নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নামজাড়ি আবেদন করার পরো বার বার নামজারি বাতিল করে, আমার বৈধ দলিল থাকার পরো অন্য কিছু আসাধু ভূমি দস্যুদের সাথে মিলে বার বার আমার ৩০-৪০ বছরে ভুগদখলকৃত জমির নামজারি নিয়ে টালবাহানা করে টাকা ছারা এর সমাধান হয়না। যত দেওয়া হয় তত লাগে। শুধু আমি না এই গ্রামে ভুক্ত ভোগীর অভাবনেই। ভূমি অফিস মানে টাকা টাকা আর টাকা৷ গ্রামের সহজ সরল মানুষ কে বিভিন্ন ভাবে এরা প্রতারিত করে। কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও এরা বলে এই সমস্যা সেই সমস্য, এখানে টাকা লাগবে, সেখানে টাকা লাগবে এই সব করে গ্রামের মানুষের কাছথেকে টাকা নেয়, আর কেও একবার টাকা দিয়ে ফেললে তার কাছথেকে কৌশলে আরো টাকা নেওয়া শুরু করে।
নামজারি করার পর হোল্ডিং খুলার জন্য টাকা দাবি করে
নামজারি করিয়ে দিবে বলে টাকা নিয়ে প্রায় ৭ মাস ঘুরিয়ে ছিল পিয়ন। কাটগড়, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম এই এলাকায় ভূমি অফিস। এইখানে মানুষের কাছ হতে বিভিন্ন কাজে যেমন নামজারি, দাখিলা ইত্যাদি কাজের জন্য ঘুষ চাওয়া হয়।
নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে। ইউনিয়ন, উপজেলা অফিস, স্থানীয় পাতি নেতা সব মিলিয়ে ২০,০০০ টাকা।
আমি প্রত্যাখ্যান করেছি , তাই আমার কাজ বাতিল করে দিছে
প্রতিটি ভূমি অফিসে অতিরিক্ত ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা ছাড়া মিউটিশন করা হয় না। আপনি টাকা না দিলে আপনার কাজ সরকার নির্ধারিত খরচ অনুযায়ী হবে না। এইটা আমাদের সারা দেশের চিত্র।
আমি আমার পওিক৷ সম্পওি খারিজ করতে গেলে এই টাকা দাবি করে কিন্তু আমি অসম্মত থাকায় আমার ঐ খারিজ হয় নি৷
আমার নামে পৃথক খতিয়ান খোলার জন্য সার্ভেয়ার আমার কাছে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা দাবি করা করেছিল । পরবর্তীতে সর্বশেষ আমাকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, টাকা নেওয়ার পরও আমার কাজটি করে দেওয়া হয়নি।
আমি আমার দোকানের ৪৫ সেন্ট জায়গার খারিজ করার জন্য আবেদন করি,পরবর্তীতে আমাকে অনেক হয়রানি করে উপজেলা একদিন পর পর নিয়ে এই সমস্যা সেই সমস্যা। পরে আমি নিরুপায় হয়ে তাদের নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে।
অনলাইনে নামজারি আবেদনের পর কাগজপত্র, দলিল সহ অন্যান্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দিতে হয়। সেখানে নির্দিষ্ট অর্থ না দিলে সেটি এসিল্যান্ড অফিসে যায় না বা সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছে না অথবা বিভিন্ন অজুহাতে ক্যান্সেল করা হয়। খাজনা দিতে হলে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে তারা উল্টাপাল্টা অর্থ দাবি বা হয়রানি করে। নামজারি হয়ে গেলে হোল্ডিং খুলতেও এক হাজার টাকা নেয়া হয়।
হটাৎ আমাদের কিছু পুরাতন দলিল বাসায় খুঁজে না পেলে সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে গেলে সেখানকার রেকর্ড কিপার সুনির্দিষ্ট দলিলগুলোর সঠিক তথ্য আমাদের কাছে থাকার পরও আমার কাছে মোট চারটি দলিলের বিপরীতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। যা আমি পরবর্তীতে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা প্রদানের জন্য অনলাইনে খতিয়ান যোগ করার পর হোল্ডিং নম্বর অনুমোদনের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৩ টি খতিয়ানের জন্য ১৫০০ টাকা নেয় এবং রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিসে রেকর্ডের কারণীক ভুল সংশোধনের জন্য মিসকেস বাবদ সর্বমোট ৮০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে । ওখানে টাকা না দিলে কোন কাজ হয় না।
ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা খারিজ খতিয়ান করার জন্য 7000 টাকা দাবী করেন। সাব রেজিষ্টার সহ সবাই টাকার ভাগ নেয়। টাকাটা অফিসের পিয়নের মাধ্যমে চাওয়া হয় পরে তা দিতে বাধ্য হই।
ভূমি খারিজ করার জন্য নিয়েছে
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করার জন্য ঘস দাবি করা হয় এবং আমি সেটা পরিশোধ করি।
“আমি তল্লাশি দেওয়ার জন্য আবেদন/অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু আমার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।”
ভুলবসত আমার পৈত্রিক সম্পত্তি একই দাগে ভিপি হয়েছে। আমার অংশে ভিপি। আমার অংশে ভিপু নাই মর্মে একখানা প্রত্যায়ন এবং নামজারি মিউটেশনের জন্য ২০০০০ ঘুষ চেয়েছে। আমার কসজটি এখনো পেইন্ডিং আছে।
জায়গা জমি নাম জারি করতে জেয়ে ভুমি অফিস তারা টাকা দাবি করছে।
নাম জারি খতিয়ানের অনলাইন আবেদন ডৌহাখলা ভুমি অফিসে জমা দিয়ে ১ সপ্তাহ পর গত১৮ আগস্ট উপজেলা অফিসে গিয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে।অফিস সহায়ক আমাকে বলেন সার্ভার সমস্যা। জেলা অফিস থেকে করতে হবে। ৩ মাস সময় লাগবে। আমি জুরুরি বল্লে তখন তিনি বলেন তাহলে এটা ঢাকা মন্ত্রনালয় থেকে করে আনতে হবে।২০-২৫ দিন সময় লাগবে।অবশ্য তিনি তখন আমাকে বলেন তিনি এসি ল্যন্ড অফিসে আছেন। আমি গুরুত্ব দিলে তিনি প্রথমে ১২ হাজার টাকা দাবি করেন। এরপর ১০ হাজার। কিন্তু আমি রাজি হয়নি।
সেবা নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম,বলেছে কাগজে ঝামেলা, ওই লোকের সাথে কথা বলেন,লোক মানে দালাল। তো দালাল বলে টাকা পাবেন ১০ লক্ষ খরচ হবে ৪০ হাজার, রাজি থাকলে ১০ টাকা দেন বাকি কাজ শেষে নিবো।বা! কি কান্ড দুদিনেই কাজ ওকে