জায়গার নকল তুলতে
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
আমার একটা জমি একজনের সাথে রেওয়াজ বদল ছিল কিছুদিন আগে জমিটা আমরা উনার জমি ওনাকে যাইতে বলি এবং আমাদের জমিতে আমরা আসি উনি দুইটা জমিয়ে উনার নামে নাম জারি করে রেখেছে, এখন ওই নাম কাটাইতে দিনাজপুর জেলা ভূমি অফিসে কেস ফাইল করা হয় পরবর্তীতে কেজের রায় দেয় ওই কেজের রায় নিতে জেলার রেজিস্টার জেলা সাফ অফিসে পাঠায়, ওখানে এক কর্মচারী কপিটা দিতে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ চায় পরবর্তীতে কয়েক দিন ঘুরার পরে অনেক বলা ধরার পরে শেষে ৫০ হাজারে আসে আটকে। ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে উনি কেজের কপিটা দিবে এমতাবস্থায় বিভিন্ন জনের কাছে শরণাপন্ন হই কিন্তু কোন লাভ হয়নি ব্যাপারটা এই অবস্থায় আছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার সকল ভূমি অফিসে অকল্পনীয় দূর্নীতি হয়। আমি জমি খতিয়ান মানে খারিজ করতে গেলে ৯০০০ টাকা দাবি করে পরে আমি নিজেই আবেদন করি, সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলেও ভূমি অফিস তা বাতিল করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে।
নাম খারিজ করতে গিয়ে এই টাকাটা দিতে হয়েছিল।
আমার একটা ৫৭ শতকের জমি রেওয়াজ বদল খেতাম। আমার বদলের জমি দুইটাই বাদীপক্ষ তার নামে নাম জারি করে রাখে সেটা দিনাজপুর সদর ভূমি অফিসে কেস দাখিল করলে রায় দেয় নাম পরিবর্তনের জন্য সেই কাগজটা আবার সাব অফিসে উত্তোলনের জন্য প্রেরণ করে সেখানে প্রথমে এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়, পরবর্তীতে সে অফিসে একজন কর্মকর্তারপ সাথে কয়েক দফায় অনুরোধ করার পরে ৫০ হাজারে কাগজ দিতে রাজি হয়। ৫০ হাজার টাকা দিলে উনি কাগজটা দিবে। এমত অবস্থায় আমার বাবা অনেক কয়েকজন আকার শরণাপন্ন হয় কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
I applied for our family land mutation on behalf of my family. All documents attached on the land website. When I contact the surveyor for completing the mutation work, he asked me to provide him 100000tk. First I'm trying to negotiate his asking amount and he strick on the mentioned amount. Later, I don't contact with him and he refused the application by writing a false statement. Also, I have all land tax submission bill (Dakhila) till 2020. I have the name, but I seems all stuff of Batiyaghata Land office are fully or partially corrupted. If you have the authority to take action on them, please do the needful as your earliest.
আমি আমার বিআরএস খতিয়ানের 'নবাব স্টেট' রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য গিয়েছিলাম । কিন্তু এখানকার অফিস পিয়ন এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর সহায়ক আমার কাছে কাজ করে দেওয়ার কথা বলে প্রতিটি শতাংশ বা ডকুমেন্টের জন্য আলাদাভাবে ৪,০০০ টাকা করে ঘুষ দাবি করেছে। আমি অবাক হলাম যে সবাই দিচ্ছে এবং নিরুপায় হয়ে আমার ৪ শতাংশ জমির জন্য আমাকে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জায়গার লোকেশন : সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস ঢাকার হেমায়েতপুরের আলমনগর হাউজিং (সুগন্ধা হাউজিং) এলাকায় অবস্থিত।
প্রতিটি নামজারি বা মিউটেশন আবেদন এর জন্য দাবিকৃত ঘুষের অর্থ পরিশোধ করতে হয়। অনলাইন এ আবেদন করলেও আবেদন বাতিল হয়ে যায়। ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলেও হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাছাড়া মিউটেশন কাগজে ইচ্ছাকৃত ভুল করে দেয় এবং পুনরায় ঘুষ এর জন্য হয়রানি করে।
“মিউটেশন করতে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে ঝামেলা করে এবং হয়রানি করে। মিউটেশন আবেদন করেছি প্রায় 2 মাস এখনও সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে আটকে আছে। মিউটেশন করা খুব জরুরী, তদুপরি ঘুষ দেব না বিধায় ২ মাস থেকে সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে ফাইল আটকে আছে। সিচুয়েশন এমন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে মিউটেশন বা নামজারি করতে হবো তা না হলে কাজ হবেনা।”
“দাদ্রর মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ২৪ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ১২০০০ টাকা চায়। পরে ১০,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ৮০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেই । সময়টা তখন ২০২৬ সালের । জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয় । পরে নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।”
জমির নামজারি জন্য| আমি যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছিলাম তার ভাই আমার অংশ হতে ৪ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে নামজারি করে নিয়ে যায়| আমি বিদেশ থাকি বিদায় আমার ভাই কে ভূমি অফিসে পাঠিয়ে যোগাযোগ করি| প্রথম দিন কাগজ দেখে বলেছে আমার ৬ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মধ্যে আমি ২ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মালিক| পরে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে নেগুচিয়েশন করে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে নামজারি করে দেয়| তাও ১৫/২০ তাদের পিছনে ঘুরতে হয়েছিল|
আমরা এক ভাই এক বোন, বাবা ও মা মারা গিয়েছে এখন ভাই আমাকে সম্পত্তির ভাগ দেয়না , তাই আমি ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে অরিস নামা , আনআইডি সহ সকল পেপার জমা দিলে আমাদের দুইজনের (ভাই-বোন) নামে যৌথ নামজারি করতে ১ লক্ষ টাকা চায় যা ৮০ হাজার টাকায় হয়। কাজ হয়েছে।
ই নামজারি , নায়েব তার অফিস সহকারির মাধ্যমে ৬০০০০ টাকা দাবি করে পরে জা ২৫০০০ টাকায় করি। টাকা না দিলে কাজ হয় না
সেটেলমেন্ট জরিপ এর সময় আমাদের অংশ আরেকজনের নামে রেকর্ড করে দেয়। আজকে শুনানি ছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তা এই টাকা দাবি করে। তাই তাদেরকেই আবারও পর্চা দিয়ে দেয়।
আমি উপজেলা ভূমি অফিসে আমার জমি সংক্রান্ত সমস্যার জন্য ১৫০ করি। উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সেটা যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পাঠায়। কিন্তু ভূমি অফিসের নায়েব সেটা বিবাদী কে নোটিশ এবং রিপোর্ট প্রদানের জন্য প্রথমে ২৫০০ টাকা দাবি করে। সেটা আমরা পরিশোধ করি। কিন্তু দুই মাস পরে এসে আবারো ২০০০ টাকা দাবি করে। বর্তমানে সে অবস্থাতে আছে।
amar babar property amader name mutation korar jonno taka dabi kora hoeche,
পিতার মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ৬.২৫ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ৩০,০০০ টাকা চায়। পরে ২৫,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ২০,০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেয়ার কথা ছিল। সময়টা তখন ২০২৪ সালের জুন মাস। জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির সিলযুক্ত কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্ত ঐ সময়ে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছিল। পরবর্তীতে ৫ই আগস্টের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, ভুমি অফিসে গেলে বাকী ৫,০০০ টাকা চায়নি। নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।
নামজারি ফি ও এলআর ফান্ডে দিতে হবে। কাজ হয়নি। টাকাটাও ফেরত পাইনি।
গোপন জায়গায় সাক্ষাতে মৌখিকভাবে দাবী করে
জমির দলিল উঠানো তে সরকারি খরচের বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়।