নির্বাচন অফিস
একটা ব্যাংকের কাজে আমার ওয়াইফের ভোটার আইডি কার্ডটা খুব দরকাএ ছিল। আমার ওয়াইফের বাবার নামে একটু ভুল ছিল কোর্টে এপিড ওপিড। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন নাম সংসোধন এর এপ্লাই।করছি বোর্ডে সেই রশিদ দেওয়ার পরও ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একটা ব্যাংকের কাজে আমার ওয়াইফের ভোটার আইডি কার্ডটা খুব দরকাএ ছিল। আমার ওয়াইফের বাবার নামে একটু ভুল ছিল কোর্টে এপিড ওপিড। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন নাম সংসোধন এর এপ্লাই।করছি বোর্ডে সেই রশিদ দেওয়ার পরও ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে
In July 2023, when applied for an Birth Certificate English copy, Union parishad sectretary was not cooperating to get the English Birth Certificate. They were claiming that there was a server problem. After waiting for some days, the female secretary offered for money with other person. They claimed around 2000 or some less or more. I paid that because I was waiting for the birth certificate. After paying the money it was issued within a day. Note: When they want to get an extra money from people they said that they have server problem. And then delayed they works. Later indirectly ask for money. After giving money they do it with a day.
আমার স্ত্রী পুলিশে জব করেন,সেই সুবাদে জামালপুর বদলি হয়ে আসার পর থানা-ফাড়িতে বদলির জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে,যারা কোর্ট কিংবা বিভিন্ন ফান্ডে ঢুকতে চায় তাদের ২০-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়,আর এতে আর-১ থেকে এসপি পর্যন্ত টাকার ভাগ যায়।তাছাড়া আরআরএল,টিএ/ডিএ বিলের জন্য ১-২ হাজার টাকা দিতে হয়।এগুলো আমার নিজ চোখে দেখা অভিজ্ঞতা।
Ekta nid card er samir name bul hoicilo tar jono 5k th cay..pore 3k te raji hoy
আমি একটি কোম্পানির প্রতিনিধি কোম্পানির ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে ছিলাম তাদের অফিসে। যেতে ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর আমার থেকে 5 হাজারের কমে লাইসেন্স নবায়ন করতে পারবে না বলে। আমি তাকে বলি স্যার, 5 হাজার টাকা লাগবে !আমি বলি স্যার এত টাকা দিতে পারবোনা 4 হাজার টাকা নেন। তারে আমি 4 হাজার টাকা দিয়েছি কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার লাইসেন্স নবায়ন হয় নাই। আমি একদিন ওই অফিসার কে কল দিলাম, দিয়ে বললাম স্যার, আমার কাজটা হইছে। ওনি বলে ভাই সময় দিতে হবে তো । কাজ হইলে আমি আপনাকে জানাবো। 1 মাস হয়ে গেছে আমাকে এখনো জানাই নাই। এখন মনে হচ্ছে, 5 এর জায়গায় 4 দিলাম দেখে এরকম করছে নাকি।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধনের নাম ও বয়স সংশোধন করতে গেলে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও চেয়ারম্যান অতিরিক্ত ৫০০ টাকা ঘোষ নেই।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধনের নাম ও বয়স সংশোধন করতে গেলে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে
নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২, সিলেট ঠিকানা: শাহজালাল উপশহর, সিলেট। নতুন প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য একজন গ্রাহক প্রথমে অনলাইনে নির্দিষ্ট ফরম পূরন করে আবেদন করতে হয় যার অনলাইন ফিস আনুমানিক ১৪০/- + প্রসেসিং ফি ৩০০/-। তারপর সরকারি ব্যাংক চালান ১৬৫০/- এবং সর্বশেষ মিটার ক্রয় মূল্য ৫২০০/- থেকে ৬০০০/- পর্যন্ত খরচ হতে পারে। যার সর্বমোট ব্যায় দাড়ায় = ১৪০+৩০০+১৬৫০+৬০০০= ৮১০০/- কিন্তু আমার কাছে একদম ৩য় শ্রেনীর কর্মকর্তা থেকে সহকারি প্রকৌশলী পদধারী কর্মকর্তা ১০-১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে। এমনকি অফিসের কর্মকর্তাদের এতে বেশী নেওয়ার কারন জিজ্ঞেস করলে তারা জানায় একটি ফাইল যে কয়টি টেবিলে যাবে সবকয়টি টেবিলে হাদিয়া না দিলে স্বাক্ষর হয় না। যার চক্ষুস প্রমান আমি নিজেই।
ইউরোপের ওয়ার্ক পারমিট আসার পর bmet office এ ১২ হাজার টাকা দিয়ে BMET কার্ড করতে হয়েছে
আমার মায়ের নাম ইংরেজি বানানে সংশোধন করাতে ৫০০ টাকা নিয়েছিলো।
আমাদের রামপাশা ইউ/পি সদস্য, আমার চাচাতো ভাই কাছে ৫০০০০/-টাকা দাবি করে টিউবওয়েল দিবে বলে।কিন্তু টাকা নিয়ে টিউবওয়েল দেয় নাই।পরে অনেক ঝামেলার পর কয়েক বারে ৪৫০০০/-টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে।৫০০০/-আর দেয় নাই। তাছাড়া উনি প্রায় ৫০টি, টিউবওয়েল বিক্রি করেছে। আমাদের এলাকায় এসে যতগুলো ডিপ টিউবওয়েল দেখবেন প্রায় সব উনার কাছ থেকে কেনা। যদি আপনাদের সহযোগিতায় দুদক দিয়ে একটা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যায় আমরা এলাকা বাসী কৃতজ্ঞ থাকব
LGED Pirojpur অফিসে কোন ঠিকাদার কাজ শেষ করে বিল নিতে গেলে তখন হিসাব রক্ষক তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করে। প্রতি বিল থেকে ১-২% টাকা নিয়ে থাকে।
২০২২ সাল, অর্থ মন্ত্রণালয়। একটি নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনের অনুদানের টাকার চেক আটকে রাখা হয় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, অর্থবছরের শেষ দিনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেক আটকে রেখে কেরানী চা-পানি খাবার টাকা দাবী করেন। এমনভাবে যেনো এটা আমার কর্তব্য। কোনো অর্থের পরিমাণ তিনি বলেননি। অর্গানাইজেশনের শীর্ষস্থানীয় দায়িত্বে যিনি আছেন তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় এরকমই, আমি যাতে কিছু মনে না করি এবং উনাকে ১০০০টাকা দিয়ে আসি। আমার দিয়ে আসতে হয়। আমার খুব লজ্জা লাগে একটা অনুমোদিত চেক ঘুষ দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে।
আমরা সিলেটে একটি মামলা দায়ের করি, যা তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়। তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের কাছে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করেন বলে আমাদের অভিযোগ। আমরা কিছু টাকা প্রদান করলেও দাবিকৃত সম্পূর্ণ টাকা দিতে পারিনি। পরবর্তীতে আমাদের সন্দেহ হয় যে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে একজন আসামিকে তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা না করে দুর্বলভাবে প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় আমরা প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারছি না এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি বলে মনে করছি। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট থানার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার জিডি লেখাতে গিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে। আমার আগে কখনও পুলিশের কাছে কিংবা থানায় যেতে হয়নি। দিতে বাধ্য হয়েছি।
নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য শেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার ৫০০০ টাকা নিয়েছে এছাড়া নিম্ন বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীকে ফাইল পাস করানোর জন্য টাকা দিতে হয়
I live abroad, and that's why my father had to receive my PCC. And the designated person who called my father for verification ended up asking for multiple papers(chairman certificate) along with the usual documents. Even after giving those papers, he asked for a bribe. As my father was an old person, he ended up giving that money for an easier process. But the sad part is that it actually took a while to complete that job, as the main official was on vacation. Anyway, finally I got my PCC after 10 days.
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফরমে স্বাক্ষর নিতে গেছিলাম, ১০০০ টাকা দেওয়ার পরে স্বাক্ষর করে দিছে। এক পুলিশ সদস্য।
প্রায় এক বছর আগের কথা । আমার আম্মুর এন আই ডি কার্ড এ আমার আব্বুর নাম ভুল ছিলো । আমি সংশোধন করার উদ্দেশ্যে নির্বাচনী অফিস এ গিয়েছিলাম । তারা আমাকে উপায় না বলে উল্টো ভয় দেখিয়েছে অনেক। আর 15000 টাকা চেয়েছে সংশোধন এর জন্য। কিন্তু আমি রাজি হয় নি।
অবসরে যাওয়ার পরে, সকল পাওনা ইত্যাদি জন্য ধাপে ধাপে আমাকে কয়েকবার ঘুষ দেয়া লেগেছে। ১. প্রথমে একাউন্ট বুক রিভাইস করার জন্য ২. পূর্বের বিলের অর্থ পাওয়ার জন্য ৩. ১৮ মাসের অবসরত্ব ছুটির বেতনের জন্য ৪. প্রভিডেন্ট ফান্ড এর অর্থ উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে অর্থ গুলো দেয়া লেগেছে এবং সামনেও লাগতে পারে। একবার ৬০০০, ১২৫০০, ১৫০০০, ২৫০০০ ইত্যাদি অর্থ গুলো দিতে হয়েছে এবং সামনেও হয়তোবা হবে। এখানে ঘুষের ভাগ গুলো পায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় এর থানা অফিস, জেলা অফিস এবং হেড অফিস। এর সাথে থানার একাউন্টিং অফিস ও জড়িত। একজন কর্মচারী অবসরে গেলে সেই সকল কাজগুলো করার জন্য প্রতিটা অফিস এই ভাগ গুলো নেয়। ঘুষ এর অধিকাংশ অর্থ নগদ দেয়া লেগেছে ।