ফ্লাটের নামজারী
ডেভেলপারারের কাছ থেকে ফ্লাট কেনা হয়েছিল। রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। নামজারী করার সময় নির্ধারিত ১১৭০ টাকা পরিশোধ করে অনলাইনে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু দুইবার প্রত্যাখ্যান করা হয় এটি নাকি খাস খতিয়ানভুক্ত। তারপর সেই ভূমি অফিসের কর্মচারীর মাধ্যমে ৪০০০০ টাকা নগদে কাজটি সমাধা হয়। ৪০০০০ টাকা হাতে পেলে সেটি আর খাস খতিয়ানভুক্ত থাকে না। ফ্লাট কেনার আগে আমি ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, এটি খাস খতিয়ানভুক্ত নয়। ঘটনাটি ২০২৪ সালের প্রথম দিকের। হয়রানি এড়াতে বাধ্য হয়ে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দিই।