নামজারি বাতিলকরন
আমার জমি অন্য ব্যাক্তির নামে নামজারি হওয়ায়, নামজারি বাতিল আবেদন করি। আমার আবেদন দেড় বছর জুলে ছিল। পরে আমার কাছে ১০০০০ টাকা দিতে পারব কিনা জিজ্ঞেস করে। আমার কাছ থেকে আগে ২৫০০ টাকা নিয়েছে। ১০০০০ টাকা আমি আর দেই নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জমি অন্য ব্যাক্তির নামে নামজারি হওয়ায়, নামজারি বাতিল আবেদন করি। আমার আবেদন দেড় বছর জুলে ছিল। পরে আমার কাছে ১০০০০ টাকা দিতে পারব কিনা জিজ্ঞেস করে। আমার কাছ থেকে আগে ২৫০০ টাকা নিয়েছে। ১০০০০ টাকা আমি আর দেই নাই।
সরকারি ফি ১১০০। ঘুষ না দিলে নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল। ঘুস দিলে সমস্যা নেই।
আমি নামজারি করতে গেলে ওনারা অপারগত প্রকাশ করে, পরে বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানের মাধ্যমে ওনারা কথা বলে ১৫০০০ টাকার মধ্যে আমার নামজারি খারিজ করে দেয়,,
বাড়ি মিটার খাজনা দিতে গেলে এক লক্ষ টাকা খাজনা চায়। পরে বলে আপনি ৮০ হাজার টাকা দিবেন আমরা রশিদে কত টাকা তুলে তুলি। আপনার খাজনা পরিশোধ হলে হলো।
আমার দলিলে জমির পরিমাণ আছে ১.৭৫ একর কিন্তু ভূমি সার্ভেয়ার আমাকে পর্চা দিচ্ছে ১.৬৫ ,বাকি জমির পরিমাণ ঠিক করে চাইলে ২৯ ধারা করতে বলে ,আমি ২৯ ধারা করার পরে সার্ভেয়ার আমাকে বলে জমির পরিমাণ ঠিক আছে ম্যাপ ঠিক করতে হবে , ম্যাপে কম আছে , ম্যাপ পূণরায় করতে হবে এ বাবদ অনেক খরচ আছে,এই খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
আমার দুইটি দলিল ছিল ক্রয় কৃত জায়গার দুইটা দলিল একসাথে মিউটেশন করিয়ে দিবে এজন্য আমাকে বারো হাজার টাকা দিতে বলে আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে আসছি।
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম খারিজের জন্য 5000 টাকা চেয়েছে
ফাইল আটকে অর্থ দাবি। অন্যথায় নামজারি ফাইল বাতিল হবে
নামজারি করার কাগজপত্র সঠিক ছিল কিন্তু অনলাইন পিডিএফ করার সময় ক্রমিক অনুসারে ছিলনা এই অজুহাতে আমার আবেদন বাতিল করে। কিন্তু যখন আবার দশ হাজার টাকা ঘুষ দেই তখন আবার সবকিছু সঠিক হয়ে যায়। এবং আমার নামজারিও সম্পন্ন হয়ে যায়।
একাধিক বার ঘুরাতে থাকে,আজ হবে না অমুক দিন আসবেন। একপর্যায়ে বললাম সমস্যা কিসের, তখন নাস্তার টাকা দাবি করে ৩০০০ টাকা চেয়ে বসে পরে আলোচনা সাপেক্ষে ২০০০ টাকায় আমার কাজ করে।
আদালতে দেওয়ানী মামলা থাকা সত্ত্বেও।নায়েবের কাছে মামলার নথী দেওয়া আছে।এরপরওনায়েব সাহেব ৩০০০০ টাকা ঘুষ খেয়ে আমার বিববদীকে আমার ক্রয়কৃত ভূমির নামজারী করে দেয়।আমি গেলে বলে আপনি মিস কেইস দেন আমি ভেঙ্গে দিব।এতে করে আমাকে বিবাদীগণ আমার দখলকৃত ভূমি নামজারীর কারণে বেদখল দিতে চাইছে।ঘুষ নিয়ে নামজারী না করে দিলে আমাকে হয়রানী হতে হত না।আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সে এই কাজ করেছে।আমার কাছে প্রমাণ আছে সে যে ঘুষ নিয়েছে।
আমি আমার জমি খারিজ করতে গেলে ১০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হয়েছে। আমার খারিজ করা জরুরি প্রয়োজন ছিলো । না করে উপায় ছিলো না।
আমি জমি খারিজের জন্য আবেদন করি প্রথমে আমি ফাইল নিয়ে যাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তার কিছু দিন পর ফাইল চলে আসে উপজেলা( আড়াইহাজার উপজেলা) ভূমি অফিসে শুনানির জন্য তখন এখানকার এক কর্মচারী বলতেছে কি দিয়ে করাব টাকা দিয়ে নাকি এমনিতেই। এমনিতেই বলার পর এটার মধ্যে ভুল আছে আর নানান কিছু কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোন ভুলই ছিলনা। তখন আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার সাথে সাথেই আমার কাজ হয়ে গেছে।
আমি নিজে একজন সরকারি চাকরি করি ভূমি অফিসে।আমাদের অফিসে ক তফসিলের খারিজ করতে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নেয় উপরের বড় কর্তারা।বড় কর্তা হলো কানুনগো ও এসিল্যান্ড স্যার। টাকা দিলে কাজ হয়।না দিলে হয় না।যার দরকার সে এই পরিমান টাকা দিয়েই কাজ করায়।
খতিয়ানের জমি অন্যজনে নামজারি করে নেওয়ার কারনে মিসকেস না দিয়ে তাদেরকে এই টাকা পরিশোধ করলে তারা কাজটা করে দেয়।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করার পর নায়েব মহোদয় বললেন সর জমিনে গিয়ে দেখতে হবে ।কাগজপত্র সব যাচাই করতে হবে। সবকিছু বুঝতে হবে একটু দেরি হবে। কিছু খরচাপাতি আছে।
আমি আমার পৈতৃক ভুমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য গেলে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ৮ হাজার টাকার দাখিলা প্রদান করে।
অবৈধ ভাবে মাটি কেটে, বালু উত্তোলন করে বেশির ভাগ জমি নস্ট করা হয়েছে আমরা এর থেকে মুক্তি চাই
এটা বাংলাদেশের কমন সিনারিও এবং ৫০০০% সত্য ঘটনা, আমি অনেক জমিন খারিজ করেছি। খারিজের সরকারি যেই চালান বা জমা রশিদ প্রদান করে সেখানে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১১৭৫/- টাকা সরকারী ফি খাত ওয়ারী লিখে দেয় এবং এটাই সরকারী ফি, কিন্তু বাস্তবতা হলো ফি নেয় ৬০০০/- থেকে আনলেমিটেড। ২০১৭ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ভূমি অফিসে আমার কাছ থেকে ৬০০০/- টাকা নিচে কিন্তু রশিদ দিছে ১১৭৫/- কিছু বল্লে বলে খারিজ করাবেন আরো বলে এই টাকার ভাগ মন্ত্রী, ডিসি এসপি সবাই পায়। ২০২১ ফরিদগন্জের রামপুর বাজার ভূমি অফিসে আমার কাছে প্রতি খারিজের বিপরীতে নিচে ৬৫০০/- টাকা করে। আমার কাছে রশিদ গুলো আছে।
নামজারি ১১৭০ টাকা। অহেতুক হয়রানি করে, ১৫০০০ টাকা দাবি করে। অফিস কর্তা এবং সহকারী মজনু ঘুষের টাকা ছাড়া কোন কাজই করতে চায় না। এদের অত্যাচারে মানুষের করুণ দশা।