17,323 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বিগত ৬ বছর যাবত আমার ওয়াইফের এনআইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য ঘুষ দেইনি বলে এনআইডি কার্ড সংশোধন করে দেয়নি
২০২৩ সালে আমার দারিদ্রতার আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বায় মাতৃত্বকালীন সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল। ফরিদগঞ্জ থানা 15 নং রূপসা ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জহির এখনো পর্যন্ত আমার সেই ভাতার কার্ড চালু হয় নাই। সব সময় আশা দিয়ে যায় করে দেবে।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য বেসরকারি মালিকানাধীন সিএনজি ব্যবহার করা হলে এর জ্বালানি ও ভাড়া কে বহন করবে? 👉 দীর্ঘ সময় ধরে বিনা পারিশ্রমিকে গাড়ি ব্যবহার করার আইনগত বা প্রশাসনিক ভিত্তি কী? 👉 থানার রাতের টহল ও জরুরি সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য কি কোনো অনুমোদিত যানবাহন/বরাদ্দ বা সরকারি পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে? 👉 যদি স্থানীয় সিএনজি ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে তাদের যথাযথ ভাড়া ও জ্বালানি খরচ প্রদানের ব্যবস্থা কেন থাকবে না? এখানে মূল বিষয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করা নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো বেসরকারি গাড়ি ব্যবহার করা হলে তার যথাযথ নিয়ম, অনুমোদন, ব্যয়ভার ও চালকের ন্যায্য পাওনা সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। সিএনজি চালকরাও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে চান। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো পারিশ্রমিক বা জ্বালানি খরচ ছাড়া নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি দিয়ে রাতের সরকারি দায়িত্বে সহযোগিতা করা তাদের জন্যও একটি আর্থিক চাপ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান— বিষয়টি তদন্ত করে সিএনজি চালকদের বক্তব্য শোনা হোক, সরকারি কাজে বেসরকারি যানবাহন ব্যবহারের নিয়ম ও ব্যয়ভার স্পষ্ট করা হোক এবং একটি স্থায়ী ও ন্যায্য সমাধান দেওয়া হোক। সরকারি দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা থাকবে, তবে সেই সহযোগিতা যেন নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও ন্যায্য ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়—এটাই সিএনজি চালকদের দাবি। 🚖⚖️
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিল উত্তলন করতে গেলে, ইঞ্জিয়ার সাহেব গন ৫% হারে ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর করে না
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত দুই বছর আগে আমার বাবার মৃত্তুর সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধে জটিলতায় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন প্রনয়নে বিলম্বিত করে। আমি প্রত্যাখান করায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে। উল্লেখ্য আমার গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশ জারী করে। তারপরও কর্তৃপক্ষের আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ সম্পুর্ন অযৌক্তিক আপওি অর্থাৎ বিভাগীয় বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে আপওি দেয় এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে মর্মে কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে এবং কোন সুস্পষ্ট সুপারিশ করে নাই। দীর্ঘ ২ বছর ৫ মাসের অধিক সময় আমি পাওনা পাইনি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিওিতে আমি সকল দাপ্তরিক প্রমানক সহ কর্তৃপক্ষের নিকট এপর্যন্ত ৮টি আবেদন করেছি(সর্বশেষ ২৪.৮.২৬) ministry তেও জানিয়েছি। কমিটির আহবায়ক ইতোমধ্যে বদলী হয়েছেন।
আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।
আমি আমার বাবা-মায়ের জন্ম নিবেদন সংশোধন করতে গিয়েছি। প্রতিটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সরকারি ফি ১০০ টাকা কিন্তু সে প্রতিটি জন্ম নিবেদন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা রেখেছে। তাহলে দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমাকে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে যার মধ্যে ২০০ টাকা হলো সরকারি ফি আর ২০০ টাকা হল বাড়তি আদায়কৃত টাকা। আমার খুব ইমার্জেন্সি ছিল তাই আমাকে ৪০০ টাকা দিয়ে সেটি করিয়ে নিতে হয়েছে।
Payment against Solar Rooftop project in BREB, bill was submitted but file was hold by PD of BREB. PD of Renewable Energy Division of BREB and demanded 7 lac taka for file processing. It was paid and he processed 80% bill. For rest 20% bill he is claiming more ghush.
প্রতিবেশির সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ হলে পুলিশ ১৪০০০ টাকা আমাদের কে ভয় দেখিয়ে খায়। বলে নইলে আদালতে কাগজ যাবে। আপনাদের জেলে থাকতে হবে। সবই মিথ্যা।
চারিত্রিক সনদ ১০০, নাগরিকত্ব সনদ ১০০, একাধিক নামের সনদ ১০০, ফিস, না দিলে সেবা নাই। সব মিলিয়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু আগে লাগতো না সেবা ফ্রিতে পাওয়া যেত। কারন চকিদারী ট্যাক্স দিতাম সেবা নিতাম। এখন ট্যাক্স ও দেই সেবার ধরন অনুযায়ী টাকাও দেই।
প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৩% টাকা কেটে রাখে।ঘুষ বাবদ।
এখানে টাকা ছাড়া মামলা নেয় না । ওসি সাহেব আমার কথা শুনে এবং তদন্ত রিপোর্ট শুনে মামলা নিতে বললেও , এসআই রা টাকা ছাড়া মামলা নেয়া না ।
পোস্ট অফিস যেকোনো সেবা নিতে গেলেই টাকা লাগে যেমন সাধারণ সঞ্চয় পত্রের ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা লাগে, সঞ্চয় পত্রের মেইন কফি স্বাক্ষর কোথা থেকে গেল এক হাজার টাকা লাগে ,যদি কোন কারণবশত ভাঙতে চায় তাহলে আর্জেন্ট যদি টাকা লাগে দুই হাজার টাকা চায় না হলে ১৫ দিন ২০ দিন পরে দিবে বলে
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।
আমার বাবা ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে রিটায়ার্ড প্রাপ্ত হন তো তখন আমাদের কাছে এক ব্যাক্তি ফোন দিয়ে আমাদের কাছে পেনসন এর টাকার কথা বললো এবং কত টাকা দিতে হবে সেটা বললো সভাবতই আমাদের বাবা ভিতু মানুষ কোন কিছু না বলেই যত টাকা দালাল দাবি করেছে সব টাকা বাবা দিয়ে দিছে। সেই মাসে আমাদের চলতে খুব কষ্ট হয়েছে ভাই। সময় টা ছিলো ১/০৫/২০২৩। বাবা ছেলে এর বেতন এক সাথে করেও সেই টাকা দিতে অনেক কষ্ট হইছিলো সেই বছর।
চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত।টাকা না দিলে হয়তো বিভিন্ন ভাবে টাকা কেটে কম দিবে।সে জন্য ঘুষ দেওয়া।