নামজারি/ খতিয়ান
আমার বাবার কাছে বাড়ি এবং আবাদি জমি মোট ৮৭ শতাংশ জমির কয়েকজনের নাম জারির জন্য মোট ২১০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ১৭০০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। একটি খতিয়ানে ভুল হয় যার জন্য আরও ১০০০০ টাকা দাবি করে। যা পরিশোধ করি নি।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার বাবার কাছে বাড়ি এবং আবাদি জমি মোট ৮৭ শতাংশ জমির কয়েকজনের নাম জারির জন্য মোট ২১০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ১৭০০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। একটি খতিয়ানে ভুল হয় যার জন্য আরও ১০০০০ টাকা দাবি করে। যা পরিশোধ করি নি।
এক লক্ষ টাকার বেশি লাগবে না দিলে বিবাদীর খারিজ বাতিল করা যাবে না, পরে এসিল্যান্ড খিলক্ষেত অফিসে ৬০ হাজার টাকা দিলাম, দক্ষিনখান অফিসে দিলাম ৭০০০ টাকা, আবার আসতে হলো খিলক্ষেত এসিল্যান্ড অফিসে আবার শেখানে তামিল করতে নিলো পাঁচ হাজার টাকা ৬০,০০০+৭,০০০+৫,০০০=৭২,০০০/দিলাম
জমি খারিজ করে দিবে ১৫০০০ টাকা ছার তারা কাজ করতে পারবে না
নতুন খতিয়ান সংগ্রহের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি প্রতি খতিয়ানে ১০০ টাকা। আমার মোট ৪টি খতিয়ান ছিল, তাই সরকারি ফি অনুযায়ী মোট ৪০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসের কর্মচারীরা প্রতি খতিয়ানের জন্য ৩০০ টাকা করে মোট ১,২০০ টাকা আদায় করেন, অর্থাৎ আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, সরকারের আরও বিভিন্ন খরচ রয়েছে। আমি বলি, অতিরিক্ত কোনো সরকারি খরচ থাকলে সেটি সরকারি ফি-এর সঙ্গে যুক্ত করে নোটিশে উল্লেখ করা উচিত। এ কথা বলার পর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে জানান, অতিরিক্ত টাকা না দিলে খতিয়ান দেওয়া হবে না। বাধ্য হয়ে আমাকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান সংগ্রহ করতে হয়েছে।
আমার বাড়ীর জমির নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই কাগজপত্র দেখে আবেদন করে তার পর ভুমি কর্মকর্তা ৬০০০ হাজার দাবি করে যার সরকারি মুল্য ১১৭০ টাকা আমি ৬ হাজার টাকাই দেই এবং আমার নামজারি হয় বি:দ্র: এর আগে আমি নিজে আবেদন করে কাগজপত্র জমা দেই কিন্তু নামজারি হয় নাই। ঘুষ ছাড়া এসিল্যান্ড অফিস এর ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল এ যায় না।
নাম খারিজ করার জন্য সব কাগজ ঠিক থাকার পরও তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে। কানুনগো এর সহকারী গ্রহণ করেছে।
নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে আবেদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেই, এবং অফিসের দারিবর প্রেক্ষিতে টাকা প্রদান করি। কিন্তু আবেদন না মঞ্জুর হয়।
বাড়ি বানানোর জন্য আমার এক আঙ্কেল ৫ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়েছিলেন। কিন্তু ৬ মাস হয়ে গেলেও কোনো খবর নেই। শেষমেশ অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা নিশ্চিত নয় কবে প্ল্যান পাস হতে পারে। তাই আঙ্কেলের বিল্ডিং বানানোর কাজও বন্ধ হয়ে গেছে।
নামজারী অনলাইন আবেদন সহ প্রয়োজনীয় সকল ডুকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও তসিলদার,সার্ভেয়ার অন্যান্য কর্মচারী প্রায় ৬০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে। পরে আমি চলে আসি
নুরনবী পিয়ন ভূমি অফিস, ঘুষ টাকার জন্য ফাইল ভূমি কর্মকর্তা ঘৃতলাল বাবু সহ আটকে রাখছে ফাইল
আমি আমার নিজ জমি নাম খারিজ করতে অনলাইন আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নথি জমা দেওয়ার ২দিন পর বাতিল করা হয়। তারপর আমি চুয়াডাঙ্গা জেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে যায়। ভূমি কর্মকর্তা অফিসের পিওনের কাছে পাঠায়, পিওন দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র দেখে 25000 টাকা ঘুষ দাবি করে। উল্লেখ করে বলে টাকা না দিলে নাম খারিজ হবে না, আবেদন করলে আবার নামঞ্জুর হবে। উপায় না পেয়ে তাকে 3000 হাজার কম দিয়ে 22000 টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা সদর সহকারি কমিশনার (ভুমি) এর কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করলেও, তারা এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। খোজ নিয়ে জানতে পারি এসিল্যান্ডের সহকারী (নাজির) এবং এসিল্যান্ড তারা এই ঘুষের ভাগ পেয়ে থাকে। সবকিছু ম্যানেজ করেন এসিল্যান্ডের অফিস সহকারী (নাজির)।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের স্টাফ বলেছেন এসি ল্যান্ড স্যার অনুমোদন করবেন সে ক্ষেত্রে আগের থেকে ডাবলরেট দিতে হবে যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪০ হাজার টাকা। আসলে টাকাটা এসি ল্যান্ড খাবে নাকি সংশ্লিষ্ট সটাফগন ভাগারি নিবে নাকি উভয়ও। কিন্তু ঘুষ দাবি করেছে ১০০% সত্য।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ সার্কেল, নামজারি মিস কেস সমাধান করে দিবে এই মর্মে চার থেকে ছয় মাস আগে আমার নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট অফিস ডেকোরেশন করতে হবে এই মর্মে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি। অবশ্য ফাইলটি এখনো পেন্ডিং। এখনো যদি আগের ফাইলগুলো অর্থাৎ যে সমস্ত ফাইল অনিষ্পত্তি হয়ে পেন্ডিং আছে সেগুলো এখনো যাচাই বাছাই করেন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মূল রহস্য উদঘাটন হবে।
বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় একটি জমির নামজারি/জমাখারিজ করতে গেলে প্রথমে তহসিল নায়েবকে ১-২০ হাজার টাকা, ভূমি অফিসের কানুনগো, অফিস সহকারী বা অফিস প্রধান, সার্ভেয়ার ও এ্যাসিল্যান্ডকে গুনতে হয় ৩-৩০০০০ টাকা, এরপর ডিসিআর ফি সরকার কর্তৃক ১১০০/- সাথে ভ্যাট ১১/-। তাছাড়া ১৫০ ধারা রিপোর্টে ১০-২০০০০০/- টাকা ঘুষ নেয়। এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কলিগাতী, কলাতলা, চিতলমারী সদর ও চরবানিয়ারী ভূমি অফিসে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয়। তবে এসব ঘুষ জমির প্রকারভেদে বা জটিলতা দেখিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও সরকারকে ফাকি দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ৫০,০০০/- টাকার দাখিলা ২০০০০/- টাকা ঘুষ নিয়ে ৫০০/- টাকায় সমন্বয় করে সরকারকে ফাকি দিচ্ছে।
জমির নামজারি,,,১০০০ চেয়েছে ৫০০ দিয়েছি আরও ৫০০ চাচ্ছে।
যদি টাকা না দেওয়া হয়, তাহলে আমার জায়গায় থেকে জমি কেটে নিয়ে, বিডিএস এ কম উঠানো হবে।
জমির নাম জারি করতে গেলে, নায়েব সাহেব তার শালা এবং আত্মীয় দ্বারা অফিস পরিচালিত করে এবং জমি কাগজ সব ঠিক থাকার পরও অতিরিক্ত আরো ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু টাকা লাগার কোনো কথা না
জমি রেজিস্ট্রি করার সময় কাগজে কোন সমস্য নাই, নামজারি করতে এসে এখন বলে কাগজ কম আছে, এই কাগজে নামজারি হবে না, নামজারি করতে হলে অফিস ম্যানেজ করতে হবে। অথচ রেজিষ্ট্রি করার সময় যে কাগজ লাগে, নামজারিতেও হুবহু সেই একই কাগজ লাগে, সেই একই কাগজ কাছে থাকা সত্বেও এখন নামজারি করতে হবে ২ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে, যেখানে সরকারী খরচ ১২০০/১৩০০ টাকা।
আমার নামজারি নামঞ্জুর করে দেন কারন জানতে চাইলে বলে যে রেকর্ড হতে আমি জমি কিনেছি ৪ শতক ভূমি অফিস বলতে চাই ও রেকর্ডে জমি নাই।প্রকৃত পক্ষে ওই রেকর্ডে ১৫.৬৭ শতাংশ জমি আছে এবং প্রকৃত মালিক তার ভোগদখলে আছে।
আমাদের সব দলিল ঠিক থাকার পরও আমাদের দলিল রিজেক্ট করসে ভুলভাল বুঝ দিয়ে,পরে দালাল দিয়ে করায় একচান্সে তা একসেপট করসে।আমাদের জাওয়াও লাগেনাই।