জমি খারিজ সংক্রান্ত
সরকারি মূল্য অনুযায়ী জমি খারিজ করতে ১১৭০ টাকা খরচ হয় এ বাবদে ভূমি অফিসে দালালদের মাধ্যমে ১৪০০০ টাকা চায়। বলে আপনি ১ শতাংশ অথবা ২০ শতাংশ যাই খারিজ করেন না কেন আমাদেরকে ১৪০০০ টাকা দিতে হব।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি মূল্য অনুযায়ী জমি খারিজ করতে ১১৭০ টাকা খরচ হয় এ বাবদে ভূমি অফিসে দালালদের মাধ্যমে ১৪০০০ টাকা চায়। বলে আপনি ১ শতাংশ অথবা ২০ শতাংশ যাই খারিজ করেন না কেন আমাদেরকে ১৪০০০ টাকা দিতে হব।
আমার জায়গার নামজারির প্রয়োজন, এর আগে একবার নিজে নিজে চেষ্টা করছিলাম, আমার টাহ অনেক দিন ঘুড়িয়ে এই কাগজ সেই কাগজ করে বাতিল করে দেয়, তারপর আমি এখন তাদের চাওয়া অনুযায়ী দেই ১২ হাজার টাকা তারপর নামজারি হয় ১১৫০ টাকায় নাকি নামজারি হয় তাহলে বাকি টাকা ঘুষ, না দিয়ে উপায় দেখি নাই তাই দিতে বাধ্য হইছি
দয়াগঞ্জ মৌজা নামজারি করতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন —। উনার ভাষ্য মতে উনি একা খাবেন না উপরে যারা আছেন তারা সবাই মিলে নেবেন ঢাকা কোতোয়ালি ভুমি অফিস জয় কালি মন্দিরের সামনে। কাগজ সম্পুর্ন সঠিক আছে তবুও দিতে হবে।
নামজারি বাব্দ ১ম এ ২লাখ ৩০ হাজার চেয়েছে, তারপর অনুরোধ করার পর ১লাখ ৩০ হাজার এ আসছে।। ১ লাখ সিকার হিয়েছিলাম। কিন্তু তাতেও রাজি হয় নাই। ভুমি অফিস এর নায়েক জাকে বলে উনি।
নামজারি অনুমোদনে নাজির সাহেব ৭০০/১০০০ টাকা ঘুষ নেন
ভূমি অফিসে যে কোন সেবাতে যাবেন ঘুস ছাড়া কোন কাজ হয় না
দয়াগঞ্জ মৌজায় নামজারি করতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন । আমি দিতে পারবো না বলে জানিয়ে দিয়েছি। তাঁরা একটু রাগ করলেন।
১১৫০ সরকারি ফি কিন্তু নাম জারী করতে ২৭০০ নিছে নাহলে কাজ হবে না বলেছে।
আমার আম্মা উনার আম্মার জমির দলিল এর কপি উঠাতে গেলে ভূমি অফিস ব্রাক্ষ্ ণ বাড়িয়ায় জেলা সদরে এই ঘুষ চাওয়া হয়
মুড়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব — একই সাথে — উভয়ে ঘোষখোর এবং টাকা ছাড়া কোন নামজারীর প্রস্তাব দেয় না, সাধারন মানুষ কে হয়রানি করে। মুড়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
পুর্বগুজরা ইউনিয়ন ভুমি অফিস হতে ফোন করে অফিসে ডেকে আনা হয়, এবং বলা হয় আপনি বাদী জায়গাটি আপনার দখলে দেখিয়ে আদালতে রিপোর্ট প্রেরণ করা হবে, তার জন্য টাকা দিতে হবে ১২০০০০ টাকা। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে তারা আমার খালি জায়গাটি বিবাদীর দখলে দেখিয়ে রিপোর্ট প্রদান করে। আমি রাউজানের এসি ল্যান্ড, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা কারও কাছে খালি জায়গা কিভাবে বিবাদীর দখল দেখানো হলো এর কোন সদুত্তর খুজে পাইনি। পরবর্তীতে একজন পরিচিত কর্মচারীর সাথে গোপনে কথা বলে জানতে পারি ১৫০০০০ টাকার বিনিময়ে রিপোর্ট বিবাদীর পক্ষে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমি নারাজি রিপোর্ট করি আদালতে। আদালত আবার রিপোর্ট প্রদানের কথা বলা হলেও অদ্যাবধি এসিল্যান্ড অফিস এটা নিয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি।
জমির বেকয়া টাকা এসেছিলো ৩০ হাজার টাকা কিন্তু ঐখানে এক কর্মচারী বললো আমাকে ১০ হাজার টাকা দিলে আপনার বেকয়াটা একটু কমাই দিবো।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কসবা থানায় আমার বড় ভাইয়ের ক্রয়র্কিত জমির নামজারি করতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১৫০০০ টাকায় নামজারীর আবেদন করি
খতিয়ান অনুমোদন করার সময় চাইলো ৩১০০ যাহা ১১০০ টাকা। বাধ্য হয়ে ৩১৫০ টাকা দিলাম। খতিয়ান অনুমোদনের পরচাই আরো ৩১০০ টোটাল ৬২০০ চাই
ভূমির অনলাইনে এখন সকল কার্যক্রম হয়, তো আমি অনলাইনে সাবমিট করেছি কিন্তু তারা পেনেল থেকে রিজেক্ট করে দেয় তো আমি সমস্যা জনার জন্য গিয়ে ছিলাম, আমাকে বলে আমার ডকুমেন্ট ঠিক নেই, পরে এক লোক বলে আপনি ১০০০টাকা দিন আমি অনলাইন এপ্রুভ করে দিচ্ছি। আমি দেই নি, আমাকে বলছে যে টাকা না দিলে আমি যতই Landtaxbd তে রেজিস্ট্রার করে আমার তথ্য সাবমিট করি তারা হোল্ডিং আপডেট করবে না
আমি ভুমি ওয়েবসাইটে আরএস খতিয়ান আপলোড না থাকায় আমি খতিয়ান নিতে পারছিলাম না। পরবর্তিতে উপজেলা ভুমি অফিসে গেলে বলে বালাম নেই তাদের কাছে।বলে জেলা ভুমি অফিসে যেতে সেখানে গেলে বলে তাদের কাছে নেই উপজেলা অফিস থেকে সংগ্রহ করতে। পরবর্তীতে জেলা ভুমি অফিসের চতুর্থ শ্রেনীর কমর্চারিরা প্রতি খতিয়ানে ১২০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তিতে আমার গ্রামের এক ছেলের মাধ্যমে ১০০০ টাকা করে খতিয়ান উত্তোলন করি। ভুমি সংক্রান্ত সকল সেবা শতভাগ আপডেট রাখা উচিত।যাতে ৩য় পক্ষ কোন সুযোগ নিতে না পারে।
এদের মত খারাপ লোক আর দুনিয়াতে হতে পারে না। মিউটেশন করতে গেলেই ১০০০। এক এক জন দুর্নীতি গ্রস্থ কর্মচারী এই হারাম টাকা দিয়ে শহরে ১০০ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে ফেলেছে
নাম জারি জমা খরিজ গত কযেকবার বাতিল করা হয়েছে এবং টাকা না দেয়ার ৪/৫মাস জুলে তাকে পরবর্তী বাতিল করে দেয়, যেকোন ভুমি কাগজ টাকা চারা দেয় না কুলিয়ারচর ভুমি অফিস নায়েব — , অফিস সহাযক —, কুলিয়ারচর ভুমি অফিসে অফিস সহায়ক —,—,নাজির —, স্বয়ং এসিল্যান্ড ২০২৬ দায়িত্ব থাকা কর্মকর্তা সরাসরি ঘুস নানিলে ও অফিস সহয়ক এর মাধ্যমে নেয়
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি প্রক্রিয়া জানার এবং ভূমির নাম জারি কাগজ বের করার জন্য যায় খাজনা দেই তারপরে আমাকে জানায় নামজারের আবেদন করতে ৬০০০ টাকা তাদের দিতে হবে যেখানে মাত্র সম্ভবত 1170 টাকা সরকারি সকল ফ্রি সহ। পরবর্তীতে আমি নিজে আবেদন করি আবেদন করে না যখন ইউনিয়ন অফিস থেকে এপ্রুভাল যে আবেদনটা সঠিক কিনা তারপরে তো উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠানো হবে সেই অ্যাপলের জন্য আমার ১০০০ টাকা দেয়ার লেগেছিল যদিও তারপরে বাকিটা আমি উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে করেছি আর শেষে ডিসিআর ফি দিয়েছি, ১০৭০ বা এরকম কত জানি থাকা আমার এক্সাক্টলি খেয়াল নাই কতো। কিন্তু এরকম হাজার কিংবা ১১০০ এর মধ্যে।
আমি লক্ষীপুর জেলার সদর উপজেলার ভবানীগন্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদার — — খতিয়ানে নামজারি নথি গ্রহণ করার জন্য 2500 টাকা দাবি করে। না হলে গ্রহণ করবে না। পরে 1000 বাধ্য হয়ে দিতে হয়। তারপরেও সে — খতিয়ানে 12 শতাংশ জমি থাকার কথা কিন্তু সে অনলাইনে 6 শতাংশ জমি আপডেট করে বাকিটা সে রেখে দেয় যাহাতে নামজারি শুনানির দিন গ্রাহক ঝামেলায় পড়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মধ্যে সবচাইতে দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর ভূমি অফিসার — ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বর্তমান দায়িত্বে আছে সে ঘুষ ছাড়া সে একটি কাজও করে না।