১২ বছরের তল্লাশি সাটিফিকেট
হাউজ বিল্ডিং এর এর লোন এর জন্য ১২ বছরের তল্লাশি সাটিফিকেট লাগে।আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।কিন্তু সরকারি নিধারিত ফি ছিল ১৫০ টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হাউজ বিল্ডিং এর এর লোন এর জন্য ১২ বছরের তল্লাশি সাটিফিকেট লাগে।আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।কিন্তু সরকারি নিধারিত ফি ছিল ১৫০ টাকা
আমার ১৭ শতাংশ জমি ব্যাবসায়িক প্রয়োজনে আবেদন করলে একটি ব্যাংক বন্ধক এর এপ্রোভাল দেয়। নিয়ম অনুযায়ী এটা সংশ্লিষ্ট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রি করতে গেলে উক্ত সাব রেজিস্ট্রার ৯০০০০০ টাকা দাবি করে। ১০০ ভাগ নির্ভেজাল এবং জেনোয়িন এই কাজে আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় ৫ মাস পার হয়েছে তবু এই রেজিস্ট্রেশন আমি এখনো করাতে পারি নাই।
গতবছর এলাকায় হওয়া BDS servey এর সময় আমাদের দুটো জমি রেকর্ড করানোর সময় দুই ধাপে মোট 50 হাজার টাকার মত দাবী করে। আমাদের কাগজ পত্র নিস্কন্টক ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট ঘুষ ছাড়া রেকর্ড ফাইল সাইন করে না। কম্পিউটার অপারেটর, সফটওয়্যার এ উঠাবে না। তাই, বাধ্য হয়ে টাকাটা দেই আমরা। কর্মকর্তারা মিলে ভূমিপল্লী এলাকায় একটা ফ্লাট ভাড়া করে। দিনের বেলা অস্থায়ী অফিসে কাগজ জমা নিতো। আর সন্ধ্যার পর সেই ফ্ল্যাটে সব টাকার লেনদেন হতো । আমাদের ও আশেপাশের সব এলাকার জমির মালিকদের ই কম বেশি ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি একজন প্রবাসী আমি আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া জমির মিউটেশন করতে আবেদন করেছিলাম কিন্তু আমার জমির কাগজপত্র সব কিছু সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার কাছে ঘুষ দাবি করে, আমার থেকে টাকা ও নিয়েছে ,টাকা না পেয়ে আমার অন্য ২ টা আবেদন নামঞ্জুর করেছে, আবার আবেদন করলে ও , টাকার জন্য এখন ও ঝুলে আছে । আর ঘুষটা যে নিয়েছে তার কাছেই নাকি অভিযোগ দেয়া লাগে শুনেছি….
ভূমি রেজিস্টার অফিসে যিনি ফিংগার ও স্বাক্ষর নেন রেজিস্ট্রি খাতায়।। তাকে প্রত্যেক দলিলের জন্য ১০০ টাকা করে দিতে হয়।।।সেটা সকল দলিলের জন্য প্রযোজ্য।।। শুধুমাত্র কন্ট্রাক বা দালানের মাধ্যমে যে দলিলগুলো যায় সে দলিল গুলি থেকে টাকা নেয় না।।।
আমি দেওয়ানী আদালতে — এর রায় ডিগ্রি মোতাবেক খতিয়ান সংশোধন আবেদন করি। পরে কোম্পানি গন্জ উপজেলা ভূমি অফিসের তহসিলদার — খতিয়ান সংশোধন করতে ২০০০০০ দাবী করে পরে আমি স্থানীয় তিন জনের স্বাক্ষী মোকাবিলা ১০০০০০ টাকা নগদে প্রধান করি।পরে তিনি বলেন যে আমার রায় ডিগ্রি মোতাবেক খতিয়ান সংশোধন হয়ে যাবে কিন্তু তিনি পরে বাকি ১০০০০০ টাকার জন্য চাপ দেয় তখন আমি ডিসি বরাবর লিখিত অভিযোগ জালিয়াতি , আদালত অবমাননা, সরকারি রাজস্ব পাকি দেওয়া, সরকারি খাস জমি বন্দবস্ত নথী গায়েব করে দেওয়া, প্রমান সহ দাখিল করি যার স্মারক নং —। কিন্তু তাতে কোনো সমস্যা সমাধান হয় নাই বরং তারা আমাকে ঘুম খুন করবে বলে হুমকি দেয়। তখন আমি বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জেলা ও দায়রাজজ আদালত পিটিশন — মামলা করি বিগত ২৮/৪/২০২৬ তারিখে।
আমরা বন্টননামা করে প্রতিবছর ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেছি ২০২৩ সাল পর্যন্ত। এবার অন লাইনে ভূমি কর পরিশোধের জন্য আবেদন করি। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বাতিল করে দেয়। আমার মোবাইলে ম্যাসেজ আসে "আমার খতিয়ানে করণিক ভুল আছে। আমি সরাসরি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে বলে আমাকে মোট ৭,৫০০ টাকা কর দিতে হবে। সেটা এখনও ওয়েব সাইটে আপলোড করে রেখেছে। আমি কর পরিশোধের কাগজ দেখাতে চাইলে, কিছু না বলে আমাকে বসিয়ে রেখে কর্মকর্তা বাসায় চলে গেছে।
আমার বাবার জমির নামজরী জারি করতে গেলে তারা দলিল পতি ৭৫০০ টাকা চাচ্ছিল। তাছাড়া নাকি মহিলা এসি ল্যান্ড সিগনেচার করবে না।
সরাসরি অফিসে ৫০০০ টাকা দাবি
নামজারি খারিজ, প্রস্তাব পাঠাবেনা ৪৫০০০ টাকা না দিলে,পরে আমি দিতে বাধ্য হই
আমার কাছে নামজারীর জন্য ৫০০০০টাকা চে্যে ছিলো আমি দর কসা কসির পর ২৫০০০টাকায চুক্তি করি।
Nothing to do, i gave it to them.
নামজারি, সরাসরি ৩ ধাপে কাজ আটকে টাকা চাওয়া হয়।
আমার একটা জমি খাজনা খারিজ করানোর জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। মোট ৩ একর ৫২ শতক। জমির দলিল, ভায়া দলিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজ সবই ছিলো। কিন্তু জমিটা যে খতিয়ান থেকে আমার বাবা কিনেছিলেন সেই দাগে মোট জমির পরিমান প্রায় ৪০ বিঘা।। সেখান থেকে আমার ৩ একর। উনারা বললেন সম্পূর্ণ জমির খাজনা যেহেতু বাকি তাই আমাকে পুরো ৪০ বিঘার খাজনা দিয়ে তারপর খারিজ করতে হবে। কিন্তু সেটা তো সম্ভব না। খাজনা আসে তখন প্রায় ৬ লাখ। আর আমার নিজের ৩ একরের খাজনা মাত্র ৪৯ হাজার।৷ তাই উনাদের সাথে চুক্তি করে অনেক প্যারা অনেক দৌড় ঝাপ করে প্রায় ৬ মাস পর খারিজ করাতে পারছি।।
আমি ময়মনসিংহ ডি সি অফিসে যাই জমির সি এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি তুলতে, গিয়ে জিজ্ঞেস করি, আসতে কতদিন সময় লাগবে? বলা হয় ২৫-৩০ দিন, আমি বলি আরো তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না? বলা হয়, যাবে তবে টাকা লাগবে ২০০০, অথচ সরকারি খরচ হয় ১২০ টাকা। তখন আমি আর কাজটা করাই নি।
নামজারি আবেদন জমা দিলেই সাথে ৫০০ টাকা দিতে হবে। যদি টাকা দেওয়া হয় তাহলে ভালো প্রতিবেদন দিবে। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে আবেদন বাতিল হবে। এটা সবার জন্য।
নাম জারি সরকারি ফি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কিন্তু ওরা আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করেছে ওই আঠার হাজার টাকা আমি দিয়েছি ওদেরকে অর্থাৎ ভূমি অফিস কে। ভূমি অফিসে অনেক বেশি হয় দুর্নীতি। আমার নাম — আমি একজন প্রবাসী।
ওয়ারিশ সম্পত্তির জমিতে নামজারি করতে টাকা লেগেছে। সরকার যে বলে ১১৭০ টাকা লাগে যা আদও সঠিক না। টাকা না দিলে বহুত নিয়ম কানুন দেখাবে আর আবেদন পেন্ডিং অথবা বিভিন্ন কারনে বাদ দিবে অথচ টাকা দিলে সব হবে। কোন সমস্যা হবে না । এই দেশে লিগাল জিনিস্ও টাকা দিয়ে করতে হয়।
Dolil tollashi kora ,and. Check korq
জমির নামজারি করতে ১১৫০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হইসে।