নামজারি
নামজারি করার জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছে
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করার জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছে
আমি নাম পত্তন করতে গেলে সে আমাকে বলে যে আপনি নিয়ম অনুযায়ী করেন তাহলে আপনার সময় লাগবে অনেক আর যদি কিছু টাকা পয়সা খরচ করেন তাহলে খুব দ্রুত আপনি পেয়ে যাবেন
Jomi Namjari korta 25000 tk er necha korba na bolsa sonslisto officer ebon uni sara kou ai kaj korta parba na tai badho hoya gush dea kaj koraisi. Office er modha e tk cash nesa.
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেললাইন প্রকল্প এর জমি অধিগ্রহণ প্রকল্প তে জমির মালিক দের থেকে প্রতি লাখ এ ৩.৫%--৪% করে সিরাজগঞ্জ শহরের ভুমি অফিস এর কর্মকর্তা রা ঘুষ নিচ্ছে। নাহলে তারা চেক দিচ্ছে না। কাগজ-পত্র থেকে শুরু করে সব কিছু ঠিক করা বাবদ এবং চেক হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা তারা নিচ্ছে। এ টাকা সব কর্মকর্তাদের মাঝে ভাগ হয়। আমার মোট জমির টাকার পরিমান প্রায় ৩২ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৪% করে আমার থেকে ১,২৮,০০০ টাকা দাবি করেছে। উক্ত টাকা না দিলে আমার কাগজ পত্র নিয়ে তারা কাজ করবে না। এবং চেক ও দিবে না বলেছে। এ টাকা এখন আমাকে দিতে হয়েছে।
আদালত ভূমি অফিসকে সরজমিন তদন্তের জন্য রির্পোট জমা দিতে বললে সকল কাগজপত্র থাকা স্বত্বেও ভূমি অফিসের একজন সংশ্লিষ্ট পদধারী প্রথমে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে না হলে রায় পক্ষে যাবে না এভাবে বুঝায়।এরপর এসি ল্যান্ডের সামনে দুপক্ষের সুনানির আগে বলা এসি ল্যান্ড স্যারকে খুশি করতে কত দিবেন?তারা ৬০ হাজার দাবি করে।রায়ের দিন আবার জানানো হয় এসি ল্যান্ড স্বাক্ষর করবে না।কারণ হিসেবে বলে অন্যপক্ষ আরো বেশি টাকা অফার করছে।এখন ১ লাখের নিচে স্যার স্বাক্ষর করবে না।
মাঠ পর্চা, মৌখিক ভাবে টাকা চাইছে, আমি পরিশোধ করছি।
আমি আমার নানার নামে থাকা জমির পূর্বের রেকর্ড/জমির ইতিহাস জানার জন্য ভূমি অফিসে যাই। সেখানে ভূমি অফিসের একজন দালাল আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে জমির ইতিহাস/রেকর্ড বের করে দেওয়ার কথা বলে। এ কাজের জন্য সে আমার কাছে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করে।
ভুমির নাম জারি টাকা না দিলে আবেদন বাতিল হয় তাই ঝামেলা্েএড়াতে দালালের মাধ্যমে টাকা দেই। দুরে থাকি বার বার অফিসে আসা সম্ভব হয়না তাই বাধ্যহয়ে টাকা দেই। অন্য একটা কাজের জন্য আমাকে ৫মাস ঘুরিয়ে কাজ করে দেয়নি।
আমার বাবা 2 years আগে একটি জমি সংক্রান্ত কাজে ভূমি অফিস e গেলে তারা সেই কাজের জন্য 300 টাকা দাবি করে শেষ পর্যন্ত আমার বাবা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল
দাগ নম্বর দিয়ে জমি কতো টুকু আছে তা জানতে চেয়েছিলাম,৭ দিন পর জেতে বলেছে বলিওম খাতা নাকি দেখতে এতো সময় লাগবো, পরে তার প্রতিনিধির মাধ্যমে ২০০০ টাকা চেয়েছে।আমি না করেছি ঘুষ দিয়ে কাজ করতে পারবো না, সরকারি ফি থাকলে জানান দিয়ে দিবো।পরে আর সেই কাজ হয়নি
আমাদের দাদার জমি অনেক বছর ধরে খাজনা দেয়া হয়নি । অনেক বছরের খাজনা দেয়ার জন্য ঘুষ নিয়েছে । ১০০০০ টাকা সামনে আরও দিতে হবে কারন জমি অনেক তাই ।
জমি অনলাইনে আবেদন করছি, তারা সমন্নয় করছে না তাই সরকারি টেক্স দিতে পারছি না। টাকা দিলে সমন্ন্য় হবে। পরে টাকা দিয়েছি অনলাইন হয়েছে।
জমির খারিজ করানোর জন্য 5000 টাকা করে দিতে হয়
দালালের মাধ্যমে দাবি করেছিল
নামজারি খতিয়ান করে দিবে।সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। ১২০০০.পরে আরো ৪০০০ টাকায় প্রাথমিক রিপোর্ট করতে হলো
Kharij kore diche, Legali debe na bolche.
without Ghush nobody works everywhere they need ope table money
বটিয়াঘাটা সহকারী কমিশনার ( Ac land) ভুমি অপিসে নামজারির আবেদন করে ২ বার না মন্জুর হয়েছে। ৩ য় বার ২০০০০ টাকা ঘুস দাবে করে। টাকা পরিশোধ করলে নামজারি হয়েছে। টাকা নিয়েছে থানার মসজিদের সামনে দাড়িয়ে সার্ভেয়ার
মদনপুর, সরাইল এলাকায় জমির সার্ভে করতে এসে ওরা সব জমির মালিক থেকে দশ হাজার টাকা করে দাবী করেন ।এটা কুড়িপাড়া ভূমি আফিসের আওতাধীন ।
ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদনের জন্য ৩ হাজার, সার্ভেয়ার এবং কানুনগর প্রতিবেদনের জন্য ৩ হাজার, ফাইনালি ফাইল অনুমোদনের জন্য চার থেকে দশ হাজার টাকা দাবী করা হয় এবং না দিলে কোনো মিউটেশন মামলা ফাইনালি অনুমোদন হয় না।