জমি নাম জারি
জমি নামজারি করবো।তার স্বক্ষর করার জন্য ২০০০ হাজার।আগে যিনি ছিলেন সে বলে নাম জারিতে ভুল করছে তার জন্য দুই হাজার।এসিল্যান্ড অফিসে ৬ হাজার।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি নামজারি করবো।তার স্বক্ষর করার জন্য ২০০০ হাজার।আগে যিনি ছিলেন সে বলে নাম জারিতে ভুল করছে তার জন্য দুই হাজার।এসিল্যান্ড অফিসে ৬ হাজার।
একই সেপ্টেম্বর জমির দলি মিউটেশন করার জন্য ২০২৫হলে সালে একবার বাতিল করে দেয় পরে আবার আবেদন করি তারপর কোনটাকে কাজ করে দেয় ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর একদিনে করে দেয়
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!
টাকা দেইনি বলে তারা উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়েছে
আমি ট্যাক্স দিতে গেলে তারা টেক্স অতিরিক্ত পরিমাণে বলে এবং আমি তাদেরকে সরকারি রেড বললেও তারা আমার কথা শুনে নেই এবং আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা বেশি দিতে বলেছে যার ফলে আমি আর কোন উপায় না পেয়ে আমাকে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
গেলাম ভুমি অফিসে দাগ নাম্বার বের করতে তখন টাকা চাইলো ৩০০৳ লাগবে - দেখি অনেক লোখ এইভাবে প্রতিদিন পিওন যারা তাদের দৈনিক ইনকাম ১০০০০৳ উপরে।
কানুনগো প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাকা চাইছে।
আমি জমাখাইজ করতে গিয়েছিলাম আমার জমিনে উনি প্রথমে 11 হাজার টাকা চেয়েছিল পরে দরদাম করে আট হাজার টাকা আমি সম্পন্ন করেছি তাও ২৩ মাস উনারা ব্যয় করেছেন সময় বলছিল যে ১৫ দিনের মধ্যে বা সর্বোচ্চ এক মাস প্রায় তিন মাস লাগাইছিল
জানুয়ারি ২০২৬ হইতে উল্লেখিত এলাকায় মাঠ জরিপ কাজ চলমান। জমির বর্তমানে কারা মালিক কি ভাবে মালিক দখলে কে আছে নিশ্চত হয়ে মাঠ পর্চা বিতরন করা কিন্তু তা না করে অহেতূক হয়রানি করতেছে। ১৫ থেকে ২০ হাজারের নিছে কাউকে মাঠ পর্চ বিতরণ করছেন না। টাকা দেওয়ার পরে ও বার বার বিতরনের তারিখ দিয়ে ঘুরাইতেছে।
নতুন রেকর্ড অনুসারে খাজনা দিতে গেলে ভূমি অফিসের লোক বলে, নতুন করে খারিজ করতে হবে এবং খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা চায়। আমি বিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।
জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় ৮০ হাজার টাকা এবং জমিতে যাওয়ার রাস্তা রেজিস্ট্রেশনের সময় আরও ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, রেজিস্ট্রি অফিসার একই দিনে দুটি কাজ একসঙ্গে করেননি। আলাদাভাবে দুটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে, আর সেই কারণে দুইবার ঘুষ দিতে হয়েছে।
ভূমি অফিসে অফিসার থেকে শুরু করে সবাই ঘোষ খায় সমান্য কাজের জন্য ৫৫০০ টাকা দিসি আজকে বলে আসো ২০০ দিতে খাতায় এনট্রি করবে বলে
জমির খাজনার রশিদের জন্য ৮৭০০ শতক জায়গায় ৮০০০ টাকা, কিন্তু আমি ১৫০০ টাকা পরিশোধ করি।তারপর অনলাইন খাজনার রশিদে ৭০ টাকা পরিশোধ করে।
জমি খারিজ করতে অনেক দুর্নীতি হয় আরো অনেক দুর্নীতি কয়টার কথা বলব
আগস্ট মাসের ৬ তারিখে আমি একটি নাম জারি আবেদন করেছি সেটা এখনো এক ধাপ ও আগায়নি ।তারা রিসিভ করেছে ওই পর্যন্তই আছে। পরে অনেকের কাছে জানতে পারলাম ঘুষের টাকা ছাড়া তারা কোন নামজারির ফাইল ছাড়ে না। মিনিমাম ২ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড অফিসে তারা ফাইল পাঠায় অন্যথায় ওই অফিসেই ফায়ার জমা থাকে। শরীয়তপুর উত্তরমাথা ভূমি অফিস।
জমির নাম জারি হয়েছে এখন খাজনা দেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করা হলে ওনারা জানালো খাজনা আড়াই লাখ টাকার মত আসবে তবে এসিল্যান্ড অনলাইনে এপ্রুভ করার জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে। হায়রে বাংলাদেশ মশা মারতে কামান লাগানোর অবস্থা।
আমি পরিশোধ করিনি। তবে আমার সেই দরিদ্র দাদা যে আমার নিকটে জমি বিক্রি করেছে, সে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছিল। তার জমির খতিয়ানে করনিক ভুল ছিল। জমির দাগ নম্বর ২৬২৮ এর স্থানে ১৬২৮ লেখা ছিল, যার কারণে সে আমাকে জমিটি দলিল করে দিতে পারছিল না। ঘুষ সরাসরি নিয়ে ছিল স্থানীয় দলিল লেখক তবে সেটা যে ভুমি অফিসে এসিল্যান্ড নিয়ে ছিল তা আমি বুঝতে পরেছিলাম। কারণ আমি আমার সেই দাদার হয়ে ২ মাস ভূমি অফিসে ঘুরেও সেই মিসকেস অনুমোদন নিতে পারছিলাম। নানা ধরনের অজুহাত চলছিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যেতে হবে, সরজমিন তদন্ত হবে, তারপর ইত্যাদি ইত্যাদি। অখচ ঘুষ দেওয়ার পরদিনই সংশোধিত খতিয়ান পাওয়া গেলো। জমিও রেজিস্ট্র হয়ে গেল। আমি শিক্ষিত লোক হয়েও বোকা বনে গেলাম। ভূমি অফিসে বড়বাবু আমাকে দেখে হাসতো। ২০২৩ সালের ঘটনা।
জমির খাজনা দেওয়ার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। অনেক ঘুরাঘুরি করেও তারা আমার কাজ করে দেয় না। পরে তারা আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য 100000 টাকা দাবি করে। বলে যে এই টাকা দিলে খজনা হবে না দিলে হবে না। অনেক কথা বলার পর 50000 টাকায় রাজি হয়েছে। এবং শেষে 50000 টাকা নেওয়ার পর আমাকে মাত্র 500 টাকার রশিদ প্রদান করে। অফিসের কাছে একটি কম্পিউটারের দোকান আছে ওনাকে 100000 টাকার কথা যখন জানালাম তিনি আমাকে আস্বাস প্রদান করে। এবং হেল্প করার কথা বলে। পরে তিনি আমাকে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং আমার হয়ে অফিসে অনেক কথা বলে ঘুষের পরিমান 50000 টাকা করলো। এবং এই কাজের জন্য তিনি আমার কছে 10000 টাকা চাইলেন। কোভাবেই মানতেছিলনা পরে তাকে 9000 টাকা দেই। পরে জানতে পারলাম দোকানদার ওদের সাথে শেয়ার আছে। আমার সামনে সুধু অভিনয় করলো।
ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি অফিস আমার বাবা জমির খাজনা দিতে গেলে, তারা বলে এক একর প্রতি এক হাজার টাকা করে দিতে হবে। পরবর্তীতে ৭০০ টাকার নিয়ে। হাতে শুধুমাত্র ২০ টাকার খাজনার রিসিভ ধরিয়ে দেয়।
আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করে অফিসে যাই তারপরে এই টেবিলে নয় ওই টেবিলে এই টেবিলে নয় ওই টেবিলে এরাম করতে করতে আমাকে অনেক ঘোড়ায় তারপরে একজন এসে বলে স্যার বলেছেন ৭০০০ টাকা লাগবে আমি বললাম ১১৭০ টাকার জায়গায় 7000 কেন তারা আমাকে ধমক দিয়ে বললেন খারিজ করলে করেন না করলে অফিস থেকে বেরিয়ে যান তাদের এই দাপট দেখে আমি অসহায় হয়ে তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে বাধ্য হই আজ পর্যন্ত তারা আমার মূল কপিটা দেয় নাই।