আপিলের জন্য রায়ের কপি তুলতে প্রায় ১০০০০ টাকা দাবি
বিভাগের মামলায় রায় সাতকানিয় আদালতে হয কিন্তু অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয তাই আপিল করতে রায়ের কপি দরকার কিন্তু সেই কপি নিতে ১০০০০ লাগবে বলছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিভাগের মামলায় রায় সাতকানিয় আদালতে হয কিন্তু অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয তাই আপিল করতে রায়ের কপি দরকার কিন্তু সেই কপি নিতে ১০০০০ লাগবে বলছে
বিস্ফোরক লাইসেন্স ১৫০০টাকা.৫৫০০০ টাকা দিয়া করতে হয়েছে।টাকা না দিলে লাইসেন্স দেয় না,এই নিয়ম ঐ নিয়ম,নিয়মের শেষ নাই।
আমার ১২ টি ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কাজের জন্য ব্যাংক লোন করতে চেয়েছি।। ব্যাংকের কর্মকর্তারা শতকরা ৬.৫% করে ঘুষ চেয়েছেন।। ঘুষ চেয়েছেন ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এই হল অবস্থা তাতে আমার লাভ কি আমি এই সুদ ও আসল সব মাথায় নিয়ে ঘুরতে হবে।।
লক্ষীপুর জেলা, রায়পুর থানায় যেন চলছে রম রমা বানিজ্য, প্রত্যেক পদক্ষেপে ঘুম দিতে হয় পুলিশ সদস্যদের, এ থানার ওসি যেন আরেক মাফিয়া, গত কাল রাতে একটা অভিযোগে সন্দেহ ভাজন হিসেবে আমার বন্ধুকে আটক করা হয়, পরে যানতে পারি সে সন্দেহ ভাজন আসামী, রাতে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর নিয়ম অনুযায়ী তাকে কোর্টে চালান করা কথা, যখন ফরওয়ার্ডিং লিখে তখনই সরাসরি পুলিশ কন্সটেলেশন চেয়ে বসে ২০ হাজার টাকা এবং বলে ফরওয়ার্ডিং এ হালকা করে লিখা হবে তাই খরচ দিতে, আমরা দেই নাই, এবং গত রাতেও বেশ কয়েকবার ওই মামলার আয়ু Si কয়েকবার আকার ইংগিতে খরচের কথা বলে, এবং বলে বিষয়টি সালিশে নিয়ে সমাধান করা হবে, ১ লাখ টাকা ও দাবি করা হয়, তবে আজ দুপুরে কোর্টে চালান করা হয়, ছাড়া এর আগেও আমার ব্যক্তিগত ঝামেলায় একটি মামলা না নিয়ে সালিশ করা,
আমরা রাজস্ব সরকারি সার্কুলারে নিয়োগপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা, আমাদের না দিয়ে আউটসোর্সিং, দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী, কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের ঘুষের বিনিময়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়।ওদের লোক আছে, টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, এভাবেই ওদেরকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আমরা রাজস্ব নিয়োগের প্রাপ্য এরপরও পাচ্ছি না, আমাদের বলা হচ্ছে বাসা খালি নেই, গণপূর্ত অধিদপ্তর ঢাকা
পাসপোর্ট করার ভেরিফিকেশনে শেরপুর পুলিশ সুপারের অফিসে ভিতর গিয়ে কম্পিউটার অপারেটর মনে হয়। নাকি পুলিশই ঠিক যানি না। সে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয় পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেয়নের জন্য।
In 2016, I had to undergo police verification for the permanent confirmation of my employment. The officer responsible for verification at my permanent address asked me to meet him and bring certificates confirming my SSC and HSC qualifications. After I submitted the documents, he demanded money from me. I had never paid a bribe before, so the situation made me extremely uncomfortable. I initially offered BDT 1,000, but he said that a portion of the money had to be given to a senior officer. Later, a friend who was with me advised me to pay BDT 2,000. Fearing that my job confirmation might face complications, I ultimately felt compelled to pay BDT 2,000.
হঠাত করে আমাদের বাসার বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। DPDC তে যোগাযোগ করলে তারা বলে অভিযোগ দিয়ে যান। তাদের সুবিধামত ঠিক করে দিবে। বিদ্যুৎ ছাড়া কি দুই তিন দিন চলা সম্ভব। ১০০০ টাকা ঘুষ দেয়াতে দুই ঘন্টার মধ্যে মিটারের ব্যাটারি চেঞ্জ করে আবার বিদ্যুৎ সচল করে দেয়।
ফেনীতে প্রবাসীদের BMET ফিংগারপ্রিন্টের জন্য ফেনীর BMET অফিসে গেলে তারা সিরিয়াল নেওয়ার জন্য ২০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ১-২ মাস পর ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার সিরিয়াল দেয়। একটু বেশি কিছু বললে তারা বলে দেয়—'ফিংগারপ্রিন্ট মিলে না, আরও পরে আসবেন' এবং এভাবে ঘোরাতে থাকে। অথচ এটার নিয়ম হলো—প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ২৫০ টাকা পরিশোধ করলে আর কোনো টাকা লাগে না। কিন্তু ফেনীতে তারা শুধু সিরিয়ালের জন্যই ২০০ টাকা করে নিয়ে তারপর ফিংগারপ্রিন্ট নেয়, আর টাকা না দিলে হয়রানি করে। আমি একজন প্রবাসী।"
সেবাটি ছিল, প্রতি বছর সরকারি বাড়ির ইজারা নবায়ন ফি প্রদানে (জেলা প্রসাশক কার্যালয়, অর্পিত সম্পত্তি শাখা) তারা প্রত্যেক সময় এই কাজের জন্য অর্থ দাবি করে অফিস খরচ বাবদ ২০০০ টাকা এবং এলআর ফান্ডের জন্য দাবি করে ২০০০ টাকা। আমরা প্রতি বছর নবায়ন ফি বাবদ প্রধান করি ২৫২১৫ টাকা সরকারকে.
আমাদের বাড়ি রাস্তার অধিগ্রহণে পড়েছিল, উক্ব্রাত ক্হ্মষতিপুরনের অর্ণথ পেতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসের এডিসি রিভিনিউর সিএ — ৩০০০০০ টাকা উপরি দাবি করে। অতপর এতো টাকা না দিয়ে আমরা তার কাছথেকে সরে সরাসরি শাখাায় যোগাযোগ করলে আরো পেছাল বাড়ে, পরে পুনরায় সিএ —ের মাধ্যমে ২০০০০০ টাকায় রফাদফা করি। সে বলে এটা সে নিবেনা বরং এলাকার মানুষ হওয়ায় বলে সহজে করে দিছে, সে ১২ বছর যাবতএখানে পোস্টিং থাকায় এলাকার অনেক উপকার করছেন। সে এখানে যেন আরো কিছু দিন বহাল থাকতে পারে সেজন্য দোয়া চেয়েছে। এলাকায় খবর নিয়ে শুনি সে তার বাড়ি আপন ভাইয়ের কাছে বিক্রি করে ঘুষ দিয়ে চাকুরী ও পোস্টিং নেয়, এখন সে বোনদের কাছ থেকে জমি কিনে ৬ তালা ফাউন্ডেশন দিয়ে ৩ তলা ডুপ্লেক্স নির্মান করছেন।
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
সেল পারমিশন এর জন্য এস্টেট শাখায় ঘুষ নেয়া হয়। ঘুষ না দিলে তারা বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। বিভিন্ন অজুহাতে করে আর বছরের পর বছর ফাইল ফেলে রাখে। বছর যত বাড়বে, অফিসার এর চাহিদা আরও বাড়বে। রাজউকের এস্টেট শাখা একটা ভয়ঙ্কর জায়গা। সবাই এখানে দুর্নীতিগ্রস্ত। মানুষ কে কষ্ট দিয়ে টাকা নায়
রাজধানীর প্রতিটি ব্যত্যয়কৃত নির্মাণাধীন বিল্ডিং হতে রাজউকের ইমারত পরিদর্শকরা ক্ষেত্রবিশেষে ৫-৫০ লক্ষ টাকা ঘষ আদায় করে থাকেন মোবাইল কোর্ট বা উচ্ছেদের হাত থেকে উক্ত বিল্ডিংকে বাঁচানোর কথা বলে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এই পরিমাণ অর্থ যদি সরকার বৈধ জরিমানা হিসেবে আদায় করত তবে তাতে কমপক্ষে ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো।
আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর আবেদন করেছিলাম কিছুদিন পরে আমারে থানা থেকে কল দেয় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আমি থানায় গিয়ে পৌঁছাই তখন তিনি আমার কাছে চা- বিস্কুট খাওয়ার জন্য ৫০০-১০০০ টাকা দাবি করেন এবং এ ও বলে টাকাটা দিলে আমার কাজ দুই থেকে তিন দিনের ভিতর হয়ে যাবে না হলে একটু দেরি হতে পারে...| খুলনা বিভাগ নড়াইল সদর থানা
নতুন জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন করতে গেলে অথবা সংশোধন করতে সরকারি ফি এর চেয়ে ৫০-১০০ টাকা বেশি দাবি করা হয়। কোন ধরনের মানি রিসিট দেওয়া হয় না। সরকারের উচিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করা।
At Sher e Bangla Agricultural University, a group of teacher panel claimed the amount for getting recruited there though I was the right candidate. I rejected and that's why didn't get the job.
NID bananor jonno Dhaka 8, Word 12 e 100 taka kore extra nise.
১) আমি মূলত নিজেও সরকারি চাকরিজীবি, আমি যেই প্রতিষ্ঠানে (ইউনিয়ন পরিষদ) চাকরি করি এখানেও অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কিছুই হয়না। (জন্ম নিবন্ধন, প্রত্যয়ন, বিভিন্ন সনদে লাগামহীন অর্থ আদায় কথা হয়। ২) ইউনিয়ন ভুমি অফিসে নামজারীর জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। আমার নিজের. ৫ শতাংশ জমি নামজারি করতে ৭০০০ টাকা চেয়েছিলো পরে ১০০০ টাকা দিয়ে করেছি। ৩) ইউএনও এর পিও/ প্রকৌশল অফিস সরকারি কোন প্রকল্পই কমিশন ছাড়া বিল পাশ করে না। ৪) ডিসি অফিসের স্হানীয় সরকার শাখার কর্মকর্তা কর্মচারীরা টাকা ছাড়া কোন ফাইল ছারে না। ওনাদের নিজের কাজের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। আমাদের ২০২২ সালের পরে বর্তমান আগষ্ট /২০২৬ পর্যন্ত সার্ভিস বুক হালনাগাদ নেই। ফলে জুলাই /২০২৬ মাসের বেতন এখনো হয়নি। আজ আগস্ট মাসে ২৪ তারিখ।
মাদ্রাসায় মূলত সরকারি পেনশনের টাকা দুটি ভাগে ভাগ করা একটি হল কল্যাণ ব্যাংক আরেকটি হল অবসর বাতা যেখান থেকে চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেছে চার বছর হল তাদের কাছে অনেক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও ঘুরাতে ঘুরাতে এখনো পাইতেছি না একটি কাজের জন্য ৩০ হাজার নিয়েছে সেটা হল কল্যাণ ট্রাস্ট অবসর বা তার জন্য আবার টাকা চাচ্ছে বসে সেটা নাকি দেরি হবে টাকা পেতে এখনো কোনটাই টাকা পায়নি আবার টাকার কথা বলছিলো দিতে পারিনি