জমি নাম পর্তন
চারটি জমির মালিকানা পরিবর্তন করতে 90000 টাকা দিয়েছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চারটি জমির মালিকানা পরিবর্তন করতে 90000 টাকা দিয়েছি
আমাকে চন্দনাইশ ভুমি অফিস থেকে দোহাজারি ভুমি অফিসে পাঢ়িয়েছে শুধু একটা তদন্ত করে রিপোর্ট নয়ে আসার জন্য, এতেই তারা ৫০ হাজার দাবি করছে
2024 shale 3 ta jomir mutation er jonno 30000 taka chaise. mutation kore dewar pore 30000 taka niyeche.
আমরা জানি সাধারণত একটি ভূমির নাম জারি করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ১,১৭০ টাকা খরচ হয়।কিন্তু এই টাকা দিয়ে আমরা কোনভাবেই সেটা করতে পারছি না। আমরা তিনবার আবেদন করেছি তিনবারই উপযুক্ত প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও সেটা বাতিল করা হয়েছে।ভূমি বিচার কর্মকর্তা ছলে বলে কৌশলে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে।বারবার বাতিল হওয়ার কারণে আমরা প্রথমে ৫০০০ টাকা দিতে রাজি হই, কিন্তু ইউনিয়ন ভূমিকম্পকর্তা সে ৫ হাজার টাকা নিতে অপারগতা জানায়,পরবর্তীতে আমরা আমাদের সর্বশেষ 20 হাজার টাকা কেটে দেয়।সে আরো বলে এটা কার শুধু সে নিজে খায় না সকল কর্মকর্তা এ টাকা ভাগ পাবে।তাই ২০ নিচে করা সম্ভব নয়।আমার মনে হয় এ দেশের কোন বাপ মানে।কি আর করার আমরা সাধারণ মানুষ তাই ২০ হাজার টাকা দিয়ে করেছি।
mutation er jonno 30000 tk demand kore....ami 19000 already paid...but amr kaj hoy nai
3 ta Nagorik sonod er (apply) kajog joma deyar somoy (500) taka (per person) neya hoyeche & pore nagorik sonod (main paper) ta neyar somoy (200) kore (per person) er taka neya hoyeche
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সির হাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের — (মোবা: —) ৫-৬ বছর যাবত অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন। তার মুন্সির হাট বাজারে টেকনিক কম্পিউটার নামে একটি কম্পিউটার দোকান রয়েছে। সেখানে বসে খাজনা রশিদ কাটেন, খারিজের আবেদন করান, পাবলিক এর সাথে খারিজের কাজ চুক্তিতে করেন বলে জানা গেছে, প্রতি খারিজে ৮০০০ থেকে ৯০০০ টাকা নেন। তিনি মুন্সির হাট এলাকার ভূমি অফিসের লোক হিসেবে স্থানীয় ভূমি ক্রয়/বিক্রয় দালাল ও লাঠিয়াল চক্রের সাথে জড়িত। দীর্ঘদিন এই অফিসে চাকরির সুবাদে তাকে ছাড়া এই অফিসে কাজ আদায় করে নেওয়া দুরহ ব্যাপার।
অফিসার (মহিলা) এমনভাবে চাপ দিয়েছিলেন যে না দিয়ে উপায় ছিল না। অনেক দিন অপেক্ষা করি, বারবার সিন্ডিকেট উপেক্ষা করেছি কিন্তু পারিনি, বাধ্য হয়েই দিয়েছি এবং অনেক খারাপ ব্যবহার সহ্য করেছি।
জমি রেজিস্ট্রি করার সময় খরচ কমানোর জন্য সাব রেজিস্টার ঘুস চাইছে। বাধ্য হয়ে ৫ লাখ টাকা দিতে হয়েছে।
Jomir khajna porisodh korar jonno 500 taka dite hoyeche
বলতে ভয় লাগে। এই জগতে ন্যায় থেকে ও যেন অনেক বড় অপরাধ। সততার মূল্য নেই। আপন মানুষ যদি বিশ্বাসঘাতক হয় অন্যরা তো সুযোগ নিবেই। না বলতে চাই না ঘটনা। আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে দিলাম।
৫ কাঠা জমির মিউটেশন করার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী
সেবাটি হলো আমি দুইটা দলিল দিয়েছি একটা দলিল আমার নিজের অন্যটা আমি এবং আমার ভাইয়ের উনারা কি করেছে দুইটা দল ঠিক মত চেক না করে অর্ধেক অর্ধেক উঠিয়ে দিয়েছে পরে মিস কেস করে অন্যান্য আরো কি কি ছিল এসব করে তখন কি করার জন্য আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নেওয়া হয় আমি প্রবাসী চলে আসি দুই বছর পরে যাওয়ার পরে দেখি ঠিক হয় নাই তখন আবার আমাকে পাঁচ হাজার টাকা হয়েছে আখাউড়া ভূমি অফিসে।
Namjari korar jonno 2000 taka ghush dite hoyeche
৫ কাঠা জমির মিউটেশন করার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী করে, ভূমি অফিসের পিয়ন থেকে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা
জমি খারিজ করতে গিয়েছি ১০০% সঠিক তারপর ও আমার নিকট ১৫০০০ টাকা চায় আমি ১০০০০ টাকা দিয়েছি কিন্তুু তাতেও রাজী হয়নি এবং এখনো আমার কাজটা হয়নি
চাঁদপুর সদর রেকোর্ড রুমে খতিয়ান প্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা নেয়। যদিও আমি খতিয়ান খরচ অনলাইনে পরিশোধ করি।
আমি আমার জায়গার ভূমি উন্নয়ন কর এর জন্য আবেদন করেছি ৮ জুলাই ২০২৬ । সেটা ভূমি অফিস থেকে অনুমোদন দিতে হয় । আগে আমি কর দিতাম ভূমি অফিসের সরাসরি গিয়ে । কিন্তু এখন অনলাইন সহজে সহজে দেওয়া যায় শুনে আমি অনলাইন এ আবেদন করলাম প্রয়োজনীয় সব কাগজ পত্র দিয়ে । অফিসে গিয়ে বলে আসার পরেও ওরা অনুমোদন দিচ্ছে না । এখন ঠিকেই অফিসে গিয়ে ওদের মাধ্যমে বেশি টাকা দিয়ে করতে হবে কাজ ।
ভৈরব ভূমি অফিসের সার্বেয়ার খায়ের সাহেব। যিনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না এমনকি তিনি অফিস কক্ষে বসে সি সি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে ঘুষ দাবি করেন এবং গ্রহন করে থাকেন। তাকে টাকা না দিয়ে কোন ভাবেই ফাইল আপডেট করা যায় নি, তাই বাধ্য হয়ে তার দাবিকৃত টাকা দিয়ে নাম জারি করতে হয়েছিল।
ঘুষ নিয়ে টাকা খেয়ে ও কাজ করে না। পুরো অফিস একটা চেইন অফ কমান্ডে চলে। এই সিন্ডিকেট বাইরে কাজ করা সম্ভব না। ওনাদের আচার ব্যবহার খুবই খারাপ আপনাকে ইচ্ছে করে ভোগান্তি ফেলবে। উপর থেকে চাপ প্রয়োগ করলেও কাজ আদায় করা যায় না। একটা নামজারি করার জন্য মিনিমাম ৫০ হাজার টাকা নেই।