জমির নামজারি
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করার জন্য যাই সেখানে নামজারি করার জন্য আমার কাছে ১১ হাজার টাকা চাওয়া হয় এবং ১১ হাজার টাকা দেওয়ার পরও এখনো আমার কাজ হচ্ছে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করার জন্য যাই সেখানে নামজারি করার জন্য আমার কাছে ১১ হাজার টাকা চাওয়া হয় এবং ১১ হাজার টাকা দেওয়ার পরও এখনো আমার কাজ হচ্ছে না
এটি একটি সামষ্টিক অভিযোগ। সীতাকুন্ডের এসি ল্যন্ড —ের বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে বিভিন্ন দলিল নামজারি করার অভিযোগ উঠেছে
আমি ভূমি নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম
একটি দলিল চেক করার জন্য সেটার নকল উঠানোর প্রয়োজন পরে। তখন 1800 টাকা দাবি করে।
টাকা না দেয়ার কারনে বারবার ডেইট চেঞ্জ করেছে। আজকে/কালকে/পরশু এরকম বলতেই থাকে।
নামজারী। গুলশান। একাধিক সোর্সে কথা বলেছি ১২০০০০-১৫০০০০ টাকা দাবী। প্রতিটি পর্যায়ে তাদের রেট করা। টাকা না হলে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এনওসি আনতে হবে অথচ রাজউকের প্লট। সব আপডেট কাগজ আছে। কিন্তু সিটি ৯নং খতিয়ান যেখানে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় অধীন নগর উন্নয়ন বিভাগ নামে সিটি রেকর্ড।
জমির দাখিলা দায়ের জন্য ৫০০০০ টাকা খাজনা নিয়েছেন। কিন্তু যখন দাখিলার অনলাইন হাতে পাই তখন সেখানে আদায়কৃত খাজনা পরিমাণ ছিল মোট টাকার ১০%
নামজারি বাবদ ১২০০০ না দিলে কাজ করবেনা বাধ্য হয়ে দিয়ে শেষ করলাম। চাঁদপুর জেলা হাজিগঞ্জ থানা বলিয়া ভুমি অপিস।
আমি সম্প্রতি নোয়াখালীর দুটি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম—একটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস এবং একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস। জমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ ও খতিয়ান/নামজারি সংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চাওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। একটি খতিয়ানের জন্য প্রায় ১০,০০০ টাকা, অন্য একটি খতিয়ানের জন্য প্রথমে কাজ হবে না বলা হলেও পরে অন্য একজনের মাধ্যমে ২০,০০০ টাকা লাগবে বলে জানানো হয়। আরেকটি কাজের জন্য ২৫,০০০ টাকা দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ২০,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে। এসব অর্থের মধ্যে কোনটি সরকারি ফি এবং কোনটি অতিরিক্ত অর্থ—তা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে পরিষ্কারভাবে বোঝার সুযোগ ছিল না। আমার কাছে একটি অডিও রেকর্ডিংও রয়েছে, যেখানে ১০,০০০ টাকা চ
আমার জমির খাজনা দিতে হবে কিন্তু হোল্ডিং নাম্বার স্থগিত করে রেখেছে সেটা ঠিক করার জন্য 5000 টাকা দাবি করে পরে আমি 2000 টাকা দেই
খারিজের জন্য চাওয়া হয়েছে।
আমার জমির ওয়ার্কিং খতিয়ান দরকার পরে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে তারা বলে এটা সরকারিভাবে দেওয়া যাবে না। কিন্তু অন্যভাবে দেওয়া যাবে এটার জন্য 6000 টাকা দাবি করে, আমি পরে সেটা প্রত্যাখান করেছি।
আমি মিউটেশনের জন্য আবেদন করি। আবেদন এরপর উপজেলা ভূমি অফিস হতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসে, তদন্তের জন্য। আমি সেখানে ফাইল জমা দিলে তারা তদন্তের জন্য আসে। তদন্ত করে যাওয়ার সময় গাড়ি ভাড়া দাবি করছে, আমি কতদিবো জানতে চাইলে হাতের ইশারায় ৫দেখায়। আমি ৫শ না ৫হাজার বুঝিনি। তখন হাতের ইশারা দেখে আমি বলছি, আমার অতো টাকা নেই, তখন সে বলছে এখানে গাড়ি ভাড়াও তো ৫০০টাকা লাগে। তখন আমি বলছি, এখানে আমরা রিজার্ভ আসি ১৫০টাকায়, আপনি ২০০নেন। কিন্তু ওরা ৩০০টাকা নিয়ে গেছে।
ভুমি অফিসের নিজস্ব দালাল আছে, তাদের ছাড়া খারিজ হয় না বিভিন্ন বাহানা দিয়ে কাগজ আটকে রাখে, দালাল দিয়ে করলে টাকা এক লক্ষ্য, পঞ্চাশ হাজারের নিচে কোনো কাজ হয় না। সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে আছে নায়েবের ঘুষ দুর্নীতির কারণে। অফিসে গেলে মনে হবে তারা সবাই মসজিদের ইমাম সাহেব ঘুষ দুর্নীতি কিছুই করে না।
notun jomir kajogpotro registered kora
চট্টগ্রাম ডিসি অফিসে নামজারির জন্য জিপির সিগনেচার লাগে। জিপির পিএ ১০০০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ফাইল ধরবে না। অত:পর টাকা দিয়ে ফাইলে সাইন করাতে হয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের LA শাখাতেও দুর্নীতির কুরুক্ষেত্র।
আমার বাবা মারা যায় ২০২০ সালে, এবং তার উত্তরোধীকার হিসেবে আমি তার একটা যায়গার মালিক হই, এবং অই যায়গা যখন আমাদের নামে নাম জারি করতে যাই তখন গুলশান ১০ এর ভুমি অফিস আমাদের থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেন, আমরা ৯ মাস চেষ্টা করেছি আমাদের সব পেপারস ঠিক ছিলো, কিন্তু তারা টাকার জন্য সব হোল্ড করে রেখেছিলেন
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
প্রত্যেকবার জমির খারিজ বাবদ মোট ৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। এই চিত্র নাকি দেশ এর সকল ভূমি অফিসে বিদ্যমান
নামজারি করার জন্য আবেদন করলে অনেক ভুল আছে বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু কি ভুল আছে তা উল্লেখ করেনি