বিদ্যুতের লাইন নেয়া
আমাদের কাছে নতুন বিদ্যুতের সংযোগ ও বিদ্যুতের পোল বাবদ ৮০০০০ টাকা দাবী করেন পল্লীবিদ্যুৎ এর একজন ইঞ্জিনিয়ার। পরবর্তীতে একজন ঠিকাদারের মাধ্যমে ৫০০০০ টাকায় রফা করে বিদ্যুৎ সংযোগ পাই আমরা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের কাছে নতুন বিদ্যুতের সংযোগ ও বিদ্যুতের পোল বাবদ ৮০০০০ টাকা দাবী করেন পল্লীবিদ্যুৎ এর একজন ইঞ্জিনিয়ার। পরবর্তীতে একজন ঠিকাদারের মাধ্যমে ৫০০০০ টাকায় রফা করে বিদ্যুৎ সংযোগ পাই আমরা
কিছুদিন পূর্বে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য পৌরসভায় গেলে তারা নতুন করে সকল কাগজ নিতে বলে। অথচ আমার নবায়নের জন্য সকল কাগজ কেন লাগবে? মূল ট্রেড লাইসেন্স কপিটা নিয়ে যাওয়ার পরেও তারা অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। সর্বশেষ ৫ হাজার টাকা দাবি করেন৷ বিষয়টি আপাদত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না৷ টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করবো কি না? প্রতি বছর সরকার কত রাজস্ব হারাচ্ছে, তা তো এটাতে বুঝাই যায়। সরকারী খাতে ১০ টাকা জমা দিয়ে নিজেরা ৯০ টাকা খেয়ে ফেলে। এর থেকে পরিত্রান এর উপায় কি!
যশোর সদর পল্লী বিদ্যুত অফিস, সময়কাল ২০২৫: আমার বাসা বানাচ্ছিলাম। বিদ্যুত খুটির জন্য আমার বাড়ির কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিলো। আমি অফিসিয়ালি খুটি সরানোর জন্য আবেদন করি। কিন্তু খুটি সরাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে আবার অফিসে খোজ নিয়ে জানতে পারি কাজের সিরিয়াল অনুযায়ী আমার কাজ করে দিবে। কিছুক্ষণ পর একজন কর্মকর্তা ফিসফিস করে ২০০০ টাকা চেয়েছিলো কাজটি দ্রুত করার জন্য। আমি প্রত্যাক্ষাণ করি। আমার কাজটি সমাধান করতে প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় নিয়েছিলো।
চাকরের ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ আমাদের সাথে দেখা করে এবং নির্দিষ্ট কিছু টাকা আসে দাবি করে। তাকে তার ২০০০ টাকা দেয়ার পরেও তে আপনার বাবার নামের এই বানান ভুল আছে এজন্য আপনাকে আরো কিছু টাকা দিতে হবে এরকম বাহানাও করতে থাকে কিন্তু পরবর্তীতে আর টাকা দেয়নি।
আমি আমার মায়ের ওয়ারিশ সনদ উত্তলনের জন্য গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে। যেহেতু কাগজটি আমার জরুরী ভিত্তিতে পাওয়ার দরকার ছিলো তাই আমি দওতে বাধ্য হই। ওয়ারিশ সনদ নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে তার সাক্ষর নিতে গেলে আমি তাকে ৫০০ টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানাই। চেয়ারম্যানপর মন্তব্য ছিলো এগুলো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এমনই নিবে। উনি বলে পৌরসভায় এই কাগজ নাকি ২০০০/৩০০০ টাকা লাগবে আনতে। শুধু ওয়ারিশ না, নাগরিক সনদে সকল কাগজ নিতে টাকা লাগে।
পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জন্য ১৫০০ এর কম নাকি নেয়ই না। নাহলে ক্লিয়ারেন্স দিবে না। অথচ আমার সব ডকুমেন্টসই ঠিক ছিলো।
অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র, সমাজকল্যাণমন্ত্রণালয় এর একটি প্রজেকট, এটি সরকারি হবে এই কথা বলে এখানে সবার কাছ থেকে বিভিন্ন পদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয়। ৫ লাখ থেকে ২৬ লাখ। প্রায় ২০০ এর বেশি মানুষ। তারপর আমাদের নামে বা বিভিন্ন খাতে আসা টাকা তো পাই না। উল্টা বেতন চাইলে, রিজাইন দিতে বলে দেয়৷ অলরেডি ডিপিডি কে কাজ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। কেও বিদ্রোহ করলে শূন্য পদ ঘোষণা সহ অনেক অত্যাচার চলছে। সরকারি জব সোনার হরিণ। এই আশায় সবাই এসেছে। আবার বলছে রাজস্ব তে এই প্রজেকট গেলে আমাদের কাছ থেকে আবারও ৭/৮ লাখ নেওয়া হবে। কেও না দিলে তার পদ সরকারি হবে না। অনেক গুলো পদ এমনি খালি আছে, অনেকেই পরীক্ষা দিয়ে হলেও ঢুকতে চায়৷ কিন্তু টাকা ছাড়া কাওকে নেয় না। এজন্য পদ শুন্য হয়ে থাকে এবং ঢাকার বাইরে প্রতিবনধীরা সঠিক সেবা
২০২৩ সালে চাকরীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য তথ্য চেয়ে চট্টগ্রাম সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশের এক কর্মকর্তা ফোন দেন, অথচ ভেরিফিকেশন হওয়ার নিয়ম হচ্ছে গোপনে তথ্য যাচাই করা এবং নিয়োগকৃত কোম্পানী আমার তথ্য পুলিশকে সরবরাহ করেছে যা সব কোম্পানী নতুন নিয়োগকৃত কর্মকর্তার জন্য করে থাকে। উনি আমাকে ফোন দিয়ে আবার সব তথ্য চান, আমি তাকে সেইসব তথ্য জমা দিতে গেলে উনি আমাকে বিকাল ৪ টা থেকে রাতের ৯ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন এবং আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবী করেন চা নাস্তার জন্য, পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে আসি, পুলিশ কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা থাকায় উনি অফিসের বাইরে এসে টাকা নেন। আমার অন্যান্য সহকর্মীদের কাছ থেকে একই পরিমাণ টাকা উনি গ্রহণ করেন।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর ফেনি কার্যালয় থেকে আমার ছোট একটি কারখানার লাইসেন্স ও লে-আউটের জন্য স্থানীয় পরিদর্শক ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। যদিও চালান ফি ৫০০০ টাকা। আমি ২০০০০ টাকা দিতে রাজি হলেও উনি মানতেছেন না। বলতেছে ডিআইজি কে ১০০০০ দিতে হবে ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে হবে। এদের অত্যাচারে দিন দিন ব্যবসা খারাপ হচ্ছে।
আমি JLQ ALUMINUM COMPANY LIMITED এর ম্যানেজার। আমাদের কোম্পানি সাভার থানায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় গত জুনে আমি সাভার এলাকায় ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য আবেদন করি। ততকালীন ইন্সপেক্টর আমাদের অফিসে এসে সরাসরি ৬০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এবং বলেন না দিলে উনি বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করবেন বলে হুমকি দেন।
Job er police verification, dabi cilo cha biscuit khauyar tk 🥴🥴🥴.
ইন্টারভিউ তে টিকতে হলে ১০-১৫ লাখ টাকা খরচ করতে হতো। আমার পিএইচডি আছে বিধায় ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি বলেছিলাম ৫টাকাও দিবোনা। রিটেন এ সর্বোচ্চ মার্ক পেয়েও ভাইভা তে টেকায়নি।
আমার বড় ভাইয়ের কাবিননামা ও ম্যারেজ সার্টিফিকেট সংগ্রহে জন্য মগবাজার কাজী অফিস, কাজীর গলি যাই সেখানে কাজী ৪,৫০০ টাকা দাবি করেন কিন্তু সরকারি নির্ধারিত ফি যেখানে মাত্র ২০০ টাকা বা ২৫০ টাকা সেখানে কাবিননামা ও ম্যারেজ সার্টিফিকেটের জন্য অতিরিক্ত ৪,৫০০ টাকা দাবি কেন? একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার ও মাওলানা পদধারী যদি মানুষের প্রয়োজনকে পুঁজি করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? সরকারি ফি চাই, অতিরিক্ত টাকা নয়। অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা চাই। পাশাপাশি কেন সরকারি ফি প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা হবে না? কেন প্রতিটি অর্থ গ্রহণের বিপরীতে বৈধ রসিদ দিবেনা?
বাংলাদেশ ডাক বিভাগে দক্ষিণাঞ্চল খুলনা মেইলঅপারেটরে চাকরি হয়েছে বেতন চালু করার জন্য এর কাছ থেকে পনেরশো টাকা করে চাই প্রায় ২০০ জন মত ক্যান্ডিডেট
আমরা ৩ একজন হাইস্কুলের শিক্ষক। আপনাদের কাছে আমাদের থেকে একজন বিএনপি নামধারী হেডমাস্টার যতভাবে ঘুষ নিচ্ছে তার বিস্তারিত তুলে ধরলাম। আপনাদের মাধ্যমে যদি এই তথ্যটি দেশবাসীকে জানিয়ে আমাদের মত অসহায় লোকজনকে আর হয়রানি না হতে হয়। বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোর গোপালপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে গত বছদ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে যোগদান করেছি। আমাদের যোগদানের পর হেডমাস্টার আমাদের ২জন থেকে ১৫ হাজার করে ৩০ হাজার আর সবশেষে গত আমাদের ১জনের থেকে ২২ হাজার টাকা নিছে। আমাদের থেকে আরো বেশি টাকা চাইছিল আমরা অনুরোধ করে কম দিছি। আমরা ৩জন ২ মাস করে ৬মাসের বেতন এখনো পাইনি। এই বকেয়া বেতন তুলতে হেডমাস্টারের থেকে কয়েকটি কাগজপত্র দরকার এখন সে মোটা অংকের টাকা ঘুষ চায়।
কারখানার মেশিনারি লে আউট অনুমোদন। টাকা না দিলে হবে না। তিনি উলটা মামলার ভয় দেখান। বলতেছে ডিআইজি কে ২০০০০০ টাকা দিতে হবে। না হলে কাজ হবেনা। আবার বলতেছে ১ মাসের মধ্যে না করলে মামলা করে দিবে।
স্কুল থেকে আম্মার নাম ভুল থাকায় সেটি আমার nid তে ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে ঐ ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে অক্ষর কয়টি ভুল। আমি যখন বললাম ২টি তখন উনি আমাকে বলে এটা ঠিক হবে না । আর হলেও ৫০০০০/ দিতে হবে। আমি ঐ পথে আর এগুই নি। এখন আমি আমার ssc ,hsc এ্যাক্সমের সার্টিফিকেট ও অন্যান্য ডকুমেন্ট ঠিক করছি। এফিডেভিট , ওয়ারিশ সনদ ও নাগরিকত্ব সনদ করতে হয়েছে। এতেও আমার এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০০/ মত খরচ হয়েছে। তবে আমি ঠিক করেছি আমার লিগ্যাল ওয়ে তে দরকার হলে আরও টাকা গেলে যাবে তবে ১ টাকাও দালাল কে দিবো না।
ফ্যাক্টরির বিবিধ লাইসেন্সের নবায়ন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ঘুষখোরদের দাবির প্রেক্ষিতে ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৫০০০০, কলকারখানা লাইসেন্সের জন্য ৩০০০০, ইটিপি ওয়াটার টেস্ট রিপোর্ট ৩০০০০, বয়লার লাইসেন্সের জন্য ২০০০০ টাকা দিতে হয়েছে । সর্বমোট ১,৩০,০০০ টাকা । মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই সব লাইসেন্সের সরকারী ফি ৩৩,৫০০ টাকা । অথচ এর জন্য বাড়তি ঘুষবাবদ ব্যয় ১,৩০,০০০ ।
তারা জানতেন যে আমি নির্দোষ। কোনো ডকুমেন্টে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা তারা খুঁজে পাননি। যখন তারা নিশ্চিত হলেন যে এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তখন আমাকে বলা হলো—“আপনাকে এই মামলা থেকে বের করে দেওয়া সম্ভব, কারণ আপনার বিরুদ্ধে আমাদের কোনো প্রমাণ বা সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।” কিন্তু এরপর প্রশ্ন উঠল, আমাকে মামলা থেকে বাদ দিলে তাদের লাভ কী? সরাসরি আমার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হলো। অনেক কষ্ট করে আমি ৩.৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে তাদের প্রদান করি। এর কিছুদিন পরই আমি দেশের বাইরে চলে আসি। এই ঘটনার কারণেই আমাকে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে আসতে হয়েছে। আমি যদি তখন দেশ ছেড়ে না আসতাম, তাহলে হয়তো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা সারাজীবন আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করত।
সম্প্রতি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করলাম। আগে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করেছি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে মাত্র ৬৫০০ টাকা সরকারি চার্জ দিয়ে। এবার ভিন্ন অভিজ্ঞতা। ইউনিয়ন পরিষদে গেলাম, তারা বলল ইউএনও বরাবর আবেদন করতে হবে রিনিউ জন্য। আবেদন করলাম। ইউএনও অফিস থেকে বলল তাদের অফিসের আসবাবপত্র কেনা বাবদ আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিয়ে প্রায় একমাস ঘুরলাম, কিন্তু অনুমোদন পাইলাম না। বাধ্য হয়ে ২০০০০ টাকা দিলাম, তারপর ইউএনও মহানায়ক অনুমোদন দিলেন। সেটা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে আগের মতো ৬৫০০ টাকা চার্জ দিয়ে নবায়ন করলাম।