ল্যান্ড একুজিশনের টাকা নেওয়া
চট্টগ্রাম টু ঢাকা তেলের পাইপ লাইন যাওয়াতে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল। অধিগ্রহণ এর টাকা ফেরত নিতে হলে ৫% টাকা জমা দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম টু ঢাকা তেলের পাইপ লাইন যাওয়াতে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল। অধিগ্রহণ এর টাকা ফেরত নিতে হলে ৫% টাকা জমা দিতে হবে।
জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে খতিয়ান দেখে বলে অনলাইনে আবেদন করেছেন? অনলাইনে আবেদন করেন, পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে। আমি তৎক্ষণাৎ মুঠো°ফোন দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারা বাতিল করে দেয়। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে বলে, খতিয়ানে যাদের নাম আছে সকালের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। যেদিন মৃত হয় তাহলে তাদের ওয়ারিশান সনদ লাগবে এবং সকল ওয়ারিশদের পেন আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। প্রতিউত্তরে আমি তাদের বলেছি অনলাইনে আবেদন করার সময় খতিয়ানের আলোকচিত্র এবং খতিয়ানের যেকোনো এক অংশের মালিক চাইলে খাজনা পরিশোধ করতে পারবে পুরো খতিয়ানের।২৬ শতক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য অনুমোদন নিতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল, টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে দিয়েছে। আমি এ কাজের জন্য দুই বছর ঘুরেছি, প্রয়োজনীয়তায় হেরে
ভূমি কর্মকর্তা একজনের নিকট রেফার করে সে বলল আমরা এখানে চাকরি করি না আমাদের কিছু দিলে আমরা কাজ করে দেই।
মিউটিশনের জন্য টাকা দাবি করে অন্যথায় মিউটেশন করে দিবে না। বাধ্য হয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেই। দুই দিনেই কাজ করে দিয়েছে। অথচ এই কাজের জন্য দেড় মাস ভূমি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করেছি। নন্দীপাড়া ভুমি অফিস শাহজাহান পুর।
জায়গা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে নামজারি করার জন্য চাওয়া হয়। টাকার দরকার ছিল... আবার বিভিন্নভাবে ভিতি প্রদর্শন.. এক কথায় অপারগ
আমার দলিলে দাগ নাম্বার আর খতিয়ানের দাগ নাম্বার ভুল ছিলো। এটার জন্য আমাকে কমপ্লেইন করতে হবে ভূমি অফিসে। আমি তার জন্য এপ্লিকেশন করছি কিন্তু আমার এই ফাইল টেবিলে টেবিলে সিগনেচার এর জন্য এবং ইনকোয়ারির জন্য পদে পদে ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপর ও আমার কাজটা এখনো সমাধান হয়নি। এখনো জুলে আছে।
জমি রেজিস্ট্রার এর কাজে প্রতিটা টেবিলের জন্য ২৫০০ টাকা করে রাখালাগে টাকা না দিলে ফাইল ছুরে মারছিলো
জমির নামজারি বা মিউটেশন করার জন্য মোট চার বার অনলাইনে আবেদন করতে হয়েছে। কোন অবস্থাতেই তারা ঘুষ ছাড়া করে দিবে না। প্রত্যেকটা ফাইলে তাদের গোপন চিহ্ন থাকে যদি ওটা কোন দালালের মাধ্যমে অথবা তাদের কোন লোকের মাধ্যমে আসে তাহলে ওটা সাথে সাথে করে দিব অর্থাৎ ওই টাকাটা ওনারা পেয়ে গেছে হিসেবে। হঠাৎ করে ভাগ বাটোয়ারা হবে। আর যদি কোন ফাইলে চিহ্ন না থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাতে তারা এটাকে বাদ করে দিবে। আমারটার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে সেটা হলো আগের মিউটেশন এর কাগজ দেখে বলতেছে এটা জাল সিগনেচার। টাকা দেওয়ার পরে একই মিউটেশনের কাগজ দিয়ে কাজ হয়েছে। টাকা ছাড়া কোনভাবেই কাজ করানো সম্ভব না ।অনেক চেষ্টা করেছি। হয় নি।
নামজারির আবেদন করা হয়েছিল। উল্লেখিত অর্থ প্রদান না করলে কাজ করতে অনেক বিলম্ব হয়। এমনকি ফাইল বাতিল করা হয়।
জমি দলিল করতে ১৩ হাজার টাকার বেশি নিচে
যেকোনো নামজারি করতে গেলে ৭ হাজার টাকা নিচে কোন নাম জারি হয় না কিংবা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সেটাকে অ্যাপ্লিকেশন একসেপ্ট করে না।
আমার বাবার ক্রয়করা জমি তার নামে নামজারি করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। সকল কাগজ ঠিক থাকার পরেও সরকারি ফি সহ ২১০০০ টাকা দাবি করে।পরে অনেক অনুরোধে ১৭০০০ টাকা দিবো বলে ফাইল দিয়ে আসি। ৫০০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে আসছি আজকে তিন মাস হলো এখনো নামজারির জন্য আবেদন করে নি। অনেক বার তাকে ফোন দিয়ে অনুরোধ করেছি ফাইল প্রসেস করতে কিন্তু হবে হবে বলে হচ্ছে না!
নামজারি করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু জানতাম না টাকা ছাড়া কোন কাজ সফলভাবে হয় না। পরবর্তীতে আমার কাজটি নিয়ে গড়িমসি শুরু হল। প্রথমবার আমার নামজারি আবেদনটি দুই মাস দৌড়াদৌড়ির পর বিনা কারণে বাতিল করে দিল। পরবর্তীতে আবার আবেদন করলাম। এইবারও ঠিক আগের মতন গড়িমসি শুরু হলো। পরে জানলাম টাকা ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমিও নাছোড়বান্দা। টাকা দিয়ে কোন কাজ করতে রাজি নই। এভাবে আমার দৌড়াদৌড়ি চলতেই থাকলো।
আমার আব্বা আমাকে একটি হেবা দলিল করে দিয়েছে এ দলিলটা আমার নামে খারিজ করতে গিয়ে 5000 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
নাম খারিজ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোবাইল করে দুই হাজার টাকা দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে তার দেওয়া বিকাশ নাম্বারে ১০০০ টাকা প্রদান করি।
Basay bose koyek bar try korecilam but reject kore dey. Tarpore physically narayanganj kashipur vhumi office a jai, officer kothai bolar sujog na diye bole online kore niye asen. Online korar jonno dokaner lok amake niye gelen, mone korecilam 1170 taka goverment rate er kaj somponno korte sobmiliye 2500-3000 khoroch hote pare but dokani 80000 taka khoroch lagbe bole den. Onekkhon alap kore jante chesta korlam, tini bolen boro sir sotoke 10000 taka niben, aro officer der miliye 5000-7000 taka nibe, baki ta onar.
ভুমি রেকর্ডের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে বসুরহাট ভুমি অফিস,, আমাদের যৌথ এবং একক মালিকানা মিলে প্রায় ৩৫ টি পর্চা মাঠ থেকে শেষ পর্যন্ত ৬০০০০০ লক্ষ টাকার অধিক খরচ হয়েছে,,,,
খতিয়ান তুলতে অতিরিক্ত টাকা লাগছে।
amar babar name ekta bari ase. sei barita ami sale korbo babar onumoti niye.dekhi mutation kora kagbe housing office theke. jodio govt land office theke mutation kora ase.ami sokol kagoj joma dilam. ghurte thaklam 3 mas. tarpor ek lok marfot janlam pocket money na dile kaj hobe na. manage korlam lok, takao dila. 6 mas jabar por bollo exchain mane khalishpur housing office er head of land office 4 lac dite hobe. amitaka dite na parai kajti ekhono hang hoye ase.ekhono ami nije kagoj niye jatayet kortesi mutation korte. already 12 months gone.still not yet mutation done.
জেলা পরিষদে নামজারি ফাইল আটকিয়ে রাখে বিগত ৬ মাস যাবৎ, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করার কারণে। নিজের প্রয়োজনে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করি তারপর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ফাইল পৌঁছে যাবে এবং কোনো সমস্যা হবে না