নামজারী
নামজারী করতে দিয়েছি। টাকা ছাড়া করবে না। সরাসরি না চেয়ে অন্য মাধ্যমে টাকা চেয়েছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারী করতে দিয়েছি। টাকা ছাড়া করবে না। সরাসরি না চেয়ে অন্য মাধ্যমে টাকা চেয়েছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না।
Ami kharij korar jonno office a jai kintu keu kotha bole na mone hoy jor kore tader sathe kotha bolteci. Ai bole or kace jan o bole or kace jan finally kotha bollam bole ata lagbe seta lagbe ai kagoj nai sei kagoj nai, niye asen tarpor kore dibo tarpor deklam agula ber korte korte ami jei cuti niya dese geci oi cuti ses hoye jabe tarpor akjoner sathe 12000 taka contact korlam tatpor 10-12 diner modde hoye gece
সকল দলিল এর মূলকপি চেয়েছিলো। তাছাড়া অফিসার আচরণ এ সমস্যা ছিলো।
কোম্পানির নামে জমি কিনে জেলা প্রশাসক , টাঙ্গাইল এর নিকট ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে জুলাই ২০২৫ মাসে। সেখান থেকে সহকারী কমিশনার ভূমি, মির্জাপুর এর প্রতিবেদন চাওয়া হয় এবং তিনি যথারীতি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। এর পর প্রতি শতকে ১ হাজার টাকা মানে ৫.২১ একরের জন্য ৫ লক্ষ ২১ হাজার চাওয়া হয় ।
ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে একটি নামজারি সম্পাদনের জন্য সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এর নিকট গেলে তিনি আমার কাছে ১৫০০০/- টাকা দাবি করেন, এবং তিনি এটাও বলেন যে টাকা না দিয়ে অনলাইনে আবেদন করলে তিনি আবেদন অসম্পূর্ণ হিসেবে রিপোর্ট করে খারিজ করে দেবেন।
নামজারীর জন্য ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা — নাম সম্ভবত, ওনি ১৮০০০ টাকা চেয়েছেন। তাছাড়া প্রায়শই খাজনা পরিশোধ করতে গেলে ১০০০০ টাকা খাজনার যায়গায় ২০০০-৩০০০ টাকায় হালনাগাদ করে দেওয়ার কথা বলে এর জন্য অতিরিক্ত ২-৩ হাজার টাকা চায়। ১০০০০ টাকার যায়গায় ৫০০০ দিতে পারলেও পাবকিক ও খুশি কিন্তু ক্ষতি তো সরকারের। আমরা শহরে থাকি বলে ২-১ দিনের জন্য মফস্বলে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করানো ছাড়া উপায় থাকেনা। আমরা জিম্মি
আইডি কার্ড সংশোধন করতে নাকি ৭০ হাজার টাকা লাগবে
এই অফিসে যেকোনো ধরনের সেবার জন্যে কাজ ভেদে ঘুষ দিতে হয়।প্রথমে সাভাবিক নিয়মে কাজ করার চেষ্টা করলে তারাই বলে এভাবে কাজ হবে না। X দোকানে গিয়ে আবেদন করুন ।সেখানে তাদের কিছু লোকের সাথে টাকা ধরিয়ে দিলেই কাজ হয় নয়তো না।
আমাদের একটা বি এস খতিয়ানের দাগে ভূল ছিল আমি এ সি লেন্ড স্যার বরাবর ভূল দাগ সংশোধনের আবেদন করি।সাথে আমাদের বি এস খতিয়ান, পি এস,দাগে ৪ টা খতিয়ান সহ মাঠ জরিপ পর্চা, ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে নেওয়া রিপোর্ট সহ সব জমা দি, জমি দেওয়ার পর ২/৩ বার শুনানি করে কানুনগো শুনানি করে সরজমিনে সার্ভেয়ার গিয়ে তদন্ত করে ভূল সংশোধন করে দিবে বলে রাউজান এ সি লেন্ড অফিসে একটা বাটি করে একটা মহিলা আছে স্যারের পাশের রুমে বসেন ওনি ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল স্যারের কথা বলে কিন্তু আমি দি নি কারন ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পর কেন আমি টাকা দিবো? যখন বলি আমি প্রবাসী আমার ছুটি শেষ তখন ওনি বলেন সময় লাগবে নিবাচনের পর করে দিবো যেহেতু সামনে এম পি নির্বাচন কিন্তু আজকের দিন পর্যন্ত হয় নি।আমি প্রবাস থেকে ফোন করছি ওনারা ব্যস্ততা দেখায়।
আমার একটি ফ্ল্যাট এর নামজারি করতে নিয়েছে
জমি খারিজ এর জন্য খাজনা পরিশোধ করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারী খাজনা বাবদ ২৩০০ টাকার বিপরীতে ২০০০০ টাকা দাবি করে। বলে " অনেক খরচ, এ সি ল্যান্ড স্যারকে দিতে হবে, না হলে খারিজ করা যাবে না" আমি প্রত্যাখ্যান করেছি, এখনও খাজনা দিতে পারি নি বলে, জমি খারিজ করা হয় নি।
চাচারা জমির পর্চা করেছিলো আমাদের নাম ছিলো না, প্রায় ৪০ বিঘার মতো জমি। পরে পর্চা সংশোধন করে আমার বাবার নাম বসাতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ভাগ্যিস চাচারা ঝামেলা করেনি উনারা যদি উলটো ঝামেলা করতো আরও টাকা খরচ হইতো। তেঁতুলিয়া অফিস থেকে কাগজ দিনাজপুর অফিস ঘুরে সংশোধন হয়ে আবার তেঁতুলিয়া অফিস আসতে আমার ঘুষ দিতে হয়েছে ১৬০০০০ টাকা। আবার ১.৫ বছর দৌড়া দৌড়িতে ৫০ আমার হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।
লেখার কিছু নাই সামান্য ১০০ টাকার কাজ করতে গেলেও ১ হাজার টাকা লাগে
ইউনিয়ন ভূমি অফিস। যেখানে সরকারি ফি আওব মিলিয়ে ১১৭০ সেখানে সে বলেছে ৬০০০ টাকা দিলে করে দিবে।
এখানে প্রায় অধিকাংশ লোকের থেকে এইভাবেই নিরবে ঘুষ লেনদেন হয় আমিও খাজনা পরিশোধ করতে গেলে আমাকে রশিদ দেয় 150 টাকার কিন্তু দাবি করে 20,000 দেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই
ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম।খাজনা বাবদ চেয়েছে।
আমি আমার কষ্ট বাড়ির জমি টি মিটিশন করার জন্য যায় আমার কাগজপত্র দেখে তারা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরল অনেক সমস্যা রয়েছে যখনি বলল এ সমস্যা সমাধান করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে আপনি যদি ৮ হাজার টাকা দেন তাহলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সেটা প্রত্যাখ্যান করি নাম জারি করা থেকে বিরত থাকি।
সরকারির ফি র নামে পেসকার ১০,০০০ টাকা দাবি করে।।।
নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মরজাল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমি আমার মায়ের উত্তরাধিকার সম্পত্তির খারিজ বের করার জন্য গিয়েছিলাম । বারবার সেখানে গিয়ে কোন লাভ হচ্ছিল না তারা আমাকে বিভিন্ন হাইকোর্ট জজকোর্ট দেখাচ্ছিলো । সবশেষে আমার কাছে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে ভূমি অফিসের এক কর্মচারী। আমি প্রথমে দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমার কাজটি আর করে দেয় না। কিন্তু পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে আমি এক লক্ষ টাকায় রাজি হয়ে গেলাম। এখন এক লক্ষ টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে আমি আমার মায়ের উত্তরাধিকারে পাওয়া জমির খারিজ নিয়ে এসেছি যে কাজের সরকারি মূল্য ছিল শুধুমাত্র বারোশো টাকা
আমার একটি খতিয়ানে পিতার নাম ভুল হয়েছে সংসধনের জন্য আবেদন করিয়া সকল কাগজ দলিল দিয়েছি তারপর ভান্ডারিয়া ভুমি অফিসের কানুনগো ২০০০ টাকা চা খাওয়ার কথা বলে নিয়েছে কিন্তু আমার কাজ এখনো সংসধন করে দেয় নাই