নামজারি
আমার পক্ষে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় থাকার পরও ভিপি কেসের নামজারি করাতে ৫০,০০০/ টাকা দাবি করেছে আমি দেইনি বলে নামজারি বাতিল করে দিয়েছে আর অন্য একজন ৪৯০০০/ টাকা দিয়েছে বলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পক্ষে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় থাকার পরও ভিপি কেসের নামজারি করাতে ৫০,০০০/ টাকা দাবি করেছে আমি দেইনি বলে নামজারি বাতিল করে দিয়েছে আর অন্য একজন ৪৯০০০/ টাকা দিয়েছে বলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
যেহেতু বিপদে প্রয়োজনের জমি বিক্রয় করতে হইবে। জমির নাম জারি করিতে হইবে। রেজিস্টারি বা নাম জারিতে খাজেনা রশিদ বাধ্যতামূলক সুতরাং দিতে হয়েছে। ফোন রিসিটে এক-তৃতীয়াংশ টাকা উল্লেখ আছে।
আমাকে বলে অনেক সমস্যা কাগজে ভেজাল এই সেই বলে প্রায় তিন মাস গুরিয়েছে তারপর এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা দিয়েছি কাজ হয়েছে
আমি নিজের জমি খারিজ এর জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে আমার আবেদন বাতিল করে দেয় পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে খারিজ করেছি।
নামজারীর জন্য। একবার ১১ জনের নামে নামজারি করেছি। সেটা অনলাইনে দেখা যাচ্ছে না। যে কারনে ১১ জনের নামে আলাদা আলাদা করতে ৮০ হাজার টাকা দাবি করে। আমি পরে করব বলে চলে এসেছি।
সে বলেছিল কিছু সন্মান করেন। আমি প্রবাসী আমার হাতে সময় ছিল না।অমি ভাবছিলাম কাজ টা হয়ে যাক।
আমার দাদির নাম এ ৬ শতাংশ জমি সব কাগজ থাকার পর ও সঠিক প্রতিবেদনের জন্য তারা টাকা দাবি করে অন্যথায় জমি যাদের সাথে সমস্যা তাদের নাম এ দিয়ে দিবে এমন অবস্তায় বাধ্য হয়ে টাকা দিলে তিনি তাদের থেকে বেসি টাকা নিয়ে তাদের নাম এ প্রতিবেদন করাই
নামজারী আবেদন করেছিলাম, বলেছিল হবে না। কিন্তু 8,000 টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলেছিল
চুয়াডাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিসে খারিজ পাশ করাতে হলে নাজির কাম ক্যাশিয়ার কে গুনতে হয় সাধারন নামজারির জন্য ২৫০০ টাকা আর ওয়ারিশ সুত্রে বা ভায়া দলিল থকালে গুনতে হয় ৮০০০ টাকা ।। তানা হলে কেস পাস হয় না । পতি মাসে লাক লাক টাকা হাতিয়ে কিনছে গাড়ি , বাড়ি ও জমি ...
যিনি নাজির ওনার টেবিলে উনি থাকেন না উনার সহকারী দুজন থাকে তাদেরকে যদি বলা হয় আমার অনলাইনে ডিসিআর এর টাকা জমা দিয়েছি পূর্বের খতিয়ান থেকে নতুন খতিয়ানে জায়গার পরিমাণ কি মাইনাস হয়েছে এই কথাটা জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে টাকা দিতে হবে ওখানে মিস কেস করা হয়েছে ওখানে দিতে হয়েছে বিশ হাজার টাকা
আমার একটি খতিয়ানে অনলাইনে এন্ট্রি দিতে গিয়ে অফিস থেকে ভূল করেছে সেই খতিয়ানটি undp থেকে সংশোধন করে তুলনাকাটীর আইডিতে প্রেরন করা হয় করার কিন্তু সেটা তুলনসকারীর আইডিতে ঝুলে থাকে আমি খতিয়ানটি ছারানোর জন্য গেলে আমার কাছে ২৫০০০/ টাকা দাবী করে অথচ ১ মিনিটেরও কাজ না।।
চরফ্যাশন কোটে আমার একটি জমি সংক্রান্ত মামলা করেছিলাম কোর্ট থেকে আদেশ জারি করা হয়েছিলে এক মাসের মধ্যে জমি দলিল অনুযায়ী রিপোর্ট কোর্টে পেশ করার জন্য কিন্তু চরফ্যাশনের সরকারী সার্ভেয়া উক্ত জমি মাপায় বিলম্ব করেন। পরে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উক্ত কাজের ক্ষেত্রে আমার কাছ থেকে ২০০০০টাকা দাবি করেন। আমি টাকা না দেওয়ায় তিনি উক্ত জমি আর মাপতে যান নি। অপর পক্ষের থেকে টাকা খেয়ে তাদের পক্ষে রিপোর্ট করেন। চরফ্যাশন ভূমি অফিসে টাকার বিরাট বানিজ্য হয়। উক্ত ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কর্মকর্তারা কিছুিই বুঝেন না। যে খানে যাই সেখানেই টাকা দাবি করে। না দিলে কাজের ক্ষেত্রে কালক্ষেপন করে। সাধারন ভূক্ত ভুগী মানুষ এই সব কর্মকর্তাদের কারনে অতিষ্ট।
আলিগঞ্জ মৌজায় জরিপের কারণে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে আমি আমার কয়টি তো জমির বিডিএস জরিপে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে আমার সকল ডকুমেন্ট জমা দিন কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাদের ৪০০০ টাকা বলা হয় এর বিনিময়ে বিডিএস জরিপের সংশোধন করে দেওয়া হবে এবং আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা প্রদান করি
২০০৭ সালে আমার বাবা মারা যায় তখন আমি ছোট। তখন আমাদের এলাকায় ভূমি পর্চা কাজ চলমান থাকে আমাদের পরিবারের আর কেউ না থাকায় আমরা সেটা পর্চা করতে পারেনি বা অবহেলার কারণে বা কোন কারণেই হোক আমরা সেটা করিনি। এখন আমি পড়ালেখা শেষ করেছি আমি এখন মোটামুটি জমি সংক্রান্ত ভালো বুঝি এখন দেখতেছি আমাদের এই জমিটা পর্চা করা হয়নি যার কারণে আমি আটোয়ারী থানা সেটেলমেন্ট অফিস যাই এবং সেখানে এই বিষয়টা খুলে বলি তখন তারা অনেকদিন আগের এটা এখন করা যাবে না যদি আপনি করেন তাহলে বারো হাজার টাকা লাগবে অথবা না হলে আপনি দিনাজপুরে যায় মামলা করেন। অবশ্য বারো হাজার টাকা সরাসরি অফিসাররা চায়নি তাদের যে প্রিয়ন্ডরা আছে তারা তাদের দ্বারা বলে তাদের সাথে আমি তখন যোগাযোগ করে ১২০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং তারা কাজটা পাঁচ মিনিটে করে দ
আমার বাইপাইল মৌজায় কয়েক শতক জমি আছে উহার বি এস নাম জারি ও খাজনা দেওয়া দরকার তাই ঘোড়াপীর তৌশীল অফিসে গেলাম তারপর তাদের কথা নাম জারি করতে ঐ টাকা লাগবে এসিল্যান্ড স্যার টাকা ছারা কাজ করে না।
গাছা ভূমি অফিস, গাজীপুর অফিসে অনলাইনে আবেদন করে জমি খারিজ করতে গেছিলাম ৮ শতক জায়গার। ভূমি অফিসের এক লোক আবেদনের কাগজ পত্র বের করে দেখে ১,০০০০০ টাকা দাবি করে। অনুনয়বিনয় করলে ৬০০০০ হাজার বলে যা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিলো না, যার কারণে বাধ্য হয়ে চলে আসি। আজ ৮-৯ মাস হয়ে গেলো আমার খারিজ করতে অসস্তি লাগছে।
Kroy kora jomir Nam-Jari korar jonne register officer er ghush khor officer amar ammu er kache 50000 taka dabi kore onnothay tara ata aager maliker name record kore diben bole voy prodan kore. baddho hoye amar ammu oi dabi kora taka diye asye.
জমি নাম জারি করার আবেদন করার পর আবেদন গ্রহণ করেনা বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল
জমির সকল কাগজাদি ঠিক থাকার পরও সার্ভেয়ারের কাছে স্ট্রেসম্যাপ চাইলে উনি খরচাপাতি বাবদ টাকা চেয়েছেন।
namjari fee 1100 tk. amr kase thake nisa 9000 tk