জিডি
মোবাইল খুজে পেতে জিডি করার পরে সিসি ক্যামেরার আড়ালে ডেকে টাকা দাবি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মোবাইল খুজে পেতে জিডি করার পরে সিসি ক্যামেরার আড়ালে ডেকে টাকা দাবি।
আমার একটি মামলা আদালত থেকে সিআইডিকে তদন্তের জন্য দিলে সিআইডি এর এক এসআই আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। সকল কাগজ আমার পক্ষে থাকলেও সে আমার কাছে এই ৫০ হাজার টাকা চায়। আমি বলছি আমি দিতে পারব না। আপনি সত্য ঘটনা তদন্ত করেন। আমার পক্ষে থাকলে সেটা দিবেন। না থাকলে নাই। তারপরেও খুবই চাপাচাপি ও ভয় দেখিয়ে আমার কাছ থেকে সেটা আদায় করে। আমি ভুক্তভোগী।
একজন ব্যক্তির লাশ পুলিশ কর্তৃক সরকারি মর্গে রাখার জন্য এবং পরবর্তী দিন সকালে পোস্ট মটেম করার জন্য পুলিশের সদস্যকে গাড়ি ভাড়া দিতে হবে তাকে না হলে সে আসবেনা বলে জানায়
I had to collect police clearance certificate from Dhaka cantonment. I am currently living in Canada. I needed to collect police clearance certificate. Note that last five years I have been living in Canada but Police said they need to go my previous permanent address. They asked why I have changed my permanent address. Although my birth certificate and passport were in same permanent address in Dhaka. Finally my elder brother was bound to pay the bribery to get the clearance certificate. For same reason -- to collect police clearance My wife had to pay 2500 BDT in Lalpur Natore ..
কিছুদিন পূর্বে আমি আদমদীঘি থানায় একটি মিসিং ডায়েরি করতে গেলে আমার জিডি বা জেনারেল ডাইরিটি প্রথম অবস্থায় নিতে চায় না। তবে পরবর্তীতে নেয় এবং নেওয়ার পরে বলে আমাদের কিছু চা নাস্তার টাকা দিন । তিনি এক হাজার টাকা চান । আমি অবশেষে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই এবং সেটা অনুরোধের সহিত দিয়ে চলে আসি।
রাস্তা, ফোটব্রিজ(ADP),কাজ করেছি 2700000 টাকার। কাজ শেষ করার পর বিল জমা দেওয়ার সময় বলে ৫% ঘুষ দিতে হবে তানাহলে বিল দিবে না।এখন কি করি এই কাজ করার সময় দোকান থেকে রড,সিমেন্ট বাকি নিছি তাদের টাকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছি।
টাকা চেয়ে ছিলো, দেই নাই বলে তারা নাম ওহ দেই নাই, সরকার ভাতা বিনামূল্যে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলো৷ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান —, টাকা না দেওয়ার কারলে আবেদন বাতিন করেন
বিএসটিআইয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সাধারণ জনগণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং বাজারে পণ্যের মান ও সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করা। একটি প্রতিষ্ঠান তার কারখানার প্রয়োজনীয় মানোন্নয়ন ও বিধিবদ্ধ শর্ত পূরণ না করেও যদি কোনো অনৈতিক উপায়ে লাইসেন্স বা সনদ গ্রহণ করে, তাহলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর। কখনো কখনো অভিযোগ পাওয়া যায়, কিছু অসাধু কর্মকর্তা অনৈতিক আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স বা সনদ প্রদানে সহযোগিতা করেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাগজপত্র বা নানা অজুহাত দেখিয়ে লাইসেন্স বা সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে অবৈধ আর্থিক সুবিধা দাবি করার অভিযোগও উঠে আসে। এ ধরনের অনিয়মের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ হলো সাধারণ জনগণ ও ভোক্তা
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের বিরুদ্ধে আমার অভিজ্ঞতা খুবই হতাশাজনক। প্রথমবার ভারত যাওয়ার সময় ৫০০ টাকা এবং ফেরার সময় পাসপোর্টে Entry/Exit সিল দেওয়ার জন্য ২০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা দিতে না চাইলে পাসপোর্ট জমা রেখে ৫–৬ ঘণ্টা হয়রানি করা হয়। সঙ্গে থাকা আমার বয়স্ক বাবাকেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দ্বিতীয়বার খুলনা-কলকাতা ট্রেনে যাওয়ার সময়ও অনেক যাত্রীর কাছ থেকে ১,০০০–২,০০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। আমি টাকা না দেওয়ায় আমার পাসপোর্টে সিল দিতে দেরি করা হয়। স্টেশন মাস্টার পর্যন্ত ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান। পরে সিল দিয়ে আমাকে যেতে দেওয়া হয়। শুধু বাংলাদেশি নয়, ভারতীয় যাত্রীদের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়া এবং হয়রানি করতে দেখেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
মামলার হাজিরা দেওয়ার জন্য প্রতি তারিখে ১৫০০ টাকা করে নিয়েছে তার নাম চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের পেশকার —। মামলায় একদিন হাজিরা না দিলে ভয় লাগিয়ে টাকা দাবি করে এখনো
আমার সরকারি চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ফোন করে বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও ভেরিফিকেশনে বাজে রিপোর্ট দেয়ার কথাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই আমাকে উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। এমনকি এই অর্থ পরিশোধের পরেও ফোন করে আবার টাকা চাওয়া হয়।
আমার নাম —।আমি একটি ভাড়া বাসা নিয়ে থাকতাম রংপুরে সদর এ।সকালবেলা আমার কিছু বন্ধু আসে যারা ঢাকায় যাবে রংপুর থেকে তাদেরকে নাস্তাকড়ানোর জন্য বাসায় বের হয়েছিলাম।তারা রিক্সায় ছিল আমি আর আমার স্যার বাইকে ছিলাম।রংপুর তাজহাট থানা একটি গাড়ি হঠাৎ আমাদের সামনে এসে আমাদেরকে গাড়িতে জোরজবস্তি উঠিয়ে নেয়।এবং আমাদের হাত থেকে ফোনগুলো কেড়ে নেওয়া হয়। ২ ঘন্টা পর আমাদের হাতে ফোন দেয়া হয় এবং বাড়িতে কল দিয়ে ২০,০০০৳ নিয়ে আসতে বলে। আমার পরিচিত এক আংকেল পুলিশ আমি বাসায় কল না দিয়ে তাকে কল দেই তিনি যখন রংপুর তাজহাট থানা অসি মহোদয়ের সাথে কথা বলে তিনি দাবি করেন আমার তাদের গালিগালাজ করি।এবং পরবর্তীতে আমাদের বিশ হাজার টাকা দিয়ে থানা থেকে বের হতে হয়। Si — এই ব্যক্তি আমাদের কাছে অর্থ নেয়
সোনালী ব্যাংকে এ চালান করতে গেলে কারেন্ট নাই জেনারেটরের সমস্যা এই বইলা টাকা দাবি করে টাকা দিলে সার্ভার ফিরে এসে নইলে বলে সার্ভার নাই পরে করেন ঘন্টা পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় আবার দাবি কি তোর ঘুষ প্রদান করলে সার্ভার ফিরে আসে কিন্তু দলিলে এই চালানোর টাকা উৎস কর জমা না দিলে দলিল কিভাবে করব নির্ধারিত সময় তো দ করতে পারতেছি না পদক্ষেপ নিন।
Concern officer delayed to deliver the clearance without extra money. So bound to pay GHUSH😡
সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি nocs,।মিটার পরিবর্তনের আবেদন ২ মাস ঝুলিয়ে রেখেছে , ইঙ্গিতে বেশি টাকা দিকে তাড়াতাড়ি কাজ করবে,
আমার পরিবারের একজন ব্যক্তিকে আনুমানিক রাত একটায় এসে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা থানায় গেলে তারা বলে টাকা দিতে হবে না হলে মামলা দিবে। আর এমন অবস্থায় ভিকটেম এর ভিসা প্রসেসিং হচ্ছে যার কারনে বাড়াবাড়ি না করে তাদের দাবীকৃত অর্থ আমাদের পরিষদ করতে বাধ্য হই।
Wanted to register a Charity Foundation, already submited all the documents as required and already completed all the process and they have already varify our all members locations and office location and declraied that everything is okay and the officers who came for varifications they told us that within 2 weeks we will got our registration number then we can start our foundation officially but it's already been 2 years they aren't giving us registration. When we call the officers several times they said indirectly that it will be clear if we give them 150000tk as soon as possible. we already got to know that that officer may have transfer soon as there's many complains against him.
—, কার্যসহকারী, ঠিকাদারদের চাপ সৃষ্টি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে ঘুষ গ্রহন করে চলেছেন অনবরত। তিনি ঘুষের বিনিময়ে সার্ভেয়ার অতিরিক্ত দায়িত্ব ঢাকা থেকে করে নিয়ে ঘুষ বানিজ্য চলমান রেখেছেন।
আমার এক লক্ষ টাকার একটি জীবন বীমার মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু সেটা এখন ভেঙে দেওয়ার জন্য আমার কাছে টাকা দাবি করতেছে। সে রাউজান পোস্ট অফিসে টাকা ছাড়া কোন সেবা প্রদান করা হয় না। যেকোনো ধরনের বীমা খুলতে গেলেও টাকা নেই আবার ভাঙার সময়ও টাকা নেই।
BNP লোক নিয়েছে।কারন বলতে চাইছি না