নামজারি বা খারিজ
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
জমির ৩৬০ টাকা কর রশিদ দিয়েছে আমাকে , আর আমার কাছ থেকে ১৮০০০ টাকা নিয়েছে। সরকার পেলো ৩৬০ টাকা আর আমি দিলাম ১৮ হাজার। তাও নিতে চায়নি, বড় স্যার রাগ করেছে এত কম টাকা নেয়াতে।
tax aar tk, pore online check kori only 20tk need
আমি আমার আব্বুর ও চাচুর নামে জমি অনলাইনে নামজারি করতে দিয়েছি। কিন্তু ২০-২৫ দিন পার হওয়ার পরেও তারা উক্ত অনলাইনের আবেদন পেন্ডিং রেখে দিয়েছে। পরে গ্রামের কয়েকজন এর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে উক্ত কাগজ আবার উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দিতে হবে। তাই গেলাম দিতে। ওখানে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় অফিসের করনিক ২০০ টাকা চাই। আমি বললাম রসিদ দিন টাকা দেব। তখন তিনি বললেন রশিদ দেওয়া যাবে না। কি করবো শেষমেষ আমি টাকা দিতে বাধ্য হলাম। কারন ঐ দিন ছাড়া অন্যদিন কাগজ জমা দেওয়ার মতো সময় ছিলো না।কারন আমাকে ঢাকাতে ব্যাক করতে হবে। তাই ২০০ এর যায়গায় দরকশাকাশি করে ১০০ দিয়ে আসলাম।
২ টি নামজারী করতে এসিল্যান্ডের অফিস সহকারীকে দিতে হয়েছে ৩০০০০ টাকা ! দলিলে ছোট ২ টি ভুল থাকায় তিনি ঘুষ চেয়েছেন আমি ও বাধ্য হয়ে দিয়েছি / দিতে বাধ্য করা হয়েছে অন্য কোন উপায় নেই। নোটঃ দালাল ছাড়া আমি আগে নিজে আবেদন করি সরাসরি রিজেক্ট করে দেয় পরে একই আবেদন রিভিউ করে তারা নামজারী করে দেয়।
অসহায় একটি লোক জীবনের প্রথম ২ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছে। তিনি দিনে এনে দিনে খেতেন, এমন অবস্থা আরকি। তার একটি নামজারির আবেদন করার পর, প্রথমে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তারা ৮ হাজার টাকা চায়। পরে তিনি নিজেকে গরিব ও অসহায় বলার পরও তারা বলে, "৫ হাজার দিতে হবে।" তাও না পারায় কর্মকর্তা বলেন, "আমি প্রস্তাব দিয়ে দেব, আমাকে ২ হাজার দেন; আর উপজেলা ভূমি অফিসে গেলে সেখানে আপনাদের দায়িত্ব।" কথাটি শুনে আমরা ভয় পেয়ে যাই। পরে বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা দিয়েই নামজারি সম্পন্ন করি।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য রাজউক অফিস থেকে আমার থেকে ১ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়।
একটা ঋণের জন্য তল্লাশ সনদ দরকার৷ গ্রাহক নিজে তুলতে গেলে ৫হাজার টাকা দাবী করে৷ পরে আমি নিজে বললাম, দাদা, তুলতে কতো টাকা লাগবে এটা তুলতে৷ বললো, ২৭০০ টাকা৷ পরে বিকাশে ২৫০০ দেয়ার পর হ্যাসেল ফ্রী ভাবে পেয়ে গেলাম৷ এক সপ্তাহ পর কল দিয়ে জানালো, দাদা রেডী 😃
হেমায়েতপুর একটা ৬ শতাংশ জমির বি আর এস রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। রেকর্ড করতে আমাকে ঐ পরিমাণ টাকা দিতে হয়েছিল।
বার বার ভূমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে প্রত্যাখান করা হচ্ছে। ইনিয়ে বিনিয়ে আজকে এই সমস্যা তো আগামীকাল এই সমস্যা বলে এ পর্যন্ত ৮ বার রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। অন্যরা ৫/১০ হাজার টাকা উৎকোচ দিলেই কাজ হয়ে যায় অথচ আমাকে বার বার হয়রানি করা হচ্ছে।
রেকর্ড করার জন্য বিভিন্ন অযুহাতে ঘুষ চাওয়া হয়।
৭০০০ টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদিত হবে না।প্রথমবার দেইনি এজন্য নামজারির আবেদন বাতিল করেছে।দ্বিতীয় বার চাহিদানুযায়ী টাকা দেবার পর অনুমোদন করেছে।
আমি একটি খারিজের জন্য পাকুন্দিয়া ভূমি অফিসে যায় । অনলাইন আবেদন করার পর নায়েব ও নাজির আমার কাছে 20000 টাকা দাবি করে । এই মহুর্তে খারিজটি জরুরি থাকায় বাধ্য হয়ে আমি পরিশোধ করি।
খারিজ করতে গিয়েছিলাম কাগজগুলো ছিল কিন্তু আমাদের করে দেয়নি উল্টো আরো বলে দিছে যদি টাকা না দেই তাহলে অন্যের নামে করে দিবে
আমার বাবার জমি কিনেছিল। কিন্তু সাথে সাথে নাম জারি করেনি। পরে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বের মালিক ধোকাবাজি করে তার নামে নামজারি করে রেখেছে। আমরা তা আমাদের নামে করতে চাইলে তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে আমাদেরকে তা করে দিতে অস্বিকার করে।
জরিপ বা রেকর্ড জমির সব কাগজ ঠিক আছে কিন্তু তারা টাকা ছাড়া রেকর্ড করে দিবে না। আর এস নকশায় আক্সগে ২০০ শতাংশ আছে। ২০ শতাংশ কম বিডিএস নকশা 180 শতাংশ বিশ শতাংশ নাই। বলে ২০ শতাংশ দিয়ে দিবে তারা টাকা চায় ১০ লক্ষ
amr nijar akta namjari kortay gacii thn ai taka lagsay.. Nah dilay nah ki hobay nha ki korbo badho hoi dia kaj korty hoisay.
আমি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ তারাব ভূমি অফিসে ২ শতক জমি খারিজ (নামজারি) করতে যাই। খারিজের সরকারি ফি মাত্র ১,৭০০-১,৮০০ টাকা হলেও ভূমি অফিস থেকে বলা হয়—২০ হাজার টাকা দিলে ১ মাসের মধ্যে খারিজ পাওয়া যাবে, আর না দিলে ৬ মাসেও পাওয়া যাবে না। বাধ্য হয়েই এই টাকা দিতে হয়।
আমার মায়ের নামে মিজমিজি তে ৩ শতাংশ জমির BDS survey করার জন্য গেলে তারা আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করে।আমি সেটা দিতে অস্বীকৃতি জানাই,তখন আমকে তারা তুই-তুকারি করে বলে তোর জমির কাজ হবে না,এইভাবেই পরে থাকবে, ভবিষ্যতে বিপদে পরবি,চানমারি উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে যা বুজলাম যে সবাই এই ঘুষের সাথে পুরোপুরি ভাবে জড়িত। আমার কাছে তাদের সবার পরিচয় আছে এবং কিছু প্রমান আছে।
নামজারি করার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম সেখান থেকেই আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা দেখায় আমারে কাগজে আমি বিভিন্ন বার কাগজ ঠিক করে নিয়ে যাই তারপরে তারা বলে যে এই কাগজ ভুল ও আমাকে এভাবে হয়রানি করতে থাকে তারা।একপর্যায়ে তারা আমার কাছ থেকে টাকা চায় তাহলে কোন কাগজেই সমস্যা থাকবে না 20 হাজার টাকা। আমি তারপর সে সেখানকার দালালের মাধ্যমে গিয়ে আমার কোন কাগজ আর ঠিক করতে হয়নি অটোমেটিক কাজটা হয়ে গেছে আরো কিছু কাজ বাকি আছে আর একটা নামজারি করতে হবে তো দালালের মাধ্যমে গেলে সবকিছুই সম্ভব আপনি নিজে করতে যাই তাহলে পারি না ঘুষ দিলে সবই সম্ভব বাংলাদেশ