মিউটেশন
আমার বাবার নাম সংশোধনের আবেদন করি। নাম সংশোধন ও মিউটেশন সহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এক লাখ টাকা দাবী করেন যার কোন প্রমাণাদি নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবার নাম সংশোধনের আবেদন করি। নাম সংশোধন ও মিউটেশন সহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এক লাখ টাকা দাবী করেন যার কোন প্রমাণাদি নাই।
সরকারি চার্জ ১১০০ টাকা নামজারি করতে সেখানে টাকা নেওয়া হয় ১২০০০ টাকা
আমি নামজারি করতে গিয়ে ছিলাম তখন তহসিলদার নামজারির প্রস্তাব করানোর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করে
জমি খারিজ করার জন্য দুই লক্ষ টাকা নিছে ৭ দিনে করে দিবে বলে এখন ৬মাস হয়েছে এখনো কাজ হয় নাই চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি
নামজারির খসড়া উপজেলায় পাটানোর জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
এক ভাই এর জমি আরেক ভাইয়ের নামে দলিল করা বাবদ ১৮ শতাংশ জমির মূল্য ২৮০০০০ টাকার জন্য ৩২০০০ টাকা নিয়েছে।
ঘুষ না দিলে খারিজ আবেদনের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় না। ফাইল গায়েব হয়ে যায়। শুধু শুধু গ্রাহক হয়রানি করা হয়। বিনা কারণে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়। শেষ বেলা খারিজ নামঞ্জুর করা হয়। তবে জমির অবস্থান, পরিমাণ, জমির মূল্য ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে খারিজের জন্য ঘুষের টাকা কম-বেশি হয়। বানিজ্যিক জমির ক্ষেত্রে ঘুষের পরিমাণ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
প্রতিটি নামজারি মামলার জন্য এসিল্যান্ড ২০০০ টাকা করে নিতেছে আর বাকিটাকা বিভিন্ন ভাবে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কেস আটকানো হয়। এমনকি কেস নথি ছাড়াই শুধু কেস নম্বর দিয়ে নামজারি হচ্চে।
বললো এটা দপ্তরিক খরচ তারপর কোথায় কোথায় কাগজ পাতি দেওয়া লাগবে তাই এই খরচ হবে। আমি জানতাম হয়তো ২০০০-৩০০০ হাজার লাগতে পারে। কিন্তু এতো বেশি নিল তাই এই দরখাস্ত
জমি হহস্তান্তরের পরে খতিয়ের নাম জারির জন্য ধানমন্ডি ভুমি অফিসের কর্মকর্তার প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য প্রথম এ বিভিন্ন অযুহাত পরে ৫০,০০০/-টাকা ঘুস চায়, ৪০,০০০/-টাকায় কাজ করা হয়
মৌজা ম্যাপ ঢাকায় গেছে। কুরিয়ারে অানবে।দোকান নাকি একটাই। কালিতলা বগুড়া। যার থেকে যেভাবে পাচ্ছে নিচ্ছে। আল্লাহ এসব লোকের কর্মের উত্তম ফল দান করুন।
আমার একটা দোকান ছিল সকারী জায়গায় আমার দখলে এখন লিজ নিয়েছি সরকারি খরচ হলো ১৯৬০ টাকা তারা নিয়ে ১০০০০০ টাকা সবার থেকে নিচে টায় আমি ও দিতে হইছে আমার হিসেবে পাই ৫০ কোটি টাকা এবাবে নিয়েছে।
আমার জানা মতে জমির নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে, আমি চুক্তির মাধ্যমে ৬০০০টাকা করেছি।
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
দিয়ার সেটেলমেন্ট অপারেশন এ নিয়োজিত ব্যক্তিরা বিডিএস জরিপের মাঠ নকশা শেষ করে, কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও সৃষ্ট খতিয়ানের সত্যায়ন পর্যায়ে বা ২য় ধাপে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ঘুষ দাবি করতেছেন,,,
খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কাগজ পত্র ঠিক নাই বলে এরপর ১০০০০ টাকা দিলে পরে করে দেয়। অথচ আমার সব কাগজ ঠিক ছিল। ঘুষ দেয়ার পর আর কোন কাগজ লাগে নাই।
স্থান: তাহিরপুর উপজেলা ভূমি অফিস, সুনামগঞ্জ। ভূমি নামজারির (ই-নামজারি) নির্ধারিত সরকারি ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা। তবে, আবেদনটি প্রক্রিয়া করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ দাবি করেন। নামজারির কাজটি সম্পন্ন করতে এবং ইচ্ছাকৃত দাপ্তরিক হয়রানি বা দিনের পর দিন ঘোরানো থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে ১২,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই মোটা অঙ্কের ঘুষ না দিলে, কর্মকর্তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ফাইল আটকে রাখেন এবং জমির বৈধ রেকর্ড হালনাগাদ করতে সরাসরি অস্বীকার করেন।
নামজারি জন্য সরকারি ফি 1100 টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে 15000 টাকা ঘুস ছাড়া আড়াইহাজারে সেবা নাই
বাবার সূত্রে পাওয়া জমি, 2 টি বন্টন নামা দলিল করার প্রথমেই চুক্তি করি নেই, ১ টি দলিল ২৪ হাজার টাকা ওপর টি ৬০ হাজার টাকা. আমার বোন তার প্রাপ্য জমি বন্টন এর পূর্বেই বিক্রি করে যা বন্টন নামা দলিল এ তার বিক্রয় কৃত জমি শূন্য বা না দাবি লেখা হয়. (যদিও এইটা দলিল লেখকদের পরামর্শেই করি) কিন্তু ফাইল অফিসারের টেবিলে পৌঁছানোর আগেই জমি রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তা না দাবি লেখার কারণে ভুল ধরে. পরবর্তীতে 2 টি দলিল পার করতে চুক্তি টাকা ছাড়াও ৯৫০০০/- টাকা অতিরিক্ত প্রদান করতে হয়. যা আমাদের মতো প্রবাসীদের পক্ষে মেনে নেয়া অত্যন্ত কষ্টের😒. কিন্তু দেখার কেউ নেই এক আল্লাহ ছাড়া.
বগুড়া জেলার ১টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা বাবদ ৩৭৮০০০/- অনলাইনে জমা দিতে হবে দাবি করে বসে, পরবর্তীতে বলে আচ্ছা আপনি ১৫০০০০/- আমাকে দিয়ে যাবেন যা করার করে দিব, আপনি এসে জমা রিসিভ নিয়ে যাবেন। মানে ১৫০০০০/- টাকা থেকে সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ ১৮/২০ হাজার টাকা জমা দিবে বাকি টাকা উনার পকেটে। এর আগে যেগুলো খাজনা জমা দিয়েছি প্রতিটি খাজনার মূল রশিদ আমার কাছে আছে কিন্তু উনাদের রেজিস্টারে একটাও উঠায় নাই সব টাকা পকেটে ঢুকাইছে, জেলা প্রশাসক বরাবর ২বার লিখিত অভিযোগ দেয়ার ২বছর পর অবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমাধান পেয়েছি, মজার বিষয় উনার নামে এতো অভিযোগ থাকার পরও কিছুদিন আগে কানুনগো পদে পদোন্নতি পেয়েছে। শহরে উনার গৃহিনী স্ত্রীর নামে ৫ তলা বাড়ী, উনার নামে ২ টি ফ্লাট, বিভিন্ন যায়গায় জমি।