জমি সেবা
জমি নামজারি করার জন্য ২০,০০০ হাজার টাকা দাবি করা হয় , আমাকে বলা হয় টাকা দিলে ৭/৮ দিনের মধ্যে নাম জারি করা যাবে , টাকা না দিলে ২/৩ বছর ও লেগে যাবে বলে আমাকে জানানো হয় ,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি নামজারি করার জন্য ২০,০০০ হাজার টাকা দাবি করা হয় , আমাকে বলা হয় টাকা দিলে ৭/৮ দিনের মধ্যে নাম জারি করা যাবে , টাকা না দিলে ২/৩ বছর ও লেগে যাবে বলে আমাকে জানানো হয় ,
আমার জমি নাকি খাশ জমি এই বলে আমাকে ১ বছর ঘুরিয়েছে। আমার কাছে ১ লাখ টাকা চেয়েছিলো এসিলেন্ড অফিসের এক দালাল পরে আমি তাকে৫২০০০ টাকা দিলে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দেয়।
একটা জমির নামজারি করতে দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছিল
আমার জমিতে কতটুকু অংশ বাকি আছে তা জানতে সুভাঢ্যা অফিস, দক্ষিন কেরানিগঞ্জ সার্কেলে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্যে, খতিয়ান থেকে ১২ টা দাগ দেখতে ও মিসকেস নাম্বার লিখে দিতে প্রতি দাগের হিসাব ২০০ ধরে ২ জায়গায় ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে ৩ স্টাফ কে। আর এইটা ওখানকার সাভাবিক অবস্থা সবার সামনেই নিচ্ছে আর সবাই ও বাধ্য হয়ে দিচ্ছে না দিতে চাইলে কাজ করে না বলে পাতা খুজে পাই না ছিড়তে গেছে আর করে দিলেও সাথে সাথে টাকা চায়। টাকার পরিমান অনিদির্ষ্ট কিন্তু ২০০ এর কমে দিলে নেয় না।
প্রতিটা নামজারি র জন্য 5 থেকে 10 হাজার টাকা। ঘুষ দিতে হয়।
কুমিল্লার ১৪ গ্রামের মিয়াবাজারের পুর্বদিকে শিবের বাজার ভুমি অফিসে পৈত্রিক সম্পত্তি বাদ খারিজ বা নামজারি করতে গেলে সহকারী ভুমি কর্মকর্তা আমাদের কাছে ৬ টি খারিজের জন্য ৪২ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা দিতে বাধ্য হয়েছি, পরে ১ মাসের মধ্যে খারিজ কপি অনলাইনে আসছে।
১৪৭ শতাংশ জায়গা নাম জারি করার জন্য যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা সেখানে দেড় লক্ষ টাকা দালাল প্লাস ভূমি অফিসে দেওয়া লাগছে, এরপর আবার ৩৫ শতাংশ জায়গার নাম জারি করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে বিশ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে তারা শতাংশে৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে
নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ ম খন্ড এর বি ডি এস পরচা সরকারী ভাবে করছে। এখন কাজ কমপ্লিট করে বি ডি এস করে কাগজ নিতে জেতে বলে, জাবার পর বলে অফিসার ওই রুমে জান তার সহোকারী সাথে, গেলে দুই হাজার দাবী করে না দিলে বলে পরে আসবেন কিছু সই বাকি........ জারা না দিসে তাদের রেকর্ড ভুল লিখসে আর কোর্টে গিয়ে সঙ্গসদন মামলা করে হয়রানি করাচ্ছে. আবার বড়ো টাকা খেয়ে এক জনের মোদদে কম আরেক জনের বেশি করে দিচ্ছে ।
We asked for a registry paper. With proper information and documents. But still they asked for money.
খতিয়ান তুলতে গেলে ২০০ টাকার কমে তারা নেয় না মানবে তো এটা ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়
০.৩৬ পয়েন্ট জমির নাম জারি করতে ভূমি অফিসে সকল কাগজপএ ঠিকঠাক জমা দিলেও নাম জারি বাতিল করে দেয় পরে আমার থেকে ওরা টাকা দাবি করে পরে আমি ঐ টাকা পরিশোধ করলে আমার নাম জারি সফল হয়।
জমির খাজনা দিতে গেছি ওনারা বলতেছে জমি সমস্যা আছে অনেক টাকা ঘুষ চাইছিল পরে ১৫ হাজার টাকার কথা হইছে কাজ করে দিবে যেটা দিয়েই করতে হয়েছে নওগাঁ ভূমি অফিস খাজনা যিনি নেন এটাই আসল কালপিট
উত্তরাধিকার সম্পত্তি নিজেদের নামে হোল্ডিং করব খুলে খাজনা দেওয়ার জন্য গেলে একজন কর্মচারী সে পুরাতন একটা খাজনার চেক কাটা যা ওই দাগেরই অন্য অংশীদার কেটেছিল সেটা আমাদেরকে দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করছিল। একই কপি সে একাধিক মালিকের কাছে বিক্রির জন্য সে সংরক্ষণে রেখে দেয়
আমি নামজারী করতে গিয়েছিলাম নোয়াখালী জেলা সোনাইমুড়ী এসিল্যান্ড অফিস ওনারা আমার কাছে 15000 টাকা দাবি করে পরে আমি চলে আসি
যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করি ২০ বছর সেই মামলা করেছে যে সে জমি বিক্রি করেনি, মামলা শুনানির কোনো তারিখে সে হাজির হয়নি(৫বার শুননির তারিখ হয়) পরে ঐ অফিসের নাজির বলে ৫০হাজার টাকা দেন মামলা নিষ্পত্তি করে দেই ।
আমার বাবা মারা যায় ৩০শে এপ্রিল’২০১৫ সালে এবং মা মারা যায় ২৩শে ডিসেম্বর’২০২১ সালে । আমি অনলাইনে যখন আমার আইডিতে আমার বাবা ও মায়ের নাম নওগাঁ শহরে যে জমি আছে ।তার আমার আইডিতে অন্তরভূক্ত করার জন্য আবেদন করি ।তখন আবেদন বাতিল হয়। আমার ছোট ভাইকে নওগাঁ শহরের কালিতলা ভূমি অফিসে পাঠালে তার বলে আপনাদের জমি ১ নং বই অন্তভূক্ত। খাজনা দিতে পারবেন না। তখন আমার ছোট ভাই আর বন্ধু এর মাধ্যমে ৩৫,০০০/- টাকা কাজটি করে দেয়।
সেবাটি পেতে ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়েছে
যেকোনো ডকুমেন্ট চাইলে টাকা দিতে হয়—৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
করাইকৃত জমি, যে বিক্রি করেছে পুনরায় সে আবার খারিজ করে নিয়েছে, কিভাবে খারিজ হয়েছে, সে জানে না, আমার এখন পুনরায় খারিজ করার জন্য তাকে টাকা প্রদান করা লাগতেছে, একান্ন হাজার দিয়েছি আরো লাগবে, কাজ শেষে আরো দুই লক্ষ টাকা দিতে হবে।
প্রথমে মিস কেস করার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে গেলে দ্রুত কেস নম্বর দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। ৩,০০০ টাকা দেওয়ার পর ৬ দিনের মধ্যেই কেস নম্বর পাওয়া যায় এবং তহসিল অফিসে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়। তহসিল অফিসে কোন টাক বা টাকা না দেওয়ায় প্রায় এক মাস পর শুনানির তারিখ দেওয়া হয়। শুনানি শেষে তহসিলদার দেখা করতে বলেন। দেখা করলে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পরও বলেন, “এতে কম টাকায় কাজ হয়।” এরপর অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় আমার প্রতিবেদন প্রায় আড়াই মাস পর এসিল্যান্ড অফিসে জমা দেওয়া হয়। অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে, চাহিদামতো টাকা দিলে কাজ দ্রুত হয়, আর টাকা না দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে মাসের পর মাস ফাইল ঘুরতে থাকে।