খারিজ
জমি খারিজ করার জন্য গেলাম কাগজ পএ সব ঠিক থাকার পর ও নাকি ৩৫০০০ টাকা লাগবে পরে আর এখনো করিনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারিজ করার জন্য গেলাম কাগজ পএ সব ঠিক থাকার পর ও নাকি ৩৫০০০ টাকা লাগবে পরে আর এখনো করিনি।
জমি কিনেছিলাম ৮ শতাংশ। যার জমি তার দাগ নাম্বার ভুল ছিল পরে সে মিথ্যা মামলা করে চার শতাংশ নিয়ে নেয় পরে আপোষের মাধ্যমে আমাদেরকে টাকাও দিয়ে দেয় জমির এরপর আমরা চার শতাংশ পাই। সেখানে সরকারের রেকর্ডে ৩.৫০ শতাংশ. বাকি ৫০ পয়েন্ট খাস জমির সাথে মিশে গেছে। ওরা অনেক দৌড়াদৌড়ি হয়রান ির করায় জমি কোনভাবেই রেলস্টেশন করতে দেয়নি তখন. এরপর ২৫ হাজার টাকা সাব রেজিস্টার কে দিয়ে জমি রেজিস্ট্রেশন করায়। সাব রেজিস্টার বলল এক্সিলেন্ট অফিসার ছাড়া 50 পয়েন্ট জমি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না ম্যাডামের জন্য মিষ্টি কিনতে ২৫ হাজার টাকা দিন।
লোহাগাড়া ভূমি অফিসে একটা জায়গার নামজারী করতে গেছিলাম। আবেদন এর শুরু থেকেই টাকা চাওয়া শুরু।সরকারি নিয়ম মেনেই সব ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন করার পরও আবেদন নেয় না।পরে জানলাম সাথে ৫০০ না দিলে আবেদন নিবে না।নেওয়ার পর এই ফাইল এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটা রুমে টাকা নিছে।টাকা না দিলে ফাইলে সাইন দিচ্ছে না। নাহয় ঘন্টার পর ঘন্টা দাড় করিয়ে রেখে বলে এক সপ্তাহ পরে আসুন
নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী উপজেলার, ৯ নং দেওটি ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পিয়ন থেকে অফিসার সবাই বিষয়টার সাথে জড়িত, যে কোনো প্রকার জমির নামজারি করতে গেলে সর্বনিম্ন ১০০০০ দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তাদের ঘুষ বানিজ্য,, পুরো ইউনিয়নের সকল মানুষই তাদের সম্পর্কে জানে, কোনো গোয়েন্দা সংস্থা যদি তাদের এই অপকর্ম ধরতো, হাজার হাজার মানুষের অনেক দোয়া পেতো, ,
আমি অনলাইন ঢুকে ২০২৬-২৭ হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার জন্য আমার একান্ত লগইন করি। কিন্তু পেমেন্ট অপশন টোটালি নিষ্ক্রিয় করে রেখে সেবা গ্রহনকারীদের নিকট থেকে ১৮০ টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে পেমেন্ট অপশন সক্রিয় করা হচ্ছে। এই অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সরাসরি জড়িত ভুমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সরকার দলীয় পিয়ন থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সকলেই।
নামজারি করতে চাওয়া হয়েছে।
জমি কবলা সম্পর্কে তথ্য নিতে গেছি । প্রথমে টাকা দাবি করছে । আমি হতভম্ব টাকা চাইতে কোন লজ্জা বোধ করলো না কর্মচারী। কর্মচারী ছিলেন বয়স্ক কিভাবে সামান্য কাগজ দেখার জন্য টাকা চাওয়া
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে আবেদনের হার্ড কপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ভূমি অফিসে জমা দিতে যায় তখন কাগজপত্র দেখেশুনে যাচাই করার পর ভূমি অফিসের নায়েব ৬০০০ টাকা দাবি করে এবং অফার দেয় ১০ দিনের মধ্যে আমার আবেদন অনুমোদন করে দিবে।আমি বললাম আমার তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই, ধীরে সুস্থে দিলে ও চলবে। তখন তিনি উপায় না পেয়ে কাগজের ছোটখাটো কোনো ভুল খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ভুলই খুঁজে পায় নাহ। পরবর্তীতে তিনি সরাসরি আমাকে বলে টাকা ছাড়া আমরা কোনো আবেদন গ্রহণ করি না এবং আশেপাশের কয়েকজন গ্রাহক কে দেখায় দেখো এইখানে যারা আসছে সবাই উদ্দিষ্ট বাড়তি টাকা দিয়েই আবেদন জমা দিয়ে গেসে। পরবর্তীতে অনেকটা তর্ক বিতর্কের জন্য তিনি ১ হাজার টাকা কমাতে রাজি হয় এবং সেই মুহূর্তে আমার টাকা দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা।
All Paper Was ok but they ask for money except govt. fee 1160 tk they ask me give 12000 tk then i complain against him haigher level then i get that service 1160tk Rakhalia Bhumi Office Raipur, Lakshmipur.
দলিল করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ চাইছে।
আমি — একটি রেজিস্ট্রি দলিল পাঠায় রসুলপুর গজারিয়া মুন্সিগঞ্জ রসুলপুর তোশিল অফিসে গভমেন্ট খরচ ১১ ৭০ টাকা কিন্তু আমার লোকের কাজ হতে 15000 টাকা দাবি করে তোশিলদার এসিস্ট্যান্ট মহিলা তার নাম পরে জানাবো আমি এখন কি করতে পারি
আমি একটি জমির নামজারির আবেদন করেছি। আমাকে চারদিন ঘুরিয়েছে । উপায় না পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসের এসি ল্যান্ড ছিল না বলে। অবশেষে ৩৫০০ টাকা চাইলে ৩০০০ টাকা দিয়ে দেই।
আমার চাচার জমি সরদার এবং আরেক চাচা মিলে দখল করে নিয়েছ।সরদার এবং পুলিশ ঘুষ খেয়েছেপুলিশ অনৈতিক কাজ করে।আমরা অসহায় দলিল আমার চাচার নামে তার পরও জোর করে সরদার এবং পুলিশ ঘুষ খেয়ে জমি দখল করে ধান রোপন করছে।
নামজারি করতে ৮০০০ টাকা নিয়েছে
BDS Record. সাভার এর ভাকুরতা এলাকায় ভূমি জরিপ এর নামে ব্যাপক দূরনীতি ও অনিয়ম শুরু হয়েছে । জরিপ কারীদের চাহিদা মোতাবেক টাকা না দিলে সঠিক ভাবে কাজ করছেনা । সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে । এবং সঠিক ভাবে জরিপ সম্পন্ন করে দিচ্ছে না । বতর্মানে আলমনগর হাউজিং এ সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা ছাড়া একটি রেকর্ড ও সাইন করে দিচ্ছে না । এবং কোনো ডিসপুট ও নিচ্ছে না টাকা ছাড়া । সেখানে আর বেশি দূরনীতি হচ্ছে ।
মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলা ভূমি অফিস ও সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিস যেকোন সেবা যেমন নামজারি ভূমি কর বা অন্য কোন তথ্যে জানতে গেলে ১-১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় না হলে সরকারি সেবা পাওয়া সম্ভব নয় এবং আমি নিজেও ২০০০ টাকা ইউনিয়ন ভূমি আফিসে ঘুষ দিয়ে নিজের নামজারি করেছি
জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য টাকা নেয়।
আমার নানার নামের জমি আমাদের মা এবং খালা, মামাদের নামে নামজারি করাতে ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। তাদের কাছে সরাসরি গেলেও তারা কোনো কিছুরই সমাধান দেননি। পরে একজন বলল বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যোগাযোগ করার জন্য। তখন দোকানীর সাথে কথা বলে অফিসের লোকের জন্য নাকি ৩০০০০ টাকা দিতে হবে। তবে কুলকিনারা না পেয়ে দিতে হলো বাধ্য হয়েই। জানি এটা বাংলাদেশ। দেশ শুধু আমলাদের।
দলিল করতে টাকা চাইছে
ফেনীতে নামজারি করতে সরকারি খরচের বাহিরে ঘুষ দিতে হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস রিপোর্টের জন্য 1500 সার্ভেয়ার 1000 কানুনগো 1000 ভলিউম চেকিং +নোটিশ জারি 300 অনুমোদনের এসি ল্যান্ড 2200 ---------------------------------------- মোট খরচ= 6000/- আর যদি একটু জটিল হয় তাহলে দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে যায়।