খাজনা বাবদ
খাজনা বাবদ আমার হয়েছিল ১২০ টাকা। এখন সেটা অনলাইনে করেছে ১৪৭৯৬ টাকা।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খাজনা বাবদ আমার হয়েছিল ১২০ টাকা। এখন সেটা অনলাইনে করেছে ১৪৭৯৬ টাকা।
নাম জারি করতে ২০ হাজার লাগবো তাই আর নামজারি করতে পারলাম না।।
নামজারি করতে,টাকা বেশী নিতে বাহিরে,তাদের কম্পিওটার দোকানের সাথে সব কিছু জমা দিলে,সুন্দর মত করে দিবে।বলছে।
দাদার ৩.০৯ একর পৈত্রিক সম্পত্তি, বাবা চাচাদের মাঝে বন্টন নামা দলিল করতে ভূমি অফিস চার লক্ষ টাকা দাবি করে।
আমার ঘটনা পূর্বের। আমি আমার নিজ গ্রামের বাড়িতে বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ীতে। ২০২৫ সালের যখন আমার বোনের সাথে জমি বন্টননামা দলিল হয় তখন নামজারি তদন্ত ও খাজনা খারিজ এর অর্থ বাবদ সরাসরি আমার নিকট থেকে ২০০০০ টাকা পেচে ফেলে নিয়েছিল নশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রধান।সাথে আমার পারা পরশি ভাই সরাসরি উপস্থিত ছিল। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করে না।আবেদন এর ১ বছর পরে টাকা পাওয়ার পরই করেছিল। এখন আমি নামজারি করবো নিজের নামে আমার অংশ আমি খারিজ করবো এইজন্যই আমি আমার আইডিতে গত ২৮/০১/২৬ ইং তারিখে খাজনা দেবার উদ্দেশ্যে খতিয়ান আপলোড করি। কিন্তু আজ ০২/০৮/২৬ ইং এখন পর্যন্ত অঅনুমোদিত দেখাচ্ছে অনলাইনে।শুধু পার্শোনালি দেখা করতে বলে মোবাইলে বলে না সরাসরি দেখা হলেই বলে। আমি খাজনা দিতে পারবো না। ঘুষ ছাড়া।
তারা আমার কাছে সরাসরি কোন ঘুষ চায়নি তবে আমার ফাইল টি আটকে রেখেছে সেই জানুয়রি মাস, ২০২৬ থেকে । এবং ট্র্যাকিং এ কোন কিছু উল্লেখ করেনি যে কেন আটকে রেখেছে ।
তারা বলে ২৯ বছরের খাজনা বাকি পিয়ন, অফিস সহকারি আমাদেরকে এই পরিমাণ টাকা দিলে খাজনা অর্ধেক হয়ে যাবে ৫ নাম্বার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিস
জমির একটা কাজ করার জন্য আমার বাবা এবং চাচা গেছিলো তারা ১৫০০০ টাকা দাবি করে কাজটি দ্রুত করে দেয়ার জন্য অথচ তাদের বেতন হয় আমাদের ট্যাক্সের টাকায় এভাবেই চলছে আমাদের দেশ প্রতিটি এ ঘুষ বানিজ্য চলে
তুমি আমার বাড়ির খাজনা প্রথমবারের মতো দিতে গিয়েছিলাম, তখন বলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে পরে অনেক ঘুরার পরে 10000 টাকার বিনিময়ে সে ১৩০ টাকার খাজনা আমাকে কেটে দেয়, ঠিকানা, ঝিটকা ভুমি অফিস, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
জমির দাগ নাম্বার ভুল সংশোধন করার জন্য ৫০,০০০ ঘুষ দাবি করে। পরে অনেক কষ্ট করে, অনুনয়-বিনয় করে ১৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাই।
আমার কাছে ই টাকা চাওয়া হয়েছে
আমার জমি পরিমাণ ৪৬ শতাংশ।যা আমার সঠিক দলিল ও ফাইনালের আগের পর্চাতে, এবং দখলে বিদ্যমান। কোন ধরনের অন্যদের দাবি বা কোন সমস্যা নেই।ফাইনাল করার ১ মাস আগে ভুমি অফিসে ডাকা হয়।সেখানে নতুন নকশা দেখিয়ে বলা হয় আমার জমির পরিমাণ মাত্র ৩১ শতাংশ।যা অন্য মালিকের দলিল ও দখল জমি থেকে কেটে দিয়ে আমার নামে করে দিতে চায় । তখন আমি আমার দলিল ও পর্চা দেখাতে চাইলে সেগুলো দেখতে অসিকৃতি জানায় এবং অন্যজনের জমি আমার করতে ১০.০০০ টাকা ঘুষ চায়। ঐ টাকা না দিতে পারায় তারা ঐ সমস্যার সমাধান করে নাই।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে ভূমি অফিসে নথি জমা দিয়ে আসার পর ৬ মাস পড়ে ছিল। উল্লেখ্য যে এর মধ্যে বহুবার উক্ত ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। কিন্তু ঘুষের টাকার জন্য নামজারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায়নি। পরে বিরক্ত হয়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা দিয়ে উক্ত নামজারি করাতে হয়। তার মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ঘুষ নিয়েছিল অফিস সহকারী, তহশীলদার, কানুনগো, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, শুনানীর সময় আবার অফিস সহকারীর মাধ্যমে এসিল্যান্ডের জন্য টাকা নেয়। সর্বমোট আমার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
ঘুষ নিয়েছে ৬২০০০ টাকা, আপনার অ্যাপে ড্রপ সিস্টেমে কেন? যেন সরাসরি অংকে ও কথায় লেখা যায়, সেটা তৈরী করেন। জমির খারিজ সংক্রান্ত আমার বড় ভাইয়ের কাছে ৬২০০০, বাষট্টি হাজার টাকা নিয়েছেন। ভাইয়ার দাবি তার এক তাবলীগের সহকর্মীর সাথে অফিরে লোকের অনেক ভালো সম্পর্ক এর কারনে এত কম, না হলে তাদের ১০০০০০ এক লক্ষ টাকার কমে কাজ করে দিতেন না, সুতরাং আমাকেও ১/৩ অংশ টাকা বহন করতে হয়েছে। আমি বলেছি নির্ধারিত ফি এর বাইরে এক টাকাও দেবো না, সে বলেছে তাহলে খারিজ হবে না। আরও কি কি যেন অযুহাত দেখিয়ে বার বার শুধু টাকা নেয়, এর আগে একবার ২০০০০ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি তো বাড়িতে থাকি না, তাই এসবের প্রতিবাদ করারও সুযোগ নেই্ । আমার বড় ভাই অনেক সত মানুষ তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই, এলাকার সবাই তাকে সেভাবেই জানে ও মানে...
আমি ৩৮ সেন্ট জমি খারিজের জন্য ভূমি অফিসে গেলে কাগজ পত্র যাচাই করে সঠিক আছে বলে জানান। তিনি খরচ পাতি হিসাবে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি বললাম সরকারি ফি ১১০০ লাগে।আপনি ৫০০ টাকা বকশিস নেন। তিনি বললেন কানুন গো এবং এসিল্যান্ড অফিসে টাকা না দিলে কাজ হয়না। তারপর ৬৫০০ টাকা নিলেন।
প্রথমে আমি গেলাম ভূমি অফিসে ওনারা বল্ল বহিরে দোকানে গিয়ে অনলাইনে কর পরশোধ করে নিয়ে আসেন।তার পর গেলাম পরিশোধ করে আনলাম বলে জমির দাগ নাম্বার টিক নায় আবার গেলাম দোকানে আবার চেক করলাম দেখি সব টিক আছে। পরে দোকান দার ওয়ালা বল্ল ঘুষ দিলে এখন সাতে টিক করে দিবে আপনি পিওন কে বলেন ওনি দর দাম টিক করে ওখানে। পরে ওনার কথা মতো আবার গেলাম বলে আমি স্যারের সাতে কথা বলে দেখি কি হয়। একটু পর বের হয়ে বলে কিছু কর দিতে হবে। আমি বল্লাম কতো ২০০০ টাকা। পরে আমি বল্লাম সরকার পাচ্চে ১৮৪ টাকা আর আপনারা ২০০০ টাকা সরকার কে তো আপনারা চলান মনে হয়।এটায় দেশের অবস্তা।
আমি নামজারী করতে নেওয়াতে বলছে ভিবিন্না সমস্যা আছে হবে না। তারপর টাকা বেশি দিলে করতে পারবে। এর আগেও আমি টাকা বেশি দিয়ে করছিলাম। এখানে টাকা না হলে সমস্যা নাই এমন দলিলো নামজারী হয় না। যেখানে সরকারী ফি ১১৭০ টাকা সেখানে এরা ১০ হাজার টাকা নিচে করায় না।
জমির নামজারি , রেকর্ড সংশোধন, খাজনা পরিশোধ ইত্যাদি কাজ এর জন্য মূল টাকার বাইরে বাড়তি আর 1 Lac টাকা দাবি করেছে
নামজারি করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করছে আমি ৮ হাজার দিয়োছি।টাকা না দিলে নামজারি হবে না কাগজ সমস্যা ইত্যাদি।