পারিবারিক সনদপত্র। ওয়ারিসনদপত্র। জন্ম নিবন্ধন
এক নং সিরাজ পুর ইউনিয়ন অফিসের সচিব এই টাকাটা আমার থেকে নিয়েছে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এক নং সিরাজ পুর ইউনিয়ন অফিসের সচিব এই টাকাটা আমার থেকে নিয়েছে।
আমিসহ আরো ১০ জন একসাথে ২০২৪ সালে দক্ষিন কোরিয়ার ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। কোরিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে প্রত্যেক চাকুরী প্রার্থীকে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে হবে। প্রত্যেকের নিজ জেলার সিভিল সার্জন সেটাকে অনুমোদন করবে। এবং কোন কোন টেস্ট করানো লাগবে সেটা বোয়েসেলের নোটিশে বলা ছিলো। আমরা সকল টেস্ট সম্পন্ন করে রিপোর্ট নিয়ে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গেলে উনার পিয়ন প্রত্যেকের কাছথেকে ৩,০০০ করে চায়। অথচ, সরকারি ফি-২৫০টাকা। যেহেতু, আমাদের এই রিপোর্ট সাবমিট করার লাস্ট ডেইট ছিলো তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে স্বাক্ষর নিতে হয়েছিলো। আর হ্যাঁ উনি আমাদের জেলার তৎকালীন সিভিল সার্জনের পিয়ন। মানে টাকাটা সিভিল সার্জনই নিয়েছিলো।
I am an Assistant Professor at a public university in Bangladesh. I received a fully funded PhD scholarship from Australia and therefore applied for study leave from my university. The university authorities approved my deputation leave after reviewing all the required documents. However, before I can travel abroad, the Ministry of Education must issue a Government Order (GO) based on the university's approval and supporting documents. The requirement for a GO is mainly an administrative procedure, as the university authorities are fully aware of the current circumstances of the respective teacher. I tried to collect it without money but failed.
মহামান্য হাইকোর্ট এর মেক্সিমাম কোর্টের কজ লিস্টে আনতে টাকা বানিজ্য হয়। যে বেশি টাকা দেয় তার মামলা আগে থাকে। এখানে টাকার কোন লিমিট নাই। এবং প্রতি মামলার আদেশ টাইপ করতে কম পক্ষে ৫শত দিতে হয়। এমনও হয় এক এক জন বিও প্রতিদিন ১ লক্ষ টাকার অধিক পকেটে ঢুকে।
সোনালী ব্যাংকে সঞ্চয়পত্রের মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে ওরা ফর্ম ফিলাপ করে ৩০০ টাকা চেয়ে নেয়। বলে স্ট্যাম্প লাগবে সেটার দাম। পড়ে দেখলাম এটা সামান্য একটা ফর্ম ছিলো যা কিনা ব্যংক থেকে ফ্রি তেই প্রোভাইড করে। ব্যাংকের কেরানী এই কাজ করেছিলো। ম্যানেজার রুমের পাশের চেয়ার।
স্টেম্প লাগবে বলে আমাদের থেকে ওরা ৩০০ টাকা দাবি করে। বলে সদর থেকে আনতে হবে নয়তো। টাকা দেবার পর দেখি এটা সামান্য একটা ফর্ম ছিলো যেটা তারা ফিলাপ করে দিয়েছে আর এই জন্য টাকা নিয়েছে।স্ট্যাম্প বলতে কিছু না। এই কাজ টা করেছে নড়িয়া শাখার সোনালি ব্যাংকের ম্যানেজারের রুমের পাশে বসা কেরানী লোকটা।
প্রতি বছর ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের জন্য চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ে ৫০০ টাকা ঘুস প্রদান করি।
সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার ম্যানেজার ঋণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নিজেকে 'এজিএম ম্যানেজার' পরিচয় দিয়ে তিনি গ্রাহক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দাম্ভিক ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমার নিজেরসহ অনেকের অভিজ্ঞতা হলো, অর্থ ছাড়া ঋণ অনুমোদন করা হয় না। একটি নির্দিষ্ট মহলের মাধ্যমে ঋণসংক্রান্ত কাজ ও অর্থ লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক লোনের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের হয়রানি ও তিরস্কার করা হয়। গ্রাহকদের সামনেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপমান করার ঘটনাও ঘটছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঋণ অনুমোদনের নথি, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সরকারি অফিসের কর্মচারী / কর্মকর্তা মিলে অল্প কিছু মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিতেছে। তার প্রতিকারের জন্য কোর্টে মামলা করতে চাওয়া। কিন্তু উক্ত মামলার বাদি সরকার হওয়ায় তা খারিজ করা। টাকা প্রদান করলে মামলা গ্রহণ করা হবে মর্মে তথ্য দেয়া। 😭
লাইসেন্স এর সরকারি ফি ২৫০০ টাকা। তারা প্রথম দিন ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তারাই সব কাজ করে দিবে এবং আমারও লাইসেন্সটি টেন্ডার জমা দেবার জন্য জরুরি দরকার ছিল তাই ২০ হাজারে রাজি হয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি। পরে তারা ফোন দিয়ে জানায় আপনি রপ্তানি করেন, কিন্তু আজ অবধি রপ্তানির জন্য লাইসেন্স নেননি। এটার জন্য ২৫ টাকা দিতে হবে এবং যত বছর যাবত ব্যবসা করছেন তত বছরের লাইসেন্স এর টাকা জরিমানা দিতে হবে। আমি তাদের বলছি এটি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয় তাহলে আমি কেন নিব। এটা না নিলে তারা আগেরটাও দিবেনা। তখন এডি সাহেব এসে বলে আমাদের আর ১০ হাজার টাকা দেন আর লাইসেন্স নিয়ে যান। ২৫০০ টাকার লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার দিতে হয়েছে। আর টেন্ডার ধরার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরে ২০-২৫ ঘুষ না দিলে টেন্ডার পাওয়া যায় না।
আমি সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সলঙ্গা জোনাল অফিসে ৫ কেভি ট্রান্সফরমারের জন্য আবেদন করি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করার পরও প্রায় ৩ মাস আবেদনটি পেন্ডিং রেখে পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। এরপর পুনরায় আবেদন করলে, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষ থেকে একজন দালালের মাধ্যমে আমার কাছে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই কর্মকর্তা আমাকে বলেন, “আমি অফিসে থাকাকালীন আপনার কোনো সংযোগ হবে না।” বিষয়টি তদন্ত করে ঘুষ দাবির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার বৈধ আবেদনটি বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ করছি।
পুলিশের SI আমার বাবার NID তে উনার নাম এবং আমার NID তে উনার নামের বানানে কার চিহ্ন না থাকা নিয়ে আমায় বলল যে এইসব ঠিক করতে টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে নামের বানান ভুল হিসেবে রিপোর্ট করে দিবে বলে থ্রেট দেয়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে আসি। এমন ৫০ জনের ভেরিফিকেশনে তিনি ডেকেছিলেন আমাদের মিরপুর থানায়।
সেবাটি ছিল মুক্তিযুদ্ধার ভাতার অ্যাকাউন্ট লাইফ ভ্যারিফিকেশন জন্য দাবি কৃত অর্থ ১০/১২ হাজার নিয়েছিল।
সাস্থ্য অধিদপ্তর এ — অফিস সহকারী ঘুষ দাবি করে একটা এপ্লিকেশন ফরোয়ার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চ্যায়ারম্যান একটি প্রত্যায়ন পত্র নিতে গেলে এই টাকা দাবি করে।
ফ্যাক্টরি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে চাইলে, লোকাল বিনপির চেয়ারম্যান বলেন সব মিলে ৭০ হাজার টাকা লাগবে গভর্নমেন্ট ফিস ছাড়া। ছোট্ট একটা ফ্যাক্টরি এত টাকা দিব, তাই এখন লাইসেন্স নবায়ন করিনাই। — Chairman Bhulta Union Parishad - [redacted]
মাল্টিন্যাশনাল একটা কোম্পানিতে জয়েন করার জন্য চারিত্রিক সনদ প্রয়োজন ছিল যেটা পুলিশ কর্তৃক দস্তখত করা হতে হবে। নিকটস্থ থানায় যাওয়ার পরে পুলিশ টাকা ছাড়া সাইন করবে না বলে জানিয়েছে। খুব আর্জেন্ট প্রয়োজন ছিল বলে উপায় না পেয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
কোম্পানির বাৎসরিক রিটার্ন ফাইল ( প্রতি টেবিলে) দিতে হয়। টেবিল সংখ্যা ৩ টি।
সৌদি প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় । যা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি সরকারি ফি ৫৩০০ টাকা । নানা নিয়ম করে শুধু মাত্র ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে বাড়তি ৫০০০ টাকা দিতে হয় নাহয় কাজ হবে না ।
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।