নামজারি
নামজারী করতে সরকারি খরচ ১১০০ এর কিছু বেশি। কিন্তু অই অফিসের নায়েব সাহেব এবং সংস্লিষ্ট ব্যাক্তিগণ এসিল্যান্ড এর কথা বলে ৬৫০০টাকা নিয়েছে। এসিল্যান্ড নাকি ৬৫০০ টাকার ছাড়া নামজারী করবে না।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারী করতে সরকারি খরচ ১১০০ এর কিছু বেশি। কিন্তু অই অফিসের নায়েব সাহেব এবং সংস্লিষ্ট ব্যাক্তিগণ এসিল্যান্ড এর কথা বলে ৬৫০০টাকা নিয়েছে। এসিল্যান্ড নাকি ৬৫০০ টাকার ছাড়া নামজারী করবে না।
নাম জারি করাতে গিয়ে আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের আশেপাশে প্রচুর দালাল থাকে তারা সরকারি চেয়ারে বসেই ঘুষ দাবি করে বলেই ফেলে সরকারি খরচে তে পারেন সে ক্ষেত্রে কতদিন সময় লাগবে বলতে পারছিনা হতে পারে ছয় মাস কিন্তু আপনি যদি আট হাজার টাকা দেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে এক সপ্তাহের মধ্যে করে দিতে পারব। বাধ্য হয়ে মানুষ তিক্ততায় পড়ে সরকারি অফিসের কর্মকর্তাকেই দিতে বাধ্য থাকে তাদের শক্ত একটি দালাল চক্র সব সময়ই আশেপাশে থাকে। এই টাকা ভূমি অফিসের সকলেই এমনকি এসিলেন্ড সহ তারা খায়। এটা শুধু আলেকজান্ডার রামগতি থানার লক্ষ্মীপুরে নয় সারা বাংলাদেশে একি কাহিনী। সুতরাং মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন কর্তৃক এটা কে শক্তভাবে হস্তক্ষেপ না করলে প্রত্যেকটি মানুষকে তারা এইভাবে বাধ্য করে অর্থ আত্মসাৎ করেই যাবে।
আসসালামু আলাইকুম আশা করি ভাল আছেন। আপনাদের এই নতুন চিন্তা ভাবনা আসলেই সাধারণ জনগণের জন্য খুবই উপকৃত হবে যখন এটা শক্তিশালী টিম একসাথে হয়ে কাজ করবে। আমার সমস্যাটা ছিল, সরকারি একটা জায়গা প্রতিবছর নবায়ন করে টাকা পরিশোধ করতে হয় কিন্তু যখন উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যখন এটা ইউনিয়ন কাউন্সিল ভূমি অফিসে রিপোর্টের জন্য পাঠায় তখন সেখানে ওই মহিলা টাকা চায়। কেন আমি কি কোন অন্যায় করছি আমি তো সরকারকে টাকা এমনিতেই দিচ্ছি প্রতিবছর।তাদের তো উচিত ছিল আমার কাজটা খুব দ্রুত করে দেওয়া টাকা না দিলে কাজ হবে না দেরি হবে কাজ করবে না এভাবেই থাকবে এগুলা কেমন কথা। আমার তো সব ডকুমেন্ট ঠিক আছে??? তারপরও কেন এসব? এটার শেষ কি হবে আমি দেখব আমি কোন টাকা পয়সা দিব না?
আমি গেছিলাম একটা জমি রেজিস্টার করতে, তো আমার কাগজ সব ঠিক ছিলো কিন্তু একটা কাগজ সাদাকালো ছিলো এর জন্য আমার জমি রেজিস্টার করতে চায় নি। পরে মেজিস্টেডের সাথে একটা লোক থাকে সে ৩৫০০ টাকা চায় তা না হলে সে দললি পাস করবে না। তো আমি বাদ্য হয়ে দিছি, যদি না দিতাম তাহলে জমি ওয়ালা ঝামেলা করতো, আর পরবর্তিতে আমার দলিল লেখক কেও সে হুমকি দেয় তার আর কোন কাজ করবে না। তাই আম বাধ্য হয়েই দিতে হয়। আর এখনো এগুলা করে অন্য লোকের সাথে। আর সেখানে আরো অনেক রকম ঘুষ লেনদেন করা হয়।যেমন জমির নকল উঠাইতে গেলে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা নেওয়া হয়
Zomi khariz korar zonno gele 20000 taka chai ami dite osikar zanay tai amar kaz hoy ni
আমি জমি খারিজের জন্য গিয়েছিলাম, কিন্তু ভূমি বিভাগের কর্মকর্তারা আমার কাছে ১,৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি।
পরচা নম্বর দেখে তথ্য জানতে চাইলে শুধু মাত্র ফোন এ বা ওয়াটচাপ নাম্বারে ফটো আকারে আনতে প্রতি পরচা নাম্বারের জন্য কমপক্ষে ২০০ বা তার বেশি টাকা দিতে হয় না দিলে তথ্য সংগ্রহ করে দেওয়া হয় না
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছে। অথচ নামজারির ফি ১১৭০ টাকা।
আমি নামজারি করতে গেছিলাম। ২৮ দিনে নামজারি হওয়ার কথা ছিলো। ঘুষ ছাড়া ফাইল আটকে ছিলো। ৩ মাস পরে বলেছিলো ফাইল হারিয়ে গেছে। অফিসের নিচু পদের কেউ কৌশলে টাকা চেয়েছিলো। দেওয়ার ৩/৪ দিনেই কাজ হয়ে যায়।
নামজারি করতে সকল ডকুমেন্টস সাবমিট করার পরও টাকা না দিলে নামজারি হবে না। জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা দিতে হবে কেন,বলল ভাই টাকা কি আমি নিবো যতগুলো টেবিলে এই কাগজ যাবে সাবাইকে কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে,আর না দিলে কাগজ টেবিলে পরে থাকবে,কাজ হবে না,আমি আপনার কাজটা করে দিবো আমার কিছু খরচ আছে না।পরে দিলাম। নামজারি টা অবশ্যই হযেছে আমার কে কিছুর জন্য আর ডাকে নি।উল্লেখ যে ভুমি অফিস ইউনিয়ন অফিস যে কোন কাজেই জন্যই যাই সরকার যেসব কাজ ফ্রি করেছে তার জন্য কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে দিলে কাজ সাথে সাথে হয়,না দিলে দারি কমা নিয়েও হয়রানি হতে হয়,আর এই হয়রানির ভয়ে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।কারন এর প্রতিবাদ করার কেউ নেই।
নাম জারি করার সময় আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে।
amr dadar jomi kha topsil vukto hoyese.. ami seita obomuktir jonno 2 bochor age apply kori kintu sirajganj sador vumi office a amr kase 7 hajar tk chay..ami onek hate paye dhore 4 hajar tk diyechilam amay bolechilo 3 diner vetor kagoj peye jabe..kintu 6 mash par howar poreu amay kagoj deyni akhono..ajke na kal..kalke na porshu korei jacche..onar name ta mone nei..kintu Uni hindu onar basha sirajganj shohorer dhanbandhi alakay .. ami er akti sothik bichar chai..jani apnara korte parben na..kintu ami allahr kase chai er bichar
আমি যখন অনলাইনে আবেদন করি তখন ভূমি অফিস থেকে কল দিয়ে বলে তোমার নামজারি জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে তখন বলেন তোমার অরজিনাল দলিল নিয়ে আমাদের সাথে দেখা কর পরের দিন দেখা করি সবকিছু চেক দিয়ে আমাকে বলে তোমার তোমার দলিল নাম প্রত্যয়নের জন্য আমাদেরকে ২৫০০ টাকা দিতে হবে নিরুপায় হয়ে আমি পে করেছি।
ভুমি অফিসের নায়েব, সে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দিবে খসড়া তৈরি করে দিবে, যদি তাকে টাকা দেই আর যদি টাকা না দেই তাহলে সে বাতিল করে দিবে, এবং AC Land ভূমি অফিসে পাঠাবে বাতিল হিসেবে যেকোনো ভুল বানায় বাতিল করে দিবে
জমি নাম্পত্তন করতে গিয়ে ভূমি অফিস থেকে অন্য অফিস কিসু সাইন করতে পাঠায় ।সেখানে গেলে আমার কাস থেকে ১০০০ টাকা কা ।জানতে চাইলে বলে এটা সবাই দেই ।ডকুমেন চাইলে বলে লাগবেনা ।আমি আর বাড়াবাড়ি করলামনা ভয়ে যদি আমর পেপারে সাইন না করে।তখন ধরে নিলাম এই টাকাটা সবার কাস থেকে নেওয়া হয়।এটা প্রতিনিয়ত চলছে ।আমি ধারণা করি এই টাকার ভাগ উপরের সবাই পাই।তাই কেউ বাধা দেই না
বাৎসরিক খাজা দিতে গেছি , দেখি আরেকজনের নামে জমি খারিজ হয়ে আছে। পড়ে গেলাম বিপাকে তারপর ভূমি অফিসে যে কর্মকর্তা ছিল তাদের সাথে কথা বললাম বলল যে আপনারা জমি বিক্রি করে দিয়েছেন এই জন্যই তো আরেকজনের নামে খারিজ হয়েছে এটা মিস কেস করতে হবে। এবং অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। আর বিশেষ করে তারা টাকা খাওয়ার জন্য আমাকে কোন হেল্প করতে চাচ্ছিল না এবং দিনের পর দিন শুধু ঘুরাচ্ছিল। একটা কথা বলে রাখি তারা নিজেরাই ইচ্ছা করে এগুলো গন্ডগোল বাধিয়ে রাখে যেন সাধারণ মানুষের থেকে টাকা খাওয়া যায়। তারপর আর কি করার আছে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে নথিপত্র ঘাটাঘাটি করে কিছুক্ষণের মধ্যে সবকিছু কমপ্লিট করে দিল। শুধু শুধু হয়রানি এবং ২২ হাজার টাকা ঘুষ এর মাধ্যমে আমার কাজটি কমপ্লিট করি। আর ওদের ব্যবহার অনেক খারাপ ছিল ।
আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্য ৷ আমার কাছে থেকে ৮,০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছিলো ৷ আমি প্রথম দিকে কোনো টাকা দিতে রাজি হইনি ৷ এবং আমি নিজে নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম ৷ কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট দিয়েছিলো আমার জমির মালিকানা প্রমাণিত হয়নি ৷ এরপর এসি ল্যান্ড শুনানির জন্য তারিখ দিয়েছিলো ৷ আমি শুনানিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আগের সকলে খারাপ রিপোর্ট দেওয়ায়, নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছিলো ৷ পরবর্তীতে আবার নামজারির আবেদন করে নিজে নিজেই অফিসে ঘুরে ঘুরে ৪৫৭০/- টাকা দিয়ে নামজারি করিয়ে নিয়েছি ৷ ৪৫৭০/- টাকার মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ১৫০০/- দিয়েছি এবং এসি ল্যান্ড অফিসে ৩০৭০/- ( অরিজিনাল সরকারি ১১৭০/- টাকা সহ) টাকা দিয়েছি ৷
আমার বাবা গিয়েছিলেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। আমাদের জমির খারিজ বাবদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছেন। টাকা না দেওয়ার কারণে আমাদের এই জমির খারিজের আবেদন বারবার জেলা ভূমি অফিস থেকে আমাদের খারিজ আবেদনটি রিজেক্ট করে দিচ্ছে। এবং জেলা ভূমি অফিস থেকে বলে দিয়েছেন যে আপনারা আপনাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সচিবের সাথে কথা বলুন।
অনলাইনে একটি ফ্ল্যাট মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম, সমস্ত কাগজপত্র দলিলাদি ঠিক থাকা সত্ত্বেও দুই হাজার টাকা দাবি করেছিল এবং সেটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম নতুবা তারা ভূমি অফিস থেকে এসি ল্যান্ড অফিসে ফরওয়ার্ড করবে না।
সাধারণত আমি ভুমি অফিস জমি খারিজ করতে সরকারি ফি লাগে ১১৫০ টাকা,,, সেখানে ১৪ শতাংশ জমি খারিজ করতে আমার কাছে 7000 টাকা নিয়েছে।