নামজারি
নামজারি আবেদন করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে পাশের ভূমি সেবা সেন্টারে যেতে বলে, সেখানে দায়িত্বরত উদ্যোক্তা বলে ৯০০০ টাকা প্যাকেজে ১ টি নামজারি সম্পন্ন করতে লাগবে। অন্যথায় না মঞ্জুর হবে নিশ্চিত। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কাজ হবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি আবেদন করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে পাশের ভূমি সেবা সেন্টারে যেতে বলে, সেখানে দায়িত্বরত উদ্যোক্তা বলে ৯০০০ টাকা প্যাকেজে ১ টি নামজারি সম্পন্ন করতে লাগবে। অন্যথায় না মঞ্জুর হবে নিশ্চিত। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কাজ হবে না।
Death of my grand father his land worth setteled his children by name mutation gov. cost only under 1170/- but actual common mutation rate every Land offfice any where in Bangladesh minimum 10000/-
সরকারি খরচ ১২০ টাকা হলেও তা ৬০০ টাকা করে দাবি করা হয়।
বাংলাদেশে চলছে BDS জরিপ। আমাদের এলাকায়ও চলছে। কিন্তু যারা জরিপ করে তারা প্রতিটি ভূমি মালিক হতে বিভিন্ন সমস্যা দেখানোর মাধ্যমে অনেক টাকা ঘুষ নিচ্ছে। 'ঘুষ না দিলে জরিপ করবে না' এই ভয় দেখাচ্ছে। আমাদের জমির কেনা দাম ৪০০০০ হাজার। আমার জানা মতে কোনো ভেজাল নাই। কিন্তু জরিপ করারা জন্যে ৫০০০০ টাকা ঘুষ না দিলে নাকি জরিপ হবে না।
২০০৬ সালে একটা জমি কিনেছিলাম । নিজে নিজে ওইটার নামজারি খতিয়ান অনলাইন করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছি । পরবর্তীতে অনলাইন করার জন্য করতে আশুলিয়া ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এবং ডেভেলপার কোম্পানির লোক আমার কাছ থেকে এই টাকা ঘুষ নিয়েছে ।
ভূমি উন্নয়ন করার জন্য ৩২ হাজার ৪৭০ টাকা দাবি করেছিল। অনলাইনেও ওই দাবি তুলে দিয়েছিল। পরে সশরীলে ভূমি অফিসে গিয়ে ১৩৫০০ টাকায় এবারের মত রফা দফা করে এসেছি।
নামজারির খরচ মাত্র ১১৫০ টাকা, কিন্তু নিয়েছে ৮০০০ টাকা।
মিসমামলার আদেশ দিচ্ছে না, টাকার জন্য
সরাসরি টাকা দাবি করা হয়েছিল।
জমির শ্রেণী পরিবর্তন বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য উপজেলা ভূমি অফিস হতে নথি তহশিল অফিসে গেলে সেখান হতে তহশিলদার সরজমিনে গিয়ে দেখে শুনে এরপর ঘুষ দাবী করে।
সাব কবলা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার পর নতুন খারিজ খতিয়ান জারি করার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ১১৭০ টার স্থলে ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। যা আমি প্রত্যাখান করেছি এবং এখনো আবেদন না করে অপেক্ষায় আছি।
দলিল উত্তোলন করে আমাকে বলা হল ২০০ টাকা খরচ হয়েছে
সার্ভেয়ার — এর বিরুদ্ধে। যত ফাইল ভূমি অধিগ্রহণ এর সব কাজ তার কাছে। আমার প্রশ্ন আর সার্ভেয়ার কি নাই। সে শুধু গুড়ায়। আজ না কাল করে। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা — তিনিও —কে কিছুই বলেন না। আমার কাজটি ২০২৩ সাল ধরে ময়মনসিংহ ভূমি অফিসে এদিক সেদিক গুড়ছে।
জমি খারিজের জন্য সরাসরি আবেদন করা যাই না,দালাল ছাড়া।ভুমি অফিসে ৬/৭ জন করে দালাল থাকে।দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না।১১৫০ টাকা সরকারি বিল ৬০০০ টাকা দিয়ে করিয়েছি জমির খতিয়ান করেছিম
জমি খারিজ করার জন্য ৮000 tk নিছে
আমি দিতে বাধ্য হয়েছি তা না হলে ওরা আমার কাজ ফেলাই রাখত। কাজ হতো নাহ। আমি মজলুম। নায়েব তারক চন্দ্র ও নাজির এই দুইজন বেশু ঘুষ খাই।এদের জন্য অন্যরাও ঘুষ খাওয়ার সুযোগ পায়।
ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, সন্তোষ পৌর ভূমি অফিস, টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল। এর কর্মকর্তা আমার নামজারির কাগজ ঠিক থাকার পরেও নানান অজুহাত দিয়ে বার বার বাতিল করে দিচ্ছে। উনাকে বলার পরেও উনি মানছে না। এবং এক পর্যায় ওই টাকা দাবি করে। আমি না করে দিয়েছি
আমার ক্রয়কৃত ২৩ শতাংশ জমি আমি নিজে খারিজের জন্য আবেদন করি। শুনানীর দিন আমি সকল কাগজপত্র নিয়ে যাই, নায়েব সাব সবকিছু দেখে আবেদন পত্রের উপরে পেন্সিল দিয়ে মিল আছে লিখে নিলো। আমি বললাম সব কিছু ঠিক আছে ? উনি বললেন আপাতত ঠিক আছে । আমি বাড়িতে চলে আসি এবং বিকালে এসএমএস আসলো না মন্জুর । না মন্জুরের কারন হিসেবে দেখি লেখা জমির শ্রেণি ভুল ।অথচ জমির শ্রেনী দলিলে এবং রেকর্ডে একই। পরবর্তীতে আবার আবেদন করি , আবারো না মন্জুর করে অনলাইনে দলিল নকশা দেওয়া হয়নি বলে। অথচ আপলোড করা হয়েছে । ৩য়বার আবার আবেদন করি এবং শুনানীর দিন আমি ব্যস্ত থাকায় বড় ভাইকে পাঠাই । এদিন ভাইয়ের কাছে বলছে আপনার ছোট ভাই বেশি বুঝে । অভাবে গুড়লে খারিজ হবে? কিছু তো করতে হবে। খরচপাতি কিছু দিয়ে যান আমরা কাগজ ঠিক করে দিবো।পরে ভাই চলে আসছে
আমার দাদার নামের সম্পত্তি, সেগুলো আমার বাবা আর কাকার নামে নামজারি করব । সেজন্য আমাকে ৩৬০০০ টাকা দিতে বাধ্য করে । আমি দিতে রাজি হইনি কিন্তু আমাকে নানা ভয় দেখিয়ে কাজ টাকা দিয়ে করতে বাধ্য করে
এই — সব সময় টাকা চাইলে আবং আমিনিজেও ভুক্তভোগী আমার প্রতিবেশী ভোক্তভোগী