fair license
প্রতি ১ টা ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৪০০০ টাকা হারে ঘুষ না দিলে ফায়ার লাইসেন্স দেবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি ১ টা ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৪০০০ টাকা হারে ঘুষ না দিলে ফায়ার লাইসেন্স দেবে না।
বিএডিসি সার লাইসেন্স নবায়নের সময় ডিলার প্রতি ২০০০টাকা ঘুষ গ্রহণ করে। — নামে একজন অফিস সহায়ক। এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর আওতায় সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প এর আওতায় আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে লোক নিয়োগে এস্টিমেটর — আর পিডি — দারুন এক ঘুষের রাজ্য গড়ে তুলেছেন, ১ম ধাপে ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রকল্পে লোক নিল পরে আবার টাকা চাইল, না হলে অন্য লোক নেবে, এটা পিডি এবং এস্টিমেটর ( —) এর মন্তব্য
আমার এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসিয়াল ফি এর বাইরেও ২৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। নবায়ন না করলে বায়ার নষ্ট হয়ে যেত। এজন্য চাহিত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
মাধক বিক্রি করে পুলিশ জেনেও তাদের ধরে না। অন্য ছোট ব্যবসায়ীদের ধরে কিন্তু তাদের ধরে না তার মানে কি তাদের থেকে ঘুস নেই। জেলাঃ কিশোরগঞ্জ, উপজেলাঃ কটিয়াদী, ইউনিয়নঃ মুমুরদিয়া, গ্রামঃ বাহেরপাথরের —ের ৩ ছেলে ও —র ছেলেরা এবং —, তাদের জালায় এলাকার সবাই অতিষ্ঠ, প্রশাসন ও মুখ বন্ধ কেউ কথা বললে তাদের বিরুদ্ধে অনেক জুলুম অত্যাচার করে, সবাইকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসুন।
রাস্তা নির্মাণের কাজের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রথমে ১১% হারে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে বিষয়টি ৮% হারে নির্ধারণ করা হয় এবং সেই অনুযায়ী ৩,৯০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
Went to update the factory license and have been paying Tk. 5,000 to Tk. 10,000 each year to get the factory license updated for the last couple of years. This year, we had to pay a total of Tk. 25,000 to get the Factory License updated, just because a new inspector (—) and other colleagues got appointed. They wanted Tk. 30,000 but when we asked why the huge increase should be paid, they answered that they have not come to the seat (designation) for free as well and indirectly threatened us by saying that they we would face unnecessary problems if they come to visit our premises. Had no options other than paying the amount and just get the work done.
ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়।
আমার বাসা বনশ্রী রামপুরাতে। বাসার পিছনে সারা দিন মাদকাসক্ত, মাদকসেবন, মাদক কেনা বেচার রমরমা বাজারে পরিনত হয়েছে। পুলিশ কে জানালে বলে অইটা আমাদের এরিয়া না। কিন্তু খোজ খবর নেয়ার পর জানতে পারলাম কিছু পুলিশ নিজেই এই সবের সাথে জড়িত। কিছু দিন হই হুল্লুর হয়, আবার জেই লাউ সেই কদু। কে শোনে কার কথা। থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে গিয়ে ছিলাম একজন পুলিশ বলে কিছু মাল পানি দেন কাজ করে দিচ্ছি, জিজ্ঞাসা করলাম কত টাকা? তিনি বললেন : দেন লাখ২-৩ সব সেটেল করে দিচ্ছি। বুঝলাম এই দেশে থাকতে হলে — মতো মানুষ মেরে থাকতে হবে। তা ছাড়া জাহান্নামে কস্ট নিয়ে বেচে থাকতে হবে। আল্লাহর গজব এই দেশের মানুশের উপর শুধু শুধু দেন না, এই সব পাপের প্রায়শ্চিত্ত ফল স্বরূপ দেন।
সংস্থা হচ্ছে পেট্রোবাংলা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা একটা সিন্ডিকেট করে ফেলেছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ। বিগত সরকারের সময় যথা নিয়মে সকল কর্মকর্তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে একটা সিন্ডিকেট প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে গড়ে উঠেছে। যার কারণে আমরা যারা নিরীহ কর্মকর্তা ঘুষকে প্রত্যাখ্যান করি তাদের পদোন্নতি পাওয়াটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের জন্য সততা কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার পদোন্নতি বিনা কারণে পেট্রোবাংলা ছয় মাস ধরে আটকে রাখছে। এ হচ্ছে বর্তমান অবস্থা।
আমি প্রবাসী, এম,ফিল করছি স্কলারশিপে মালেয়শিয়ার একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে, আমার রিসার্চ প্রায় শেষ এবং ইতিমধ্যে পি,এইচ,ডির প্রিপারেশন নিচ্ছি। একটা প্রয়োজনে আমার আনমেরিড সার্টিফিকেট দরকার তাই আমার হয়ে আমার ছোট বোন আমাদের নরসিংদী ডি,সি অফিসে যথাযত নিয়ম মেনে গত আগষ্টের শুরুতে আবেদন করে। এরপর যিনি আবেদন গ্রহন করেন তিনি আমার ছোট বোনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবী করেন, এইসব কাজের জন্য নাকি ২০ হাজারের নিচে কোন কাজ হয় না, এরপর আমার ছোট বোন দুই ধাপে ওই মহিলাকে ৬ হাজার টাকা পরিশোধ করে, কিন্তু আমি এখনো আমার সার্টিফিকেট হাতে পাইনি। যদিও এস,বি অফিস থেকে আমার রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ওনি এখন বলছেন এ,ডি,সি সাহেব সাইন করে নাই এখনো, সময় লাগবে সাইনের জন্য।
ফায়ার লাইসেন্সের আবেেন করা হয়। লাইসেন্স ডিজিটালি ভিজিট রিপোর্ট সাবমিশনের জন্য মিস্টি খেতে চাওয়া হয়। প্রথমে গুরুত্ব কম দেয়া বা সরাসরি টাকা না দেয়ায় মাসেরও বেশি সময় রিপোর্ট ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে ৬৫০০০ টাকায় সেটেল করা হয় ও পরবর্তি ২ সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্সও পেয়ে যাই।
আমি গত 08-03-2026 ইং তারিখে ভুমি অধিগ্রহন মামলার একটি কাগজ উঠানোর জন্য নির্ধারিত কোর্ড ফি দিয়ে আবেদন করি। তারপর জিজ্ঞেস করি কত দিনের মধ্যে কাগজটা পাব তখণ অফিসের লোক বলে 1000 এক হাজার টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে পাবেন আর টাকা না দিলে কবে নাগাদ পাবেন বলতে পারবো না। আজ 27-08-2026 তারিখ এখনো কাগজটা পাইনি। এখন বলছে টাকা দিলে আজকেই পাবেন।
আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিস মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম, অফিসের স্টাফ বললো এখন ভোটার করা যাবে না। আমি অফিসারের কাছে গেলাম, অফিসার আবার আমাকে পিউন এর কাছে পাঠালো, তখন পিউন/অফিস স্টাফ আমার কাছে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা চাইলো। বললো স্যার বলছে আপনি টাকা দিলে ভোটার হতে পারবেন। এর মধ্যে অন্য একজন লোক আসলো ভোটার স্থানান্তর করার জন্য, তখন অন্য একজন অফিস স্টাফ তার কাছে ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) টাকা দাবি করলো। লোকটি টাকা নাই বলে অনুরোধ করতে চাইলো কিন্তু পিউন এবং অফিস স্টাফ ধমক দিয়ে লোক থেকে সরিয়ে দিলো। ঐ লোকটির মত আমাকেও অসহায়ের মতো চলে আসতে হলো।
আমি আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে , ওনারা আমার কাছ থেকে ৩৫০ টাকা দাবি করে কাজটি করে দিতে। আমি যখন তাদের সরকারি ফি ৫০ টাকার এর কথা বলি তখন তারা বলে যারা বলেছে তাদের থেকে করে নিয়ে আসেন। শুধু তাই নয় ওনারা নামের অখহর ভুল করেছে যার কারনে আবার ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি অভিযোগ করতে গেলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ না করে ফেরৎ আসতে চাইলে তিনি ভূল ভাল বুঝিয়ে টাকা এবং অভিযোগ দুটোই রাখেন।
আমি আমার বয়স সংশোধনের জন্য সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে একটি প্রত্যায়ন পত্র নিতে যাই। আমার জানামতে এটা বিনা মূল্যে প্রদান করা হয়। কিন্তু অফিসের কর্মচারীরা আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ৭ হাজার টাকা দিয়ে আমাকে নিতে হয়। সেটাও ২ সপ্তাহের মত আমাকে ঘুরতে হয়।
আমার নামের বানান ভুল প্রিন্ট হয়ে আসে যখন এনআইডি হাতে পাই, সেই সাথে আমার মায়ের লাস্ট নেইমও ভুল আসছে, কিন্তু আমি যখন ভোটার হই, তখন আমি সব কিছু ঠিক মত লিখে দিছিলাম ফর্ম-এ। এনআইডি কার্ড পাওর পর যখন ঠিক করার জন্য আবেদন করি অনলাইনে, তার পর অনেক দিন পেন্ডিং অবস্থায় পরে থাকে আবেদন, তারপর অফিসে (আগারগাও) গিয়ে কথা বলি, তারা বলে দেখবে। বের আসছিলাম অফিসের একলোক আমাকে গেটের সামনে থেকে ডেকে চায়ের দোকানে নিয়ে যায়। পরিচয় দেয়, সেই এই অফিসেই চাকরি করেন, আইডি কার্ড দেখালো, আমিও এই লোকে অফিসে দেখছি। পরে আমার প্রব্লেমের ব্যাপারে জানতে চান, শোনার পর ২৫,০০০ টাকা দাবি করে, বলে এখন টাকা দিলে আজকেই কাজ হয়ে যাবে। আমি ফোন নাম্বার নিয়ে চলে আসি, আমার ফোন নাম্বার রেখে দেন, তার পর এক সপ্তাহ আমাকে অনেক বিরক্ত করেন।
অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করে ৬ মাসঘোরাঘুরির পর দালালের মাধ্যমে ৫০০০০/- টাকা দিয়ে পাঁচটি অনুমোদন করা হয়েছে দুই দিনের ভিতর
ইসলামিক ফাউন্ডেশন গণশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ, সকাল বেলা মক্তব পড়ানোর সার্কুলার হলে আবেদনের পর যানতে পাড়ি যোগাযোগ ছাড়া হবে না। যোগাযোগ করলে বলা হয় এক লক্ষ ৫০ হাজার অনেকেই দিচ্ছে সেই জন্য তাকে ১ লক্ষ টাকার ঘুষ দেওয়ার কথা বললে উপজেলা দায়িত্বরত কোন মতে রাজি হয়। অগ্রীম ২০ হাজার নিয়েছে ৬ মাস পার হলেও টাকাও নাই চাকরিও নাই। এই অবস্থায় আছি।