নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
1170 টাকা ফি 6000 টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে।
একটি মামলার পুনঃ তদন্তের জন্য আবেদন করেছিলাম লিখিতভাবে, ওরা অফিস করস বাবদ আমার কাছে একজন কর্মকর্তা ৪ হাজার টাকা চেয়েছে, আমি ২০০০ টাকা দিয়েছি। সার্বিয়ার তদন্ত করতে যাওয়ার আগে আমাকে জানাবে বলেছে ওই কর্মকর্তা।
ভূমি অফিসে একটি নামজারি/মিউটেশন করতে খরচ ১১৭০ টাকা । কিন্তু আমার কাছে তহশিলদার ৪০০০ টাকা দাবি করেছিল। আমি প্রথমে নিজে করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সেই আবেদনের কাগজ যখন ভেরিফিকেশনের জন্য ভূমি অফিসে যায় তখন সেখান থেকে কল করে দেখা করতে বলা হয়। আমি অফিসে গেলে বলে টাকা না দিলে কাগজ পাশ হবে না। অথচ আমার সকল কাগজ সঠিক ছিল।
আমার গ্রামের 10 শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য কাগজপত্র নিয়ে আমার আত্মীয় কে অফিসে পাঠাই সেখানে কাগজের বিভিন্ন ভুলত্রুটি অহেতুক উল্লেখ করে ১২০০০ টাকা দাবি করে ।12000টাকা না দিলে কোন ভাবেই খারিজ করা সম্ভব না ।অনেক ঘোরাঘুরির পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। দুই মাস ধরে অনুরোধ করছি ঘোষ ছাড়া ঐ অফিসে কোন কাজ হয় না আমার জানা মতে
জমির খাজনা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দিতে গেল ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করে, যেটা দিতে অসীকৃতি জানালে আমাদের সেবা প্রদানে অসহায়তা করে।
অন লাইনে আবেদন করে অনেক চেষ্টা করেছি ঘুষ ছাড়া নামজারি করার কিন্তু এসি ল্যান্ড কে দিতে হবে বলে টাকা গুলো নিয়েছে।
আমি নিজে অনলাইনে একটি নামজারি আবেদন করি। আবেদন করার সময় এই সেক্টরেই চাকরি করে এমন একজন বন্ধুর সহযোগীতা নিই। মানে আবেদনে কোন ভুল নেই। যেসব ডকুমেন্টস স্ক্যান করে দেওয়া হয়েছে তার ফটোকপি নাকি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দেওয়া লাগে। যাবতীয় নথি নিয়ে অফিসে যাই এবংবন্ধুর পরিচয় দিয়ে আমার আবেদনে বিভিন্ন দাগের জমি থেকে যে সব জমি আমি চাচ্ছি বা পাবো কিনা তা যাচাই করি। তারাও বলে আবেদন সম্পূর্ণ ঠিক আছে । পরে নথি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে যাই তখন তিনি সরাসরি বলে - “খরচপাতি দিতে হবে, আমরা না হয় এমনি এমনি ছেড়ে দিবো কিন্তু এসিল্যান্ড অফিসে টাকা না দিলে তারা এটা করবে না।” উপস্থিত আরও গ্রাহকদের কাছ থেকে জানলাম তারাও টাকা দিয়ে কাজ করাচ্ছে। আমি DCR বাবদ ১১০০ জমা দিবো এবং আর তাকে ৪০০০/- দিয়ে চুক্তি করি।
জমি খারজ। সরকারি খরচ ১২০০। চেয়েছিল ১০০০০।
তহশিলদার জমি নামজারি অনুমোদন করতে গেলেই টাকা চান। না দিলে ভুয়া প্রতিবেদন দেন৷
নামজারি করতে ৭০০০ টাকা দিতে হবে না হয় হবে না।
Ac land k টাকা দিতে হবে।উনি টাকা ছাড়া নামজরি ফাইল ধরে না।
রাষ্ট্র চালাতে বাটপারি, দুর্নীতি এবং অনিয়ম বন্ধ করতে হলে রাষ্ট্রে সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমি ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম ডি সি আর খাজনা পরিশোধের জন্য. আমাকে টাকা 5000 ঘুষ চাওয়া হয়েছে শুদু এপ্লিকেশন করার জন্য ! পরবর্তী 2মাস আমি বার বার অফিসিয়াল চেষ্টা করেও উপায় না পেয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি ! এইটা অন্যায় ! এভাবে রাষ্ট্র চলতে পারেনা !
আমার দলিল ৬৩ সালের বাদ দিয়ে ৭৯ সালের দলিল প্রদান করে রিপোর্ট আমার বিরুদ্ধে দেন।একজন সচিব এর +সুচুকে।আমি ১০০০০ হাজার দেই লিগেল পাওয়ার জন্য কিন্তু প্রতিপক্ষ বেসি টাকার আর পাওয়ারে বলে উলটা রিপোর্ট দেয় এছিলেন্ট।পরে যোগাযোগ করি এছিলেন্ট বলে সচিব এর চাপে দিছে ইত্যাদি।আজ টাকার কাছে নেয় বিচার জিম্মি অসহায়।
জমির জমা খারিজ করার জন্য টাকা চাওয়া হয়, না দিলে কাজ রেখে দিবে বলা হয়। পরে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তারপর জমা খারিজ করে দিয়েছে।
আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি খতিয়ান ২৬ এবং ৬২ রেকর্ড আমাদের নামে ছিল কিন্তু ২০০০ সালে রেকর্ড অন্যদের নামে চলে যায় এই রেকর্ড সংশোধন করার জন্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে এখনো আমি রেকর্ড সংশোধন করতে পারি নাই জানি না ভবিষ্যতে পারবো কিনা। গত দুই মাস যাবৎ ঘুরতেছি শুধু বলতেছে হবে হবে কিন্তু এখনো হয় নাই। সরকারের এদিকে একটু নজর দেওয়া উচিত
ভৈরব ভূমি অফিসের সিএস ও এসএ খতিয়ানের দুটি করে চারটি মূল বইয়ের মধ্যে একটি করে বই দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের পর এগুলো চুরি/সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে জেলা প্রধান ভূমি অফিস, এমনকি দেশের প্রধান ভূমি অফিস ঢাকা তে ও নথি পাওয়া যায় না। আরও অভিযোগ রয়েছে, ভৈরব ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে ওই নিখোঁজ নথি থেকে কপি দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নথি উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার উপার্জন চলমান প্রক্রিয়ায় করে যাচ্ছে এই অসাধুচক্র। এবং এই ভোগান্তি দীর্ঘদিনের নয় দীর্ঘ বছরের।
জমি নামজারি কারতে গেলে তারা বলে দলিলে হাল দাগ উল্লেখ নাই তাই নাম জারি হবে না। কিন্তু ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে ১ দিনের ভিতর করে দিবে।
ভুল মনগরা কথা বলে,,জমির সবকিছু ঠিক থাকার পরও সার্ভেয়ারকে দিয়ে স্ক্যাচ ম্যাপ বানাতে বলে,,,নায়েবদের এজেন্ট এসব সার্ভেয়ার,,,তাদের স্ক্যাচম্যাপ ছাড়া তারা নামজারী করেনা,,,এরা টাকা নেয় নামজারী করার জন্য,,,নায়েবরা নামজারী করতে বহু টাকা দাবি করে,,,নইলে বিআরএস রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও জমি হয়ে খাস জমি,,,সাবেক খাস জমি ইত্যাদি ইত্যাদি,,,,উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার উচিত এসব বিবেচনা করা,, নামজারীর সরাসরি শুনানী গ্রহন ব্যতীত নামজারী অনুমোদন না করা
আমার দলিল হয়েছে কিন্তু নামজারি করতে দিয়েছিলাম ৬৫০০ টাকা তারপর ভূমি কর্মকর্তা নামের গরমিল আছে বলে সেটি ঠিক করাতে টাকা চেয়েছে। তখন আমি বললাম নামের ভূলের বিষয়টি পৌরসভা অফিস থেকে প্রত্যয়ন দেওয়া হয়েছে এবং দলিল ও করা হয়েছে আমাকে সেই নামে ই আপনি নামজারি দিবেন এতে আপত্তি কোথায় কিন্তু উনি সেটা করেননি। আমাকে ৬৫০০ টাকার পরিবর্তে ৫৫০০ টাকা রিটার্ন দিয়েছেন। বাকি ১ হাজার আবেদনে খরচ হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙস্রী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মৌজায় একটি জমি ১৯ শতাংশ ১৯৬৭ সনে সরকার নিলামে একজন ক্রেতাকে বিক্রি করে। তখন থেকে ৪৯ বছর ক্রেতার নামে নামজারি ও তার ভোগ দখলেই ছিল জমিটি। হঠাৎ ২০২৫ সনে দেখা গেল ভূমি অফিস থেকে অন্য দুইজনের নামে এই জমি থেকে ৫ শতাংশ নামজারি করে দেয়া হয়েছে। ১৯৬৭ সনে যিনি নিলাম সূত্রে জমির মালিক হয়েছেন তাকে শুনানিতেও ডাকা হয়নি। এর বিরুদ্ধে ১৫০ ধারায় মিস কেস করতে গেলে ভোগান্তির শেষ নেই।