NID Card
নতুন এই আইডি কার্ড করতে গেলে ২৩০ টাকা চায়।নাহলে ছবি তুলেনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন এই আইডি কার্ড করতে গেলে ২৩০ টাকা চায়।নাহলে ছবি তুলেনা।
গ্রামের প্রায় সকলের কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে টাকা নেয়, মৃত্যু সনদ করতে টাকা নেয়। কোন কিছু লাগলে টাকা ছাড়া কিছু করেনা।
গৌরীপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে গেলে একজন পুরুষ পুলিশ সদস্য আমার কাছে ৪,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি তাকে বলি, “ভাই, এই মুহূর্তে আমার কাছে এত টাকা নেই, আমার আর্থিক অবস্থাও ভালো না।” কিন্তু তারপরও তিনি রাজি হননি। পরবর্তীতে সার্টিফিকেট আসার পর তিনি আবার “মিষ্টি খাওয়ার জন্য” বখশিশ দাবি করেন। সরকারি একটি সেবা নিতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা সত্যিই হতাশাজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ—বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক এবং অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
দেশের বাইরে আমার বাংলাদেশ থেকে একটা Unmarried Certificate দরকার ছিলো এপ্লাই করার পর যখন ভেরিফিকেশনের জন্য যে পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দিছিলো আমার থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করছিলো পরে কল রেকর্ড করে পুলিশ সুপার থেকে সব জায়গায় পাঠিয়ে রিপোর্ট করছিলাম তাও ঘুষ দি নাই
ট্রেনের টিকেট ১২০ টাকা ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ অধিকাংশ সময় টিকিট বিক্রি হয় ব্লেকে আপনি ট্রেনে যাবেন টিকিট ছাড়া ৩৫০-২৫০ টিটিকে দিলে ডিল ডান।
জন্ম নিবন্ধন এ সঠিক নাম থাকলেও, কোন কারণে অনলাইনে ভুল নাম আসছিলো বার বার, যাওয়ার পরে তারা বলে এটা যখন অনলাইন করা ভুল বশত আমার নাম পরিবর্তন করে দিয়েছে অপারেটর, (মুলত আগে তো লিখিত জন্ম নিবন্ধন হইতো সেটা অনলাইন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরেই এটা ঘটেছে) পরে আমার কাছে বাবা মার এন-আইডি, দাদা দাদি, ইভেন নানা নানুর জন্ম নিবন্ধন ও চাওয়া হয়, বহু কষ্টে সব যোগাড় করে জমা দেওয়ার পরে দিনের পর দিন চলে যায় কাজ হয় না, শেষে তখনকার এক আওয়ামী নেতার সাথে কথা বললে জানায় যে এভাবে হবে না চা-নাস্তার খরচ দিতে হবে, আমার কাছে ২৫০০ টাকা চাওয়া হলে আমি নাকচ করি, শেষে এই ভোগান্তি থেকে বাচতে ১৫০০ তে রাজি করিয়ে টাকা দিলে ২দিনের মধ্যে কাজ হয়ে যায়, শাহরাস্তি থানা, চাঁদপুর.. ঘটনা টি ঘটেছে রায়শ্রী দঃ ইউনিয়ন
আমার এক বন্ধু বিদেশে পড়াশোনা করে। সে সরকারি নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে Police Clearance Certificate (PCC)-এর জন্য আবেদন করে এবং আবেদন বাবদ ১,৫০০ টাকা পরিশোধ করে। পরবর্তীতে দৌলতপুরে সত্যায়িত কাগজপত্র জমা দিতে গেলে তার কাছে অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা খরচ বাবদ দাবি করা হয়। তাকে বলা হয়, টাকা না দিলে নাকি তার আবেদন অ্যাপ্রুভ হবে না/পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হবে না। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ফোন নম্বর চাইলে নম্বরও দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দেওয়ার পর তার আবেদনটি সম্পন্ন হয়। প্রশ্ন হলো, অনলাইনে আবেদন করার সময় নির্ধারিত ১,৫০০ টাকা পরিশোধ করার পরও কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় অতিরিক্ত টাকা কেন দাবি করা হবে? যদি কোনো অতিরিক্ত সরকারি ফি থাকে, তাহলে তার সরকারি রসিদ বা নির্ধারিত ফি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া
লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ১০০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছে নতুন আবেদন করলে প্রতিটি ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ পর্যন্ত নিচ্ছে, আমি ১ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছি এখন নবায়ন ১০ হাজার চায়। ফায়ার সার্ভিস কুষ্টিয়া প্রতিটি ক্লিনিক থেকে ৫-৮ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে নবায়ন করছে না
999 ফোন করে ভূমি জগত দখলকারীকে উচ্ছেদ করার জন্য সহযোগিতা চেয়েছিলাম। থানা থেকে টিম পাঠানো হয়েছিল, পর্বতের থানায় মীমাংসর জন্য ডাকা হয় এবং মীমাংস করে দেওয়া এবং মীমাংসার শেষে অর্থের দাবী করা হয়, বলা হয় ওসি সাহেবকে দেওয়া লাগবে এই পরিমাণ অর্থ।
For changing my mother's name in her National ID card, they offer 50,000 taka. Our Upazila (Kashiani, Gopalgonj) Election Commission office also asked for same amount. Just a name correction which was mistaken form them, how funny.
বাবার মৃত্যূ পরবর্তী সময়ে তার নমিনি আমার আম্মার চিকিৎসা ভাতা বাবদ বকেয়া পেনশন এর অর্থ উত্তোলন এর জন্য আমরা জনতা ব্যাংক মতিঝিল এর প্রধান শাখা তে ব্যাংক ১.৫ বছর ঘুরেছি কিন্তু তাদের নানা বাহানায় (আমার বাবার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই মর্মে ) অর্থ উত্তোলন 'করতে পারিনি পরে ফোন করে অতিরিক্ত দাবি করা হয় , সেই অর্থ প্রদান পরবর্তী দুইদিনের মাঝেই অর্থ প্রদানের অনুমতি প্রদান করা হয় , যা খুবই বিব্রতকর।
আমার বাসার হোল্ডিং নাম্বার পরেনি। যার কারনে আমি পৌরা ট্যাক্স দিতে পারিনা, আমি পৌর ট্যাক্স দিতে গেলে বল্ল হোল্ডিং নাম্বার ফেলতে ১০০০০/= লাগবে। তার পর ট্যাক্স দিতে পারবেন। আমরা সরকারকে তাকা দিতে চাইলে ও এইজাতীয় অসৎ লকের কারনে সরকারের ইনকাম সোরচ কমে যাছে। ড্রুত বেবস্থা নেয়া উচিৎ।
সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ পেতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে।
২০২৩ সালে যখন প্রাইভেট ব্যাংকে ছিলাম তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩ হাজার টাকা নেয়। এবং ২০২৫ সালে যখন সরকারি ব্যাংকে এসেছি তখন পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য ১ হাজার টাকা নেয় বিকাশে
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এ আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দিয়েছিলাম। টাকা দেইনি বলে এখনো লাইসেন্স দিচ্ছে না।
ডিপিডিসি (DPDC) আমাদের নারায়ণগঞ্জ এলাকার কিছু অংশে প্রিপেইড মিটার সরবরাহ করেছে এবং আমরা সেই মিটারের মূল্য পরিশোধ করেছিলাম। তিন মাস পরেই মিটারের ব্যাটারি 'লো' (low) বা কম চার্জের সংকেত দেখাতে শুরু করে; বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করার পর তারা অতিরিক্ত একটি ব্যাটারি নিয়ে একজন কর্মীকে পাঠায় এবং এর জন্য ৫০০ টাকা চার্জ করে! ডিপিডিসি (DPDC) প্রিপেইড মিটারের ব্যাটারি পরিবর্তনের জন্য অফিসিয়ালি কোনো টাকা বা ৫০০ টাকা চার্জ নেওয়ার নিয়ম নেই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রিপেইড মিটারের ব্যাটারি শেষ বা নষ্ট হয়ে গেলে বিদ্যুৎ অফিস থেকে সেটি বিনামূল্যে পরিবর্তন করে দেওয়ার কথা। মাত্র ৩ মাসের মধ্যে ব্যাটারি লো দেখানো এবং এর জন্য ৫০০ টাকা দাবি করা সম্পূর্ণ একটি অনিয়ম।
জমি সংক্রান্ত দলিলের একটি ফাইনাল ডিগ্রীর রেকর্ড খুঁজে বের করার জন্য জর্জ কোর্টের রেকর্ডরুমে যারা আছেন তাদের দায়িত্ব প্রধান তাকে ৫০০০ টাকা দেয়া হয় পরবর্তীতে তারা ডিগ্রীর কপি আমাদের দেখায় এবং তাদের নির্দেশমতো আমরা আবেদন করি কিন্তু এখন বর্তমানে তারা কাগজটি খুঁজে বের করে দিচ্ছে না ( ডিগ্রীর কপিটি)। তারা এখন দীর্ঘদিন থেকে বলছেন যে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু তারা যে আমাদেরকে খুঁজে বের করে দিয়েছিলেন তার ছবি আমাদের কাছে আছে । এখন তারা দিতে অস্বীকার করছে মাসের পর মাস এমনকি বছরপার হয়ে গেছে এখনো তারা আর ওই ডিগ্রীর কপিটি আমাদের দিচ্ছেন না।
মেহেরপুর জেলা গাংনী থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দিতে গিয়েছিলাম। কর্মরত থাকা পুলিশ অফিসার আমার কাছে অহেতুক দুই হাজার টাকা দাবি করে, এবং পরবর্তীতে সেটা পরিশোধ করার জন্য জোর দাবি করা হই। আমাকে বলে যে টাকা না দিলে কাজ হবে না। বিশেষ করে গাংনী থানার সবগুলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা ঘুষের সাথে জড়িত।
দেখা করতে বলে খরচের টাকা নিয়ে, তানা হলে হবে না।
Nid card correction Amar kache 4 lakh taka dabi Kore