চট্টগ্রাম আদালত ভবনে বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় এবং প্রশাসনিক অনিয়ম
অভিযোগের মূল বিষয়সমূহ: ১. পেশকার ও সেকশনের ঘুষ গ্রহণ: মামলার পরবর্তী তারিখ গ্রহণ, জামিননামা (বেল বন্ড) উপস্থাপন, সহি মহরর (সত্যায়িত নকশা বা নকল) তোলা এবং মামলার নথি এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে পাঠাতে নির্ধারিত ফির বাইরে বাধ্যতামূলক ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাইলে ভুল ধরে সময়ক্ষেপণ করা হয়। ২. পিওন ও নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বকশিশের নামে চাঁদাবাজি: হাজিরা প্রদান, আদেশ নামা সংগ্রহ বা ফাইল খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে প্রতিটি পিওন ও ঝাড়ুদার পর্যন্ত টেবিলভেদে নগদ টাকা দাবি করে। ৩. রেকর্ড রুম ও নকলখানার অনিয়ম: মামলার সার্টিফাইড কপি (Certified Copy) উত্তোলনের জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও রেকর্ড রুমের কর্মচারীদের আলাদাভাবে ২০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস কপি ঝুলিয়ে