কাবিন কপি
কাবিন কপির জন্য গেছিলাম ৫০০ টাকা চাইছে,না দিলে কপি দিবে না,২০০ টাকা দিয়ে আসলাম বাকিটা যেদিন কাবিন কপি হাতে দিবে সেদিন দিবত বলেছে।নিমতলা কাজী অফিস।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কাবিন কপির জন্য গেছিলাম ৫০০ টাকা চাইছে,না দিলে কপি দিবে না,২০০ টাকা দিয়ে আসলাম বাকিটা যেদিন কাবিন কপি হাতে দিবে সেদিন দিবত বলেছে।নিমতলা কাজী অফিস।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এর কার্গো সেকশন। এখানে আমদানি রপ্তানি কাজে লাখ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়।
টাঙ্গাইলের ডিসি অফিস চার কোটি টাকা ঘুষ চাইছে হাসপাতাল চালু করার অনুমতি দেবার জন্য।
মোংলা বন্দর রাস্তা করতে এই টাকা বন্দর কর্তৃপক্ষ কে দিতে হয়েছে।
২টা মিটার বাবদ ২০০০০/- চাচ্ছে ।
আমার ওয়াইফের জাতীয় পরিচয়পত্র বানানোর জন্য স্থানীয় নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়। তারা কাগজপত্র চেক দিয়ে বলেন সব পেপার ঠিক আছে, পরবর্তীতে ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ছবি তোলার ডেট জানানো হবে। তাদেরকে রিকুয়েষ্ট করি সেইদিনই ছবি উঠানোর জন্য এবং আরও বলি সরকারি চাকরি করি তাই জেলার বাইরের কর্মস্থল থেকে পূণরায় যাওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার হবে। তখন তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা প্রদান করি। অতপর তারা সেদিনই আমার কাজটি করে দেয়।
বয়স্কভাতা কার্ড দিতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মচারী ৫,০০০ টাকা দাবী করে, শেষে কর্মচারীর বাড়ীতে যেয়ে অনেক অনুরোধের পর ৪,০০০ টাকা নিয়ে কার্ড দেয়।
নথি তলব এর জন্য সেরেস্তায় দরখাস্তের সাথে ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে । বেশিরভাগ সেরেস্তা গুলোতে ২০০ দিলেই হয়।
এলাকায় কিছু প্রভাবশালী লোক অনেক দিন থেকে একটি সরকারি রাস্তা দখল করে রাখছিলো সেই দখলের জন্য ২০০ মানুষের চলাচলের ভুগান্তি ছিলো এবং সেই রাস্তা দখল মুক্ত করতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে রাস্তা দখল মুক্ত করতে সাহায্য চাইলে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়
আমার ফার্মিসীর জন্য ড্রাগ লাইসেন্স করতে গেলে হয়রানীর স্বীকার হই। পরবর্তীতে জানতে পারি ঘুস ছাড়া কাজ হবে না। সেখানে — একজনকে টাকা দেই।
আজ থেকে দুই মাস আগে আমি নতুন এনআইডি কার্ড বানানোর জন্য আমার নিকটবর্তী নির্বাচন অফিসে যাই। ওখানে গিয়ে কাগজ জমা দেই এক মাস দুই মাস কেটে যায় এসএমএস আসে না আমার কাছে। তারপর আবার গেলাম দেখা করতে ওদের একজন বলল যে এই টাকার বিনিময়ে আপনার কাজটা করে দিতে পারি খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারপর আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসছি। লাগবেনা আমার এনআইডি
একটা জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে 3000 টাকা দাবি করা হয়েছে যা কোথাও করা হয় না বা সবার কাছ থেকে করা হয় না খুবই বাজে ভাবে ঘোরাচ্ছিল এবং দাবি করছে কিন্তু তারা সফল হতে পারেনা আমি কাজটি করিনি
কাজ করে দেওয়ার জন্য হালকা চা পানি খাওয়ার টাকা চাওয়া হয়েছিল।
যে কোন ফাইল পাশ করাতে টাকা দিতে হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তারা প্রজেক্ট ভিজিট করলেই 10000-20000 টাকা, পরিবারসহ সকলের ভিজিট খরচ, গাড়ি ভাড়া, গিফট ইত্যাদি দিতে হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট আনতে যাই পরে একজনকে দেখি ট্রেড লাইসেন্স নিচ্ছেন পরে উনি বলেছেন অফিস সহকারিকে। যে সরকারি ফিস তো 500 টাকা 600 টাকা কেন নিচ্ছেন পরে অফিস সহকর্মী বলেন এটা সচিব এর অডার পরে লোকটি 600 টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিচ্ছেন। পরে আমি সার্টিফিকেট নিয়েছিলাম 600 টাকা দিয়ে যার সরকারি ফিস 500 টাকা। এটা Rupganj ar akti union office a
রেললাইন যাওয়ার ডিপ এর লাইসেন্স নবায়ন করতে হতো। এই জন্য শেরপুর এর সেই নলকূপ অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসার ঘুষ নেয় নি, উনি অফিসে কম আসে। ঘুষ নিয়েছে তার অফিসে যে এসব দেখাশোনা করে সে, মেবি অফিস সহায়ক।
ফোন পেয়ে বন্দর বাজার পুলিশ ফাড়িতে উপস্থিত হই। অফিসার দাবি করেন ২ হাজার দিতে হবে (বুঝতেই পারছেন) হুজুর মানুষ কম বললাম। যদি বাড়ি যেতাম তখন খরচা হতো, বেতন পাইনি নানান বাহানা করে ১০০০ দিয়ে আমার শালার পাসপোর্ট টা ভেরিফিকেশন করি।
৩০ বছর ধরে চাকরি করে অবসর এর টাকা পাওয়া যায় না , ৩ বছর ধরে অপেক্ষা এখনও পাওয়া যায় না , এক কর্মকর্তা বলে পাইয়ে দিবে
everything happened through a syndicate adopted by Jashore Municipality .over the year its sarveyor , engineer along with local fire office has created a eco system where you cant pass your house plan without a payout .some times they will ask for certain plans that needs files from their desincated people who will ask random amount just for the sake of smooth processing .specially the so called fire plan .then NOC of Municipality is other point. Even Jashore DC office officials also are now involved in this events .for this harassment, now the local engineers community bare submit plans for approval anymore .
সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছি, পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমার বাবা কে