17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কোর্ট থেকে একটা জমির মামলার তদন্ত আসলে রিপোর্ট দিবে বলে তিরিশ হাজার টাকা লাগে
ভুমি নিয়ে বিরোধ ১৪৪ ধারা সরজমিনে তদন্ত করা শেষে,আমরা সঠিক থাকা সত্ত্বেও তিনি,মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করেন,অথচ আমাদের কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করেন।আমরা ঐ টাকা প্রদান করি , তারপরেও অপর পক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করেন। তফসিল অফিসার, বানিয়াচং, তফসিল অফিস, তফসিল অফিসার বানিয়াচং।
আমি একটা জমি কিনেছিলাম। বিক্রেতার সাথে আমার কথা হয়েছিল যে নাম জারি এবং দলিলের খরচ আমি দেব। বিক্রেতার নামে জমির নাম জারি করা ছিল না। আমি যখন ভূমি অফিসে যাই তখন আমার কাছে ১১ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে বাধ্য হই।
মিউটেশন এর কাজ ছিল। নায়েব সাহেব টাকা ছাড়া কাজ করবে না, প্রথম কিছু বলেনি ১ সপ্তাহ পরে এ কথা বলে।
অসুস্থ পিতার চিকিৎসা করাবো বলে জমি ব্রিক্রি করছি, কিন্তু জায়গা দলিল করার সময় নামে মধ্যম অংশে আংশিক ব্যবদান পাওয়া যায়, আবেদন করছি, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য পাটাইছে, ভূমি কর্মকর্তা তদন্ত করে সত্য প্রমাণিত হওয়ায়, নাম ঠিক করার জন্য রিপোর্ট দিছে, কিন্তু টাকা না দেওয়ায় , উপজেলা ভূমি অফিস ২ বছর ধরে ঘুরাচ্ছে ।
১৫০ টাকা সর্বসাকুল্যে খরচ সরকারি ফি, কিন্তু আমাকে দুই বাণ্ডিল কাগজের স্তুপ দেখিয়ে বললো, যারা রেকর্ড রুম থেকে রেকর্ড বের করে লিখবে এবং সার্টিফাইড করার জন্যে সিগনেচার নিবে তাদের ৫০০ টাকা করে দিতে হবে, আমি ৬ টি খতিয়ানের আবেদন করেছি এবং যেখানে খরচ হওয়ার কথা ৯০০ টাকা, সেখানে ঘুষ সহ খরচ হয়েছে ৩০০০ টাকা
আমার নাম জারি করতে ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি 18000 টাকায় ফাইনাল করি
আমার একটা জমি সাব কবলা ক্রয় করা চার জনে তার মধ্যে একজনের অংশ বিক্রি করে দিবে আমি ক্রয় করবো খারিজ দাখিলা কমপ্লিট করে যখন রেজেষ্ট্রি করতে গেলাম সাব রেজিস্ট্রার কে দিতে হবে ১৫ হাজার টাকা নাদিলে রেজেষ্ট্রি হবে না, কেনো হবে হবে না, খতিয়ান এ বাংলাদেশ সরকার আছে যখন টাকা দিলাম ১৫০০০ সাব রেজিস্ট্রার কে আর কোন সমস্যা নাই এইটা পত্যেক দিন এর সমস্যা নালিতাবাড়ী সাব রেজিস্ট্রার এর,, দেখার কেউ নাই, বাধ্য হয়ে এভাবেই দলিল খারিজ সব করতে হচ্ছে,,,
৫০০ টাকার কাজ চাইছে ৫০০০ টাকা
আমার সমস্ত কাগজপত্র লিগ্যাল থাকার পরেও আমাকে দেওয়া হয়নি পেয়েছে এবং টাকা না দেওয়ার কারণে খারিজ দেয়নি
আমার নিজের বিএস করার জন্য। চার শতাংশ জমির জন্য। চার হাজার টাকা দিতে হইছে। ২৫ সালে পরে এক বছর পরে বি এস কাগজের সাইন নেওয়ার জন্য আবারো দাবি করে তিন হাজার টাকা। কিন্তু অবশেষে আমার 500 টাকা দিতে হইছে।
আমি গিয়েছিলাম আমার বাবাকে নিয়ে আমার বাবা জমি বিক্রি করবে আমার দাদা ও দাদীর উত্তরাধিকারী । জমির পরিমাণ ছিল 9 শতাংশ, সূত্রে খাজনা রশিদ নিতে নিতে যাই তখন তারা বলতেছে তারা বলতেছে কাজ না রশিদ নিতে গেলে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে না হয় খাজনা রশিদ দেওয়া যাবে না । না হয় আরেকটি রাস্তা আছে নাম জারি করেন ২৫ হাজার টাকা দেন ৯ শতাংশ নাম জারি করিয়া দিব কোন উপায় না পেয়ে সর্বশেষে 20000 টাকা দিতে রাজি হই। সব সময় প্রতিটি সেবার জন্য গন্ডা ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কথা বলে না। জেলা নেত্রকোনা থানা কেন্দুয়া ইউনিয়ন গন্ডা ভূমি অফিস
জমির নাম জারি করতে হাটহাজারীর চিকন্দন্ডি ভূমি অফিসে ৬০০০ টাকা দাবী করে। আমাকে বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা পরিশোধ করে নাম জারি আবেদন ফাইল ইউনিয় ভূমি অফিস থেকে AC Land অফিসে পাঠাতে হয়। AC Land অফিসে কোন ঘুষ দিতে হয়নি, তবে টাকা না দেয়াতে মনে হয় কয়েক মাস ঘুরাঘুরি করতে হয়েছে। এক বারের জায়গায় ৭/৮ বার যেতে হয়েছে।
১০০০ টাকার কাজনার চেকের এর জন্য ৭৫০০ টাকা নিয়েছে। তার থেকে কম টাকা দিলে কাজনার চেক কেটে দিবে না। এবং আমাকে বলা হয়েছে অন্য কোনো জায়গায় ও চেক কাটতে পারবো না তাদের ছাড়া।
নামজারি আবেদন করেছি, কিন্তু অনলাইন ফাইলে ঘুষ না দিলে রিপোর্ট জমা দেয় না। ঘুষ ছাড়া আবেদন বাতিল করে দিবে।
মাঝ জরিপের কাজে ঘুষ না দিলে কোন মাঠ পর্চা পাওয়া যাচ্ছে না
সাধারণ মানুষের জমি সংক্রান্ত কোনো বিষয় সার্ভিস পেতে হলে আগে ঘুষ দেওয়া লাগে
ভূমি অফিসের ঘোষের সংকিপ্ত নাম হচ্ছে LR, একটা ভুমি সেবা সহায়তা কেনদ্রের আবেদন করেছিলাম, উক্ত সেবা কেন্দ্র অনুমোদন দিতে আমার কাছ থেকে 50,000 টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি ঘুষ দিতে প্রত্যাখ্যান করায় আমার কাজ টা হয়নি।
টাকা দিয়েছি কাজ এখনও সম্পন্ন হয় নাই। বলতেছে আরও সময় লাগবে, কি আর করবো ঘুরতেছি আর ঘুরতেছি
1170 টাকা ফি 6000 টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে।