Khotian
Bhumi office khotian dea jonno ghush azide
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Bhumi office khotian dea jonno ghush azide
জমি খারিজ করতে গেলে নায়েবসহ স্টাফ বিপুল পরিমান টাকা চায়। টাকা না দিলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও প্রস্তাব প্রেরন করে না এতে খারিজ বাতিল হয়ে যায়। বর্তমানে মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিচ্ছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে সমস্যা জনিত জমি খারিজ হয়ে যায়।
নামজারী করতে চাই কম্পিউটার দোকানে টাকা দিলে ফাইল পার হয়।সরাসরি করতে গেলে হয়রানি করে।
আমি একটি জমির অংশসহ ফ্ল্যাট ক্রয় করি। আমি অনলাইনে নামজারির আবেদন করি। কাগজপত্রের ফটোকপি নিয়ে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অফিসে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-র অফিসে গেলে কাগজপত্র এই অফিসে না ঐ অফিসে জমা দিতে হবে, এসব বলে ঘুরায়। পরে আমি ৩ ঘন্টা অফিস থেকে অফিসে ঘুরে শেষে জমা দিয়ে আসি। কিছুদিন পর দলিলে ভুল আছে বলে খারিজ নামঞ্জুর করে দেয়। অথচ একই দলিল শুধু নাম ঠিকানা পালটে প্রায় ২০ জনে আলাদা আলাদা ফ্ল্যাট কিনে এবং অনেকেই নামজারি করে নিয়েছে। পরে আমি শুনলাম টাকা ছাড়া আবেদন করলে আ কার এ কার ভুল হয়েছে দেখিয়ে নামঞ্জুর করে দেয়। পরবর্তীতে এক দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে নামজারি করাই। কাগজপত্র সব একই কিন্তু এবার নামজারি হয়ে গিয়েছে। এসি ল্যান্ড থেকে পিয়ন পর্যন্ত কেউ ঘুষ ছাড়া কাজ করে না এখানে।
আমাদের জায়গার ভুমি কর ৪৯ বছর বকেয়া দেখাচ্ছে, অথচ আমরা ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রদান করা আছে, সেই তথ্যটা অনলাইনে আপ্লোড করছে না, সেখানকার তহসিলদার। বিভিন্নভাবে হয়রানিমুলক কথা বলছে
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
জমির ৩৬০ টাকা কর রশিদ দিয়েছে আমাকে , আর আমার কাছ থেকে ১৮০০০ টাকা নিয়েছে। সরকার পেলো ৩৬০ টাকা আর আমি দিলাম ১৮ হাজার। তাও নিতে চায়নি, বড় স্যার রাগ করেছে এত কম টাকা নেয়াতে।
tax aar tk, pore online check kori only 20tk need
আমি আমার আব্বুর ও চাচুর নামে জমি অনলাইনে নামজারি করতে দিয়েছি। কিন্তু ২০-২৫ দিন পার হওয়ার পরেও তারা উক্ত অনলাইনের আবেদন পেন্ডিং রেখে দিয়েছে। পরে গ্রামের কয়েকজন এর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে উক্ত কাগজ আবার উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দিতে হবে। তাই গেলাম দিতে। ওখানে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় অফিসের করনিক ২০০ টাকা চাই। আমি বললাম রসিদ দিন টাকা দেব। তখন তিনি বললেন রশিদ দেওয়া যাবে না। কি করবো শেষমেষ আমি টাকা দিতে বাধ্য হলাম। কারন ঐ দিন ছাড়া অন্যদিন কাগজ জমা দেওয়ার মতো সময় ছিলো না।কারন আমাকে ঢাকাতে ব্যাক করতে হবে। তাই ২০০ এর যায়গায় দরকশাকাশি করে ১০০ দিয়ে আসলাম।
২ টি নামজারী করতে এসিল্যান্ডের অফিস সহকারীকে দিতে হয়েছে ৩০০০০ টাকা ! দলিলে ছোট ২ টি ভুল থাকায় তিনি ঘুষ চেয়েছেন আমি ও বাধ্য হয়ে দিয়েছি / দিতে বাধ্য করা হয়েছে অন্য কোন উপায় নেই। নোটঃ দালাল ছাড়া আমি আগে নিজে আবেদন করি সরাসরি রিজেক্ট করে দেয় পরে একই আবেদন রিভিউ করে তারা নামজারী করে দেয়।
অসহায় একটি লোক জীবনের প্রথম ২ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছে। তিনি দিনে এনে দিনে খেতেন, এমন অবস্থা আরকি। তার একটি নামজারির আবেদন করার পর, প্রথমে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তারা ৮ হাজার টাকা চায়। পরে তিনি নিজেকে গরিব ও অসহায় বলার পরও তারা বলে, "৫ হাজার দিতে হবে।" তাও না পারায় কর্মকর্তা বলেন, "আমি প্রস্তাব দিয়ে দেব, আমাকে ২ হাজার দেন; আর উপজেলা ভূমি অফিসে গেলে সেখানে আপনাদের দায়িত্ব।" কথাটি শুনে আমরা ভয় পেয়ে যাই। পরে বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা দিয়েই নামজারি সম্পন্ন করি।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য রাজউক অফিস থেকে আমার থেকে ১ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়।
একটা ঋণের জন্য তল্লাশ সনদ দরকার৷ গ্রাহক নিজে তুলতে গেলে ৫হাজার টাকা দাবী করে৷ পরে আমি নিজে বললাম, দাদা, তুলতে কতো টাকা লাগবে এটা তুলতে৷ বললো, ২৭০০ টাকা৷ পরে বিকাশে ২৫০০ দেয়ার পর হ্যাসেল ফ্রী ভাবে পেয়ে গেলাম৷ এক সপ্তাহ পর কল দিয়ে জানালো, দাদা রেডী 😃
৭০০০ টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদিত হবে না।প্রথমবার দেইনি এজন্য নামজারির আবেদন বাতিল করেছে।দ্বিতীয় বার চাহিদানুযায়ী টাকা দেবার পর অনুমোদন করেছে।
আমি একটি খারিজের জন্য পাকুন্দিয়া ভূমি অফিসে যায় । অনলাইন আবেদন করার পর নায়েব ও নাজির আমার কাছে 20000 টাকা দাবি করে । এই মহুর্তে খারিজটি জরুরি থাকায় বাধ্য হয়ে আমি পরিশোধ করি।
খারিজ করতে গিয়েছিলাম কাগজগুলো ছিল কিন্তু আমাদের করে দেয়নি উল্টো আরো বলে দিছে যদি টাকা না দেই তাহলে অন্যের নামে করে দিবে
আমার বাবার জমি কিনেছিল। কিন্তু সাথে সাথে নাম জারি করেনি। পরে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বের মালিক ধোকাবাজি করে তার নামে নামজারি করে রেখেছে। আমরা তা আমাদের নামে করতে চাইলে তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে আমাদেরকে তা করে দিতে অস্বিকার করে।
জরিপ বা রেকর্ড জমির সব কাগজ ঠিক আছে কিন্তু তারা টাকা ছাড়া রেকর্ড করে দিবে না। আর এস নকশায় আক্সগে ২০০ শতাংশ আছে। ২০ শতাংশ কম বিডিএস নকশা 180 শতাংশ বিশ শতাংশ নাই। বলে ২০ শতাংশ দিয়ে দিবে তারা টাকা চায় ১০ লক্ষ
amr nijar akta namjari kortay gacii thn ai taka lagsay.. Nah dilay nah ki hobay nha ki korbo badho hoi dia kaj korty hoisay.
আমি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ তারাব ভূমি অফিসে ২ শতক জমি খারিজ (নামজারি) করতে যাই। খারিজের সরকারি ফি মাত্র ১,৭০০-১,৮০০ টাকা হলেও ভূমি অফিস থেকে বলা হয়—২০ হাজার টাকা দিলে ১ মাসের মধ্যে খারিজ পাওয়া যাবে, আর না দিলে ৬ মাসেও পাওয়া যাবে না। বাধ্য হয়েই এই টাকা দিতে হয়।