লক্ষ মোট ৩ লক্ষ টাকা লাগবে, আমি মোট ২ লক্ষ টাকা দিবো জানিয়েছি বিষয়টি প্রক্রিয়াদিন রয়েছে।
অফিস স্পেসের নামজারির জন্য ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে । আমি বাধ্য ছিলাম
নামজারি আবেদন ১ম বার বাতিল করা হয়েছে। পারে দালালের মাধ্যম কাজটি সমাধান হয়েছে।
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম। সরকারি ফি দ্বারা করে না, অতিরিক্ত টাকা চায়।
সেবাটি ছিলো নামজারি করতে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। না হয় এই অফিস ওই অফিস থেকে সিল স্বাক্ষর, অনুমতি, পেপারস ইত্যাদি আনতে হবে। ঘুরতে হবে। হয়রানী হবে। সময় লাগবে ১ মাস। ঘুষ দিলে। ৭ দিনে তাদের অফিসে থেকেই ডিরেক্ট নামজারি পেপারসটি নিয়ে যাবে।
মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন অনলাইনে সাবমিট করার জন্য প্রতিটা নামজারি কেসের জন্য ৩০০ টাকা রিপোর্ট খরচ চায়। আমি জানি এটা সরকারি কোনো ফি না। তাই টাকা না দিয়ে চলে এসেছি।
নায়েব+এসিল্যান্ড: টাকা দিন, কাজ ৫-৭ দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, নাহলে ফাইল পরে পচতে থাকবে। বারবার অনলাইন আবেদন প্রত্যাক্ষান করে দেওয়ার পরে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিলো। আর পাবনা জেলার, ভাংগুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের বর্তমান নায়েব একটা রক্তচোষা পিশাচ, ১০০ টাকার খাজনা(ট্যাক্স) এর জন্য গরীব কৃষকদের থেকে ৫০০-১৫০০ আদায় করে সম্মুখে।
নামজারির আবেদন করেছি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসতে বলে রিপোর্ট দিতে হলে ১২০০০/ টাকা লাগবে,আরো বেশি চাইছিল আমি দিতে বাধ্য হয়েছে, এর আগেও টাকা না দেওয়ার ১ বার বাতিল করছে,আমি সব ভিডিও সহ অনেক আলামত এ্যসিল্যান্ড মহাদয়ের নিকেটে দিয়েছিলাম কিন্তু কোন বিচার পায়নি,
লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এক বছরের জমির খাজনায় ১৫০ টাকার বদলে অতিরিক্ত ১৮৫০ টাকা নেয়। এখন আপনি হয়তো বলতে পারেন আগের কোনো খাজনা দেওয়া বাকী ছিল,কিন্তু উত্তর হচ্ছে না আমি প্রতিবছর নিয়মিত খাজনা দিয়ে ফেলি। এই টাকা লোকজন বেদে আরও বেশি করে নিয়ে থাকে। তার উপর আবার কম্পিউটার চার্জের নাম দিয়ে জনপ্রতি ২০০-৫০০ টাকা করে রাখে। একি সাথে নামজারিতেও একই অবস্থা পুরো লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে বেশির ভাগ ভুমি অফিস ১১২০৳ ফি বিগত বছরগুলোর ন্যায় ৭০০০-১২০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। না দিলে নামজারি করে না। বিভিন্ন ওজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। উল্লেখ্য, আমাদের বর্তমান পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ঐ মন্ত্রীর গ্রামের বাড়ি একই ইউনিয়নে।