দলিল রেজিস্ট্রিরি
চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার , হাটহাজারী সর্বরেজিস্ট্রিরি অফিসে প্রকাশ্য ঘুষের লেনদেন হয়, ঠিপ দিতে গেলে ১০০০ টাকা , দলিল জমা দিতে গেলে টাকা , সব জায়গাই টাকা আর টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার , হাটহাজারী সর্বরেজিস্ট্রিরি অফিসে প্রকাশ্য ঘুষের লেনদেন হয়, ঠিপ দিতে গেলে ১০০০ টাকা , দলিল জমা দিতে গেলে টাকা , সব জায়গাই টাকা আর টাকা।
আমার বাবার, ভিপি ১/১ এর, ২১৭ সতংশ জমির নামজারি বাবদ এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে এবং তা আমার পরিশোধ করতে হয়েছে
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে বিয়ের অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়।
টাকা না দিলে নামজারি আবেদন রিজেক্ট, কিন্তু যদি টাকা দেয়া হয় সেইম ফাইল এপ্রোভ।
সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। কাগজপত্রের হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে কাজটি করে দেয়।
নামজারি খারিজ এর জন্য অনলাইনে নিজে পরিশোধ করে আবেদনের পরেও সে ইউএনও কে ফরোয়ার্ড করতে, খাতায় এন্ট্রি দিতে টাকা দাবি করে ৮০০০ পরে ৫০০০ এ রাজি হয়, আমার জরুরি ছিল বলে আমার সেইটাতেই রাজি হয়ে নেয়া লাগছে। ভূমি অফিসের ঠিকানা- ইউনিয়ন-পাঁকা, থানা-বাগাতিপাড়া, জেলা-নাটোর, বিভাগ-রাজশাহী
আমার একটা জমির খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, হাজারটা ভুল করে সেটার জন্য আবার আমার থেকে টাকা দাবি করে এবং টাকা নেয় । ওরা বলে , টাকা না দিলে কাজ হবে না
আমার জমি অন্য জন দলিলে না থাকা সত্বেও বেশি করে খারিজ করে নিয়েছিল। অভিযোগ দিয়েও সমাধান না পেয়ে ১৪০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। পরে সমাধান করে দিয়েছে।
পিরোজপুর ভূমি অফিসের দালাল এবং আমলারা টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না
গাজীপুর ডিসি অফিস এর এল এ শাখার কর্মকর্তা এক সার্ভেয়ার সহ তার সিন্ডিকেট ৫০ লক্ষ টাকার জমি একয়ার এর বিল পাস করতে আমাদের কাছ থেকে ১০ (দশ লাখ) টাকা ঘুষ নিয়েছে ২০২৫ সাল এর মার্চ মাস এ, তাঁকে যখন প্রশ্ন করা হয় আপনি এত টাকা নিচ্ছেন কেন? জবাবে উনি বলেন: আপনার কি মনে হয় আমি একা নিচ্ছি এত টাকা, এই টাকার বেশি অংশ উপরে চলে যাবে!
একটা নামজারি ও খতিয়ান তোলর জন্য গেলে তা দাবি করা হয়,না হলে নিয়মমাফিক কাজ করতে গেলে সার্ভার সমস্যা, দেরি হবে।এমন বলা হয়।
অর্পিত ক তপশীল ভূক্ত জমি, সরকার পক্ষের আপীলসহ দুই আদালতের রায় আমাদের স্ব পক্ষে পাওয়ার পরও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের নামে নামজারী খতিয়ান প্রস্তুত করতে বিভিন্ন অজুহাতে প্রথমে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে এক বৎসর বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে ঘুরিয়ে পরে কাজ সমাধা করতে আরও পঁচাত্তোর হাজার টাকা দাবী করলে, আমি অপরগ হয়ে সংশ্লিষ্ট তপশীলদারের দাবী পূরণ করতে বাধ্য হই, তারপর আমাকে আরও পনের দিন ঘুরিয়ে তারপর আমাদের নামে নামজারী খতিয়ান প্রস্তুত করে দেন।
আমি কুমিল্লা জেলা বড়রা উপজেলার একজন নাগরিক আমি আমার জমির নাম জারি করার আবেদন করলে আমাকে অহেতুক বিভিন্ন কাগজপত্রের কারণে হয়রানি করা হয় অথচ সেম ডকুমেন্ট দিয়ে যারা ঘুষ প্রদান করেছে তাদের কাজটি হয়ে যাচ্ছে এটার সাথে কুমিল্লা জেলা বড়রা উপজেলার যে এসিলেন্ট রয়েছে উনি জড়িত আমি ১০০% শিউর দিয়ে বলতে পারব বড় উপজেলায় অফিসে যতগুলো নাম জারি হয়েছে তার ৯৯ ভাগই ঘুষের বিনিময়ে হয়েছে এগুলি যারা নামজার এগুলো করেছেন তাদের সাথে কথা বললেই সম্পূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং এসিলেন্ট এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি
নারায়নগঞ্জ ভূমি অফিসে জমির খতিয়ান ডিজিটাল না হওয়ায় খাজনা পরিশোধ করা যাচ্ছিলো না , পরে ডিজিটাল করার জন্য ওখানের অফিসের লোক কে উপায়ন্তর না পেয়ে টাকা পরিশোধ করি মাসখানেক ঘুরাঘুরির পরে। সবাই মুখে মুখে বড় কথা , উলটা পাপড় , এখানে কোনো টাকা দিয়ে কাজ হয় না। বাস্তবে আপনাকে ঘুরাতে থাকবে কিন্ত কাজ হবে না। আপনাকে দিনের পর দিন ঘুরাতে ঘুরাতে এমন পরিস্থিতেত পড়তে বাধ্য করবে যেনো আপনি স্বেচ্ছায় ই ঘুষ দিতে তাদের শরনাপন্নে আসেন । প্রথমেই ত তাদের অফিসের পাশের দোকানে গিয়ে কথা বলতে বলছে অখানে ৩০ হাজার চাইছে। আমি সলিড ভাবে মোকাবিলা করেও শেষ পর্যন্ত আর পারি নি ।
আব্বা মারা যাওয়ায় আমাদের রেকর্ডিয় সম্পত্তির বেচা কেনা তথ্য নিশ্চিত হতে নামজারি নথি তোলার জন্য খিলক্ষেত এসি ল্যান্ড অফিসে যাই । এর আগে ভূমি অফিস থেকে মোট ১৫ টি কেস নং নিয়ে গেছিলাম । সেগুলো তুলতে তারা প্রতি নামজারিতে ৩০০০/- দাবি করে এবং সপ্তাহ খানেক সময় চায় । অফিসের একদম উপরের তলায় একটা স্টোর রুম আছে যেখানে এগুলো সংরক্ষিত আছে । বলে যে খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট করা লাগবে । আমি এই প্রস্তাবে রাজি হই নি ।
Amader akti plot namjari korer shomoy dag no vhul hoasilo akhon bds notun record korer shomoy dag no thik kore dibe bole 50hajer tk dabi korse amra janabo bole chole ashsi
তারা নিজেরাই খারিজ নিয়ে অনিয়ম করেছে আমাকে খারিজ করে দিয়ে আরএস খতিয়ান থেকে বিএস খারিজ আরেকজনের নামে করে দিয়েছে এবং আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ চায়
সে প্রথমে টাকা চেয়েছে, বলছি সাথে নাই। পরে তার বিকাশ নাম্বার দিয়ে দিছে টাকা দেওয়ার জন্য।
নামজারি করতে গেলে সেখানে চেয়ারে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বসে না, ২ ২-৩ জন দালাল আমাকে দেখে প্রশ্ন করে কেন এসেছি, ওরা ঐখানের কর্মচারী না, তাদের চাকরি নাই, তারা ভাড়া করা দালাল, সামনের চেয়ারে বসে কর্মকর্তাদের ঘুষ নেয়া লেখালেখি করাতে সাহায্য করে। ৩ ঘন্টা পর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (৪ নং ইসবপুর) এসে বসে থাকে কোন কথাই বলে না, ৩০ মিনিট পর যখন বলি খতিয়ান রেকর্ড সংশোধন করব, ভুল করে পাশের জমির মালিকের নামে রেকর্ড হয়ে গেছে, আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র দিতে বলে যা কখনো পাওয়া সম্ভব নয়, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির দলিল চায়, দলিলে দাদার দাদা থেকে দাদা পর্যন্ত সিএস আর এস এস এ খতিয়ান ঠিক আছে কিন্তু আমার কাছে দলিল চায়, জমি বিক্রি না হলে দলিল কিভাবে সৃষ্টি হবে? ,পরে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে।
উজান গ্রাম ইউনিয়ন ভুমি অফিস, ভুমি অফিসার বা তশলদার কাছে আমি যায়। আমার দাদার জমি থেকে নামজারি করে কাকার নামে করতে হবে সেই বেপারে, পরবর্তী তিনি জানান খাজনা পরিশোধ করতে হবে আমি আমার আগে হাতে কাটা রশিদ দেখায় যেখানে খাজনা পরিশোধ ছিলো। তবু উনি মানতে নারাজ পরবর্তীতে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে যে দিলে আমার খাজনা পরিশোধ হয়ে যাবে এবং নামজারি আবেদন সে কোন ঝামেলা করবে না। যেহেতু এজমালি জমি মিটিশন আমি দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে শুনি তিনি বেশির ভাগ লোককে এই ভাবে ট্রাপে ফেলে ঘুশ আদায় করে।