নামজারি
নামজারির আবেদন করেও কাজ হচ্ছিল না ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। পরে পরিচিত একজন কে সাথে নিয়ে গেলে তিনি জানান 5000 টাকা দিলেই 5 দিনেই কাজ হবে। টাকা দেওয়ার পরে 5 দিনেই তা হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারির আবেদন করেও কাজ হচ্ছিল না ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। পরে পরিচিত একজন কে সাথে নিয়ে গেলে তিনি জানান 5000 টাকা দিলেই 5 দিনেই কাজ হবে। টাকা দেওয়ার পরে 5 দিনেই তা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার না থাকায় সার্ভেয়ার ডিমার্কেশন এর আবেদন গ্রহণ করবেন না। আবেদনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি নৈশ্যপ্রহরীর সাথে কথা বলতে বললেন। নৈশ্য প্রহরী সকল ডকুমেন্ট দেখে বললেন অনেক ঝামেলার কাজ। আবেদন হয় নাই, আবার লিখতে হবে খরচও আছে। পরে আলোচনা আর কাজ দেখে কমানো যাবে।
জমির নামজারি করার জন্য
টাকাটি পরিশোধ করার পর অল্প দিনের মধ্যেই আমার কাগজপত্র রেডি হয়ে যায় এবং আমি সেটা হাতে পেয়ে যাই।
মানিকগঞ্জ, দৌলতপুর থানার ধামশ্বর ইউনিয়নে ভুমির নামজারি করার জন্য
জমির নামজারী করা। সরকারি খরচ মাত্র ১১০০ টাকা।
আমার বাবার নামে একটি ফ্লাট এর খতিয়ান রেকর্ড তুলতে গেলে, এবং একটি কপি চাইলে দীর্ঘ তিন মাস টালবাহানা করে এই টাকা দাবি করে।আমি ইতালি প্রবাসী। বাবার মৃত্যুর পর ঐ ফ্লাটের দলিল না পেয়ে বাধ্য হয়ে এই টাকা দিয়ে দলিল তুলি।
আলিগঞ্জ মৌজায় জরিপের কারণে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে আমি আমার কয়টি তো জমির বিডিএস জরিপে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে আমার সকল ডকুমেন্ট জমা দিন কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাদের ৪০০০ টাকা বলা হয় এর বিনিময়ে বিডিএস জরিপের সংশোধন করে দেওয়া হবে এবং আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা প্রদান করি
আমি জমির খাজনা মিটিয়ে মিউটিশন করতে গিয়েছিলাম,তারা বললো ৭৫০০ টাকা খরচ হবে।আর যদি ১৫ দিনের মধ্যে করে দেয় তাহলে ২৫০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হবে।
আমি খাজনা যে নাম্বার পরিশোধ করি সেই নাম্বার ভুলে গিয়েছিলাম। সেই নাম্বার রেব করার জন্য ১00 টাকা নিয়েছে।
জমির নামজারি খারিজ করার জন্য জমা করি সরকারি ফি থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়।
টাকা না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়েছে যেই টাকা দিয়েছি সাব সমাধান হয়েছে
আমার ফ্ল্যাটটি ভূমি অফিসে রেকর্ড আছে কিনা যাচাই করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ডিসি অফিস থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আমি রাগা রাগি করে ৩০০০ টাকা দিয়ে ১সপ্তাহ ঘুরে রিপুর্ট নেই।
এটা হল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিস সেখানে আমি আমার নিজের জায়গার নামজারি করতে গিয়েছিলাম বিভিন্ন তারাভিবিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার ফাইল রিটার্ন করে দিত, এভাবে আমাকে প্রায় তিনবার আবেদন করতে হয়েছে তারপরও আমি নামজারি করতে পারিনি। একেক বার একেক সমস্যা দেখায়, পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারলাম যে এটা আমি নিজে করতে পারবো না দাঁডরাল ধরতে হবে তখন দালালের মাধ্যমে যে নাম জারি করতে ১১০০ টাকা লাগে ওই নাজারি করতে হয়েছে পনের হাজার টাকা দিয়ে আমি তো নিরুপায় কি করব নাম জারি আমার করতেই হবে তাই দিয়েছি। নাম জারি করার পর এখন খাজনা দিব আরেক সমস্যা খাজনা আমার আসছে ৯০০০ টাকা সেখানে তারা প্রায় আমার টাকার ৪গুন বারিয়ে জরিমানা লেখে রাখছে সবমিলিয়ে জরিমানা দিয়া দেখাইতেছে আমার ৩০ হাজার টাকা আসছে খাসনা, ওই খাজনাই দালালের
আমার পক্ষে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় থাকার পরও ভিপি কেসের নামজারি করাতে ৫০,০০০/ টাকা দাবি করেছে আমি দেইনি বলে নামজারি বাতিল করে দিয়েছে আর অন্য একজন ৪৯০০০/ টাকা দিয়েছে বলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
সরকারি জমি দখল মুক্ত করার জন্য তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এজন্য জমি পুনরায় পরিমাপের জন্য সার্ভেয়ার প্রেরন করা দরকার ছিল । আমি ঘুষ অপার করি নাই আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার সাহস তারা করে নাই । তবে তারা কোন রকমে বাধ্য হয়ে আমাকে সার্ভিস দিয়েছে কিন্তু অনেক ঘুরাইছে । একটি আধা ঘন্টার চিঠি ইস্যু করতে আড়াই মাস ঘুরাইছে
চুয়াডাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিসে খারিজ পাশ করাতে হলে নাজির কাম ক্যাশিয়ার কে গুনতে হয় সাধারন নামজারির জন্য ২৫০০ টাকা আর ওয়ারিশ সুত্রে বা ভায়া দলিল থকালে গুনতে হয় ৮০০০ টাকা ।। তানা হলে কেস পাস হয় না । পতি মাসে লাক লাক টাকা হাতিয়ে কিনছে গাড়ি , বাড়ি ও জমি ...
যিনি নাজির ওনার টেবিলে উনি থাকেন না উনার সহকারী দুজন থাকে তাদেরকে যদি বলা হয় আমার অনলাইনে ডিসিআর এর টাকা জমা দিয়েছি পূর্বের খতিয়ান থেকে নতুন খতিয়ানে জায়গার পরিমাণ কি মাইনাস হয়েছে এই কথাটা জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে টাকা দিতে হবে ওখানে মিস কেস করা হয়েছে ওখানে দিতে হয়েছে বিশ হাজার টাকা
মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত সরকার অধিগ্রহণকৃত সাইলো প্রকল্পের জমিতে আমাদের কিছু অংশ সরকার অতি গ্রহণ করে এবং তার বিনিময়ে মোট যে টাকা দেওয়ার কথা সেখান থেকে ডিসির অফিস প্রায় ১৫ পার্সেন্ট টাকার কেটে রাখে এবং সেই অফিসের অফিসার আমাদের কাছ থেকে উত্তর টাকায় গ্রহণের জন্য আরো ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। একরকম বাধ্য হয়েই সেই টাকা দিতে হয়।
২০০৭ সালে আমার বাবা মারা যায় তখন আমি ছোট। তখন আমাদের এলাকায় ভূমি পর্চা কাজ চলমান থাকে আমাদের পরিবারের আর কেউ না থাকায় আমরা সেটা পর্চা করতে পারেনি বা অবহেলার কারণে বা কোন কারণেই হোক আমরা সেটা করিনি। এখন আমি পড়ালেখা শেষ করেছি আমি এখন মোটামুটি জমি সংক্রান্ত ভালো বুঝি এখন দেখতেছি আমাদের এই জমিটা পর্চা করা হয়নি যার কারণে আমি আটোয়ারী থানা সেটেলমেন্ট অফিস যাই এবং সেখানে এই বিষয়টা খুলে বলি তখন তারা অনেকদিন আগের এটা এখন করা যাবে না যদি আপনি করেন তাহলে বারো হাজার টাকা লাগবে অথবা না হলে আপনি দিনাজপুরে যায় মামলা করেন। অবশ্য বারো হাজার টাকা সরাসরি অফিসাররা চায়নি তাদের যে প্রিয়ন্ডরা আছে তারা তাদের দ্বারা বলে তাদের সাথে আমি তখন যোগাযোগ করে ১২০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং তারা কাজটা পাঁচ মিনিটে করে দ