মামলার তারিখ জানতে
আমি মামলার তারিখ জানতে চাইছিলাম। তারা বলে এটা খোজে দেখতে হবে। পরে জানতে পারি টাকা দিলে তারিখ জানাবে। কিন্তু আমি টাকা দিতে ইচ্ছুক না। তাই তারিখ না জেনে ফেরত আসতে হল।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি মামলার তারিখ জানতে চাইছিলাম। তারা বলে এটা খোজে দেখতে হবে। পরে জানতে পারি টাকা দিলে তারিখ জানাবে। কিন্তু আমি টাকা দিতে ইচ্ছুক না। তাই তারিখ না জেনে ফেরত আসতে হল।
আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য অনলাইনে আবেধন করি।পরে থানা থেকে ফোন করে বলে ওনাদের সাথে দেখা করার জন্য।ওনারা আমাদের ২ জন থেকে ৬ হাজার টাকা দাবি করে।কিসের টাকা জিজ্ঞেস করলে বলে যাচাই বাছাই এর জন্য,বলছি এত টাকা নাই।পরে বলে যা আছে দিতে না হলে কাজ হবে না।পরে একজন থেকে ২হাজার করে ২ জন থেকে ৪ হাজার টাকা নে।
রাস্তায় একজন ভেন ওয়ালার সাথে অন্যায় হলে আমি প্রতিবাদ করায় আমার উপর মব হামলা হলে আমি জিডি করি। তদন্ত কর্মকর্তা জনাব কোতোয়ালি থানা তদন্তকে অনুরোধ করি। তিনি পাশের রুমে জিডি লিখতে পাঠায়। জিডি লেখক ব্যাক্তি আমাকে বলেন টাকা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাহয় নয়। পরে আমি আর কোন অগ্রগতি হয়নি।
বরিশালের উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক নাগরিক সনদ সহ সকল ধরনের সনদের জন্য অনলাইনের ফি জমা দেওয়ার পরেও অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে আদায় করে।
পুলিশ আমার ছোট ভাইকে কল করে এবং দেখা করে ৮০০ টাকা দাবি করে।
Amader Barir Meter e Bill Besi asto, Tai meter change er jonno Electricity office e application kori. Kintu tara ata onumudon na diye besh koyek mas jhuliye rakhe. Tader shate jugajug korle somoy lagbe bole gurai. Ses e dalal er maddome ghush diye Notun meter connect korate hoyeche.
I had a long pending FD as it matured long time ago and I was residing at Dhaka. I had to go to Chittagong Government Post Office (GPO) to collect the money from Dhaka. Understanding my scenario, they made the process more bureaucratic and asked for 5000 BDT to close the issue. I tried not giving the money, but it would have costed me more with the transportation and other cost (Dhaka-Ctg). Finally settled at 3000 BDT. Cash transaction took place at 11:45 am on 24th Aug,2026 at GPO.
আমি একজন প্রবাসী। দেশে যাওয়ার পর আমার এনআইডির খুব প্রয়োজন হয়, কারণ এনআইডি ছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছিলাম না। আমি নির্বাচন কমিশনের একটি অফিসে যাই। অফিসটি মতিঝিলে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের সামনে ছিল। সেখানে গিয়ে জানাই যে, আমি একজন প্রবাসী এবং এনআইডি করতে চাই। তখন অফিস থেকে আমাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়। আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করি। এর মধ্যে জন্মসনদ এবং পল্টন অফিস থেকে ১,০০০ টাকা দিয়ে সংগ্রহ করা জাতীয়তা সনদসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল। এসব কাগজপত্র নিয়ে আমি আবার নির্বাচন কমিশনের অফিসে যাই। আমার কাগজপত্র দেখার পর অফিসের একজন পিয়ন আমার কাছে ১০,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি বলি, আগে আমার কাজটি করে দিন, তারপর টাকা দেব। কিন্তু তিনি এতে রাজি হননি
২০২৪ সালে আমার স্মার্টফোনটি চুরি হয়ে যায়। তখন দৌলতপুর মডেল থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করতে যাই। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা খরচ চায়। আমি তখন জানতাম না যে জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। আমি টাকা পরিশোধ করে দেই। উনারা কোন আপডেট আমাকে জানায়নি। আমি কয়েকবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়েছি ফোনটি পাওয়া গিয়েছে কিনা।
উপজেলা প্রশাসন সাতকানিয়া'র কাছে একজন অসহায় মানুষের জন্য ডেউটিনের আবেদন করলে পাইয়ে দিবে বলে ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নে নাগরিক সনদ পত্র অনলাইনে আবেদন করা এবং সরকার কতৃক নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরেও ইউনিয়ন পরিষদে অতিরিক্ত টাকা আদার করে। টাকার পরিমাণ হয়তো কম -১০০ টাকা করে ২ টির জন্য ২০০ টাকা। কিন্তু এটা অন্যায়। এমন ধরনের যত সনদ আছে যেমন পারিবারিক, ওয়ারিশ, মৃত্যু, চারিত্রিক সনদ সকল ধরনের সনদের অনলাইনের ফি এর পরেও অতিরিক্ত টাকা আদায় করে।
একটি সরকারি চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা দিতে বাধ্য করেছিল দায়িত্বরত এসবি সদস্য। নিরুপায় হয়ে দিয়েছি৷ তাও হাজার খানেক। আমার সাথে অন্যরা ৫০০০ পর্যন্ত দিতে বাধ্য হয়েছে।
এমপিওভূক্ত মাদ্রাসার শিক্ষকের নামের একটা শব্দ সংশোধনের জন্য কাগজপত্রাদি জমা দিতে গেছিলাম মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে, নিউ বেইলি রোড। সেখানে উপর থেকে নিচ সব পজিশনেই ঘুষ চলে। টাকা ছাড়া কাগজ পর্যন্ত জমা নেয়না। আবেদনপত্র ও ডকুমেন্টস জমা নেয়ার জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। পিওন ও সেখানকার ডকুমেন্টস রিসিভার বলছে যে এই টাকা উপর স্যাররা নিতে বলেছে। টাকা না দিলে আবেদনপত্রটি পরবর্তী কার্যক্রমে গতিশীল করবেনা এই ভয়েই টাকা জমা দিতে হয়েছে।
বাসা বরাদ্দ কপি পৌছে দিতে চা বরাদ্দ নামে ঘুষ গ্রহন
আমি চাকুরী হতে অব্যাহতি নেই ২০১৭ সালে। তখন জিপি ফান্ড এর অর্থ চূড়ান্ত উত্তোলন করার সময় রাজনগর হিসাবরক্ষণ অফিসের কথা বলে আমার কাছ থেকে ৫০০০/- নেয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, রাজনগর এর একজন কর্মচারী।
nid কার্ড ঠিক করতে যারা টাকা দিচ্ছিল তাদের টা করে দিয়েছে। যারা দিচ্ছিল না তাদের টা করেনি। অনেক আগের ঘটনা
২ জন পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন করতে আসলে আমাদের পরিবারের ২ জনের জন্য ২০০০ টাকা এবং আরেকজনের বর্তমান ঠিকানা ভিন্ন থাকার পরেও পাসপোর্টের আবেদন করার সময় বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা একই দেওয়ার কারণে ২০০০ টাকা ঘুষ নেয়।
খতিয়ান উত্তলনের জন্য চাঁদপুর ডিসি অফিসের রেকর্ড ডিপার্টমেন্ট এ যাই, অফিসের বাইরে বসা কিছু টেবিল থেকে উচ্চমূল্যে আবেদন ফর্ম পুরন করি। জমা দেয়ার সময় বাইরে দেখি ৪/৫ জন লক চিৎকার করে যে ৬ মাস হয়েছে আবেদন করেছে এখন পাচ্ছে না কেন। আমাদের ধারনা এরা ওই অফিসের ভাড়া করা লোক। জমা দেয়ার সময় জিজ্ঞাসা করি যে তাড়াতাড়ি করা যাবে কিনা। উনারা ১২০০ টাকা দাবি করে এবং বলে যে নর্মাল প্রসেসে ৬/৭ মাস লাগবে খতিয়ান এর নকল তুলতে। পরে বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকা দিয়ে দি উনাদের এপ্লিকেশন এর ভিতরে।
He claim that I have to pay 100 taka for chairman certificate,however,notice board showed that for each certificate have to pay 50 taka
ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাজে বিলম্ব সার্ভার অফ বলে ২ মাস ৩মাস ঘুরানো