১৫০ ধারার রেকর্ড ভাঙার আদেশ পেয়েছিলাম, সেটার কাগজপএ হাতে পেতে এবং রেকর্ড ভাঙার জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হ
১৫০ ধারা ভাঙার জন্য রায় পেয়েছিলাম, কিন্তু একজন অফিসার সেটা প্রায় ২ বছরেও রেকর্ড ভাঙার জন্য সাব অফিসে পাঠায় নাই। আমরা যাবো তাই অপেক্ষা করতে ছিলো,অবশেষে আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার বানাড়ী পাড়া ভূমি অফিসে গেলাম,রায়ের আদেশ কেন সাব অফিস চাখার গেল না জানতে চাইলাম, তিনি জানাতেই চারদিন আমাদের ঘুরালেন,তারপর তালাশির নামে টাকা নিলেন,তারপর রায়ের কপি দিতে টাকা চেয়ে নিলেন,কম হওয়াতে পুনরায় চাপদিয়ে টাকা নিলেন,তারপর ফটোকপি আর খাতায় লিখতে অফিস খরচ নিলেন,অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে রায়ের কপি হাতে পেলাম,রায়ের কপি নিয়ে গেলাম চাখার সাব অফিসে, অফিসারের সাথে কথা বললাম রায় ভেঙে লেখার জন্য কিন্তু কিছুতেই তিনি কাজটি টাকা ছাড়া করবেন না,অবশেষে তার নিম্নপর্যায়ের সহকারী কে ঘুষের পুরা টাকা দিয়েই রায় ভাঙতে হলো, মোট ঘুষ- প্রায় ৫০ হাজার