বাংলাদেশ লাইভস্টক রিসার্চ ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই)
ইন্টারভিউ তে টিকতে হলে ১০-১৫ লাখ টাকা খরচ করতে হতো। আমার পিএইচডি আছে বিধায় ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি বলেছিলাম ৫টাকাও দিবোনা। রিটেন এ সর্বোচ্চ মার্ক পেয়েও ভাইভা তে টেকায়নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইন্টারভিউ তে টিকতে হলে ১০-১৫ লাখ টাকা খরচ করতে হতো। আমার পিএইচডি আছে বিধায় ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি বলেছিলাম ৫টাকাও দিবোনা। রিটেন এ সর্বোচ্চ মার্ক পেয়েও ভাইভা তে টেকায়নি।
আমার বড় ভাইয়ের কাবিননামা ও ম্যারেজ সার্টিফিকেট সংগ্রহে জন্য মগবাজার কাজী অফিস, কাজীর গলি যাই সেখানে কাজী ৪,৫০০ টাকা দাবি করেন কিন্তু সরকারি নির্ধারিত ফি যেখানে মাত্র ২০০ টাকা বা ২৫০ টাকা সেখানে কাবিননামা ও ম্যারেজ সার্টিফিকেটের জন্য অতিরিক্ত ৪,৫০০ টাকা দাবি কেন? একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার ও মাওলানা পদধারী যদি মানুষের প্রয়োজনকে পুঁজি করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? সরকারি ফি চাই, অতিরিক্ত টাকা নয়। অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা চাই। পাশাপাশি কেন সরকারি ফি প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা হবে না? কেন প্রতিটি অর্থ গ্রহণের বিপরীতে বৈধ রসিদ দিবেনা?
বাংলাদেশ ডাক বিভাগে দক্ষিণাঞ্চল খুলনা মেইলঅপারেটরে চাকরি হয়েছে বেতন চালু করার জন্য এর কাছ থেকে পনেরশো টাকা করে চাই প্রায় ২০০ জন মত ক্যান্ডিডেট
আমরা ৩ একজন হাইস্কুলের শিক্ষক। আপনাদের কাছে আমাদের থেকে একজন বিএনপি নামধারী হেডমাস্টার যতভাবে ঘুষ নিচ্ছে তার বিস্তারিত তুলে ধরলাম। আপনাদের মাধ্যমে যদি এই তথ্যটি দেশবাসীকে জানিয়ে আমাদের মত অসহায় লোকজনকে আর হয়রানি না হতে হয়। বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোর গোপালপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে গত বছদ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে যোগদান করেছি। আমাদের যোগদানের পর হেডমাস্টার আমাদের ২জন থেকে ১৫ হাজার করে ৩০ হাজার আর সবশেষে গত আমাদের ১জনের থেকে ২২ হাজার টাকা নিছে। আমাদের থেকে আরো বেশি টাকা চাইছিল আমরা অনুরোধ করে কম দিছি। আমরা ৩জন ২ মাস করে ৬মাসের বেতন এখনো পাইনি। এই বকেয়া বেতন তুলতে হেডমাস্টারের থেকে কয়েকটি কাগজপত্র দরকার এখন সে মোটা অংকের টাকা ঘুষ চায়।
কারখানার মেশিনারি লে আউট অনুমোদন। টাকা না দিলে হবে না। তিনি উলটা মামলার ভয় দেখান। বলতেছে ডিআইজি কে ২০০০০০ টাকা দিতে হবে। না হলে কাজ হবেনা। আবার বলতেছে ১ মাসের মধ্যে না করলে মামলা করে দিবে।
স্কুল থেকে আম্মার নাম ভুল থাকায় সেটি আমার nid তে ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে ঐ ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে অক্ষর কয়টি ভুল। আমি যখন বললাম ২টি তখন উনি আমাকে বলে এটা ঠিক হবে না । আর হলেও ৫০০০০/ দিতে হবে। আমি ঐ পথে আর এগুই নি। এখন আমি আমার ssc ,hsc এ্যাক্সমের সার্টিফিকেট ও অন্যান্য ডকুমেন্ট ঠিক করছি। এফিডেভিট , ওয়ারিশ সনদ ও নাগরিকত্ব সনদ করতে হয়েছে। এতেও আমার এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০০/ মত খরচ হয়েছে। তবে আমি ঠিক করেছি আমার লিগ্যাল ওয়ে তে দরকার হলে আরও টাকা গেলে যাবে তবে ১ টাকাও দালাল কে দিবো না।
ফ্যাক্টরির বিবিধ লাইসেন্সের নবায়ন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ঘুষখোরদের দাবির প্রেক্ষিতে ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৫০০০০, কলকারখানা লাইসেন্সের জন্য ৩০০০০, ইটিপি ওয়াটার টেস্ট রিপোর্ট ৩০০০০, বয়লার লাইসেন্সের জন্য ২০০০০ টাকা দিতে হয়েছে । সর্বমোট ১,৩০,০০০ টাকা । মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই সব লাইসেন্সের সরকারী ফি ৩৩,৫০০ টাকা । অথচ এর জন্য বাড়তি ঘুষবাবদ ব্যয় ১,৩০,০০০ ।
তারা জানতেন যে আমি নির্দোষ। কোনো ডকুমেন্টে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা তারা খুঁজে পাননি। যখন তারা নিশ্চিত হলেন যে এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তখন আমাকে বলা হলো—“আপনাকে এই মামলা থেকে বের করে দেওয়া সম্ভব, কারণ আপনার বিরুদ্ধে আমাদের কোনো প্রমাণ বা সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।” কিন্তু এরপর প্রশ্ন উঠল, আমাকে মামলা থেকে বাদ দিলে তাদের লাভ কী? সরাসরি আমার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হলো। অনেক কষ্ট করে আমি ৩.৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে তাদের প্রদান করি। এর কিছুদিন পরই আমি দেশের বাইরে চলে আসি। এই ঘটনার কারণেই আমাকে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে আসতে হয়েছে। আমি যদি তখন দেশ ছেড়ে না আসতাম, তাহলে হয়তো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা সারাজীবন আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করত।
সম্প্রতি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করলাম। আগে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করেছি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে মাত্র ৬৫০০ টাকা সরকারি চার্জ দিয়ে। এবার ভিন্ন অভিজ্ঞতা। ইউনিয়ন পরিষদে গেলাম, তারা বলল ইউএনও বরাবর আবেদন করতে হবে রিনিউ জন্য। আবেদন করলাম। ইউএনও অফিস থেকে বলল তাদের অফিসের আসবাবপত্র কেনা বাবদ আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিয়ে প্রায় একমাস ঘুরলাম, কিন্তু অনুমোদন পাইলাম না। বাধ্য হয়ে ২০০০০ টাকা দিলাম, তারপর ইউএনও মহানায়ক অনুমোদন দিলেন। সেটা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে আগের মতো ৬৫০০ টাকা চার্জ দিয়ে নবায়ন করলাম।
বাচ্চা হলে সরকারি একটা ভাতা দেয়,সেখানে আবেদন করার জন্য ৫০০০ হাজার টাকা দাবী
আমার কোম্পানির নিজস্ব চাকুরবিধি অনুমোদনের জন্য ডাইফের একজন আইন ককর্মকর্তা উল্লেখিত পরিমান ঘুষ দাবি করেন। আমি ১ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হয়েছি কিন্তু উনি আমার চাকুরিবিধি অনুমোদনের জন্য কোন প্রক্রিয়া গ্রহণ করেনিনি। বলতেছে পুরো টাকা দিলে কোথাও যেতে হবেনা ওনার সেকশন থেকে আইন ও বিধি মোতাবেক সংশোধন করে মহাপরিদর্শক এর কার্যালয় থেকে উনি অল্প কয়েকদিনের ভিতর করে দিবে। কী যে করবো বুঝতেছিনা। এদের হাত থেকে কবে আমাদের মালিকগণ নিস্তার পাবে।
একটি এনজিওতে কাজ করার সময় প্রকল্পের জন্য প্রতি বছর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রত্যয়নপত্র নিতে হতো। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ম্যাজিস্ট্রেট এসে প্রকল্প যাচাই করে বৈধ রিপোর্ট দেওয়ার পরও একজন অফিস সহায়ক সেটি হস্তান্তর করছিলেন না । ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে টাকার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই বৈধ রিপোর্ট পেতেই ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটদের জানিয়েও সমাধান হয়নি। তাঁদের বক্তব্য ছিল, তাঁরা বদলি হয়ে যান, কিন্তু এসব কর্মচারী বছরের পর বছর একই জায়গায় থেকে যায়। এই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, দুর্নীতি কীভাবে প্রশাসনের ছোট একটি ধাপেও পুরো প্রক্রিয়াকে জিম্মি করে রাখতে পারে।
জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বানান ভুল ছিল। যা বেশিরভাগ জনেরই হয়ে আছে। বানান সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের গেলে ২৫০ টাকা ফি চান। আমি জানি, সরকারি ফি ৫০ টাকা। তিনি বলেন ২৫০ টাকাই লাগবে। করলে করেন তার ব্যস্ততা আছে। নিরুপায় হয়ে ২৫০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
মাতৃকালীন ভাতার আবেদন এর জন্য দিতে হয়েছে। তবে ভাতাভোগী হতে পারিনি।
paid a bribe of 40,000 taka to kushtia housing office staff to facilitate the process of sale permission for an apartment.
সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি , রিটেন এক্সাম এ পাস করলে তবেই আবেদন ।
আমার মোবাইলটা এখনো ডেমরা থানায় পড়ে আছে। টাকা দেয়নি এ জন্য মোবাইলটা পাচ্ছি না। থানায় ডেকে সরাসরি টাকা চেয়েছে। আমার কাছে প্রমাণ আছে।
আমার নিজ জেলা থেকে 500 কিলোমিটার দূরে পোস্টিং হওয়ার, ও তিন বছর কর্মরত থাকায় নিজ জেলা বা আশেপাশে জেলায় বদলির জন্য আবেদন করি। আবেদন করে আমার প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কমর্কতার সাথে দেখা করি। এর পরও বদলি না হওয়ায় আমার এক সহকর্মী যে সদ্য বদলি হয়েছেন তার কাছ থেকে জানতে পারলাম যে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে বদলি হওয়া সম্ভব এবং সে টাকার বিনিময়ে বদলি হয়েছেন ।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের ২৭ তারিখ আমার একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য কেরানীগঞ্জ থানায় আবেদন করি ।সেখানকার কর্তব্যরত এসআই আমার কাছ থেকে 10000 হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি টাকা পরিশোধও করি পরবর্তীতে তারা আমাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রদান করে।
চাকরিতে ভাইভাতে যাওয়ার পর, বোর্ডের একজন সদস্য ভিন্ন রুমে নিয়ে গিয়ে খরচের জন্য এই টাকা চায়।