Income tax certificate
Income tax certificate newar jonne harrass korche onek, then rude behaviour and 100 tk ghush nise, tao somoy moto kaj kore dey ni
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Income tax certificate newar jonne harrass korche onek, then rude behaviour and 100 tk ghush nise, tao somoy moto kaj kore dey ni
আমার চাচা বিদেশে থাকেন উনার জন্য অবিবাহিত সনদ উত্তোলনের জন্য গেলে আমাকে প্রথমে এই কাগজ সেই কাগজ বলে অনেক দিন হয়রানি করা হয় পরবর্তীতে একজন আমাকে ২০ হাজার দাবী করে & ১৩ হাজার টাকায় কাজ টি করাতে হয়ে ইমার্জেন্সি ছিলো বিদায়। এই সময় ডিসি সারওয়ার সাহেব আমাদের জেলা প্রশাসক ছিলেন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর একাউন্টস অফিসে মেডিকেল বিল,এরিয়া বিল করতে গেলেই টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়।গত বছরের শেষের দিকে ৩৮,০০০টাকার একটা বিল করতে ৬০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর পিয়নরা ঘুষ নেওয়ার জন্য বিখ্যাত।
SFC(N) এ প্রত্যেক জন নাবিকের TA/DA এর টাকা নিতে হলে ১০% থেকে ২০% টাকা ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে তারা চেক পাঠায় না। আমি ঘুষ না দেয়ায় আমার ১৭০০০ টাকা পাই নাই। তাদের কাছে এ বিষয়ে খোজ নিলে ওই বিল ভাউচারে যারা আছ তাদের সবার সাথে যোগাযোগ করে আসতে বলে। যোগাযোগ এর অর্থ সবাই মিলে টাকা তুলে একজন তাদের দিতে হয়। দিলে ওই বিল ভাউচারে যারা আছে সবার চেক পাঠায়। আর যোগাযোগ (অর্থাৎ সবাই মিলে টাকা তুলে না দিলে) চেক পাঠায় না।
পুলিশ ভেরিফিকেশন বাবদ— একবার প্রাইমারির নিয়োগ অন্যবার ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে’ দুইখানে ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা ঘুস নেয়! কোনো দোষত্রুটি না পেয়েও বাবা-মায়ের আইডির ভুল ধরে ২য়টির জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে! অনেক তেল মেরে বাবা-সোনা বলে আমার আম্মা ৩০০০/ দিয়ে বিদায় করে। প্রাইমারির জন্য এসে সরাসরি ৫০০০/ দাবি করে; ৩০০০ দিয়ে কাজ শেষ হয়!
বাংলাদেশ এক্সপার্ট প্রমোশন ব্যুরো (EPB) তে এক্সপার্ট রিলেটেড কাজ যেকন SAFTA করাতে গেলে প্রতিটি ডকুমেন্টস সিল এবং সিগনেচার বাবদ ২৫০ টাকা কারওয়ান বাজার অফিসে এবং নারায়ণগঞ্জ অফিসে একই কাজের জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া তারা সিগনেচার দেয়না। এছারা প্রতি ইদেও তারা ইদ বোনাসের নাম করে অনেক টাকা দাবি করেন।
আমি পারিবারিক মারামারির ঘটনায় একটি মামলা করার জন্য বাঁশখালী থানায় যাই। সেখানে সেকেন্ড অপিসার আরিফ হোসেন মামলা রেকর্ড করার জন্য ৩০০০০ টাকা চায়। আমি কোনোমতে অনুরোধ করে তাকে ১০০০০টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার মামলাটি নেয়। এই টাকা নাকি ওসিকে ভাগ দিতে হয়।
গণপূর্ত অধিদফতর এর প্রধান কার্যালয় থেকে নকশা অনুমোদন হয়। সাধারণত প্রতি ফাইল পাশ হতে বিল্ডিং এর সাইজ ভেদে ১০ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত টাকা দিতে হয়। এর জন্য অলিখিত চুক্তি থাকে৷ টাকা না দিলে নকশা অনুমোদন হয় না।
১) ২০২০ সালের নভেম্বরের দিকে আমি যখন নতুন ভোটার হব, তখন জন্মনিবন্ধন কাগজটি অনলাইন করার জন্য দায়িত্বরত ইউনিয়ন সচিব যা-তা বুঝিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করে। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে এবং ইমার্জেন্সি থাকার কারণে ৭০০+ টাকার দিয়ে কাজটি তাৎক্ষণিক করে নিই। এখন কথা হচ্ছে যে কাজ করা যাবে না, সার্ভার অফ করে রাখছে হেড অফিস থেকে ইত্যাদি, সে কাজ ১ কর্ম দিবসে হয়ে গেল🙂 ২) পাসপোর্ট করার জন্য ২০২৪ এর শেষে বাবা মায়ের নাম সংশোধনের জন্য সেই পূর্বের মত ১২০০+ টাকা লেগেছিল 🙂
নিজে নিজে বহু ঝামেলার পরেও ৩ বার পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে আমার থানায় এসবি শাখায়,পুলিশ আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে আমি দিতে রাজি হয়নি সে কাগজ জেলায় রিটার্ণ পাঠিয়ে দেয়, জেলা এসবি অফিস থেকে কয়েকবার যোগাযোগ করা হয় তবুও আমি রাজি ছিলাম ঘুস দিতে এদিকে আমার পাসপোর্ট জরুরী হওয়ায় অপারগ হয়ে জেলা এসবি অফিসে ১০০০ টাকা দেওয়াই লেগেছে।
গুগোল এডসেন্স এর চিঠি আসছিলো। এরা ঐটা আটকে মিষ্টির টাকা চায়। ৫০ টাকা দিতে চাইলে প্রত্যাখ্যান করে। সম্ভবত ১০০ দিয়ে পরে ম্যানেজ করেছিলাম। ঘটনা ২০২১ এর সম্ভবত।
আমার মায়ের নাম সার্টিফিকেট ভূল ছিল। পরে তা সংশোধন করতে সরকারি খরচের বাইরে এই ২০০০ টাকা আমার থেকে দাবি করে, পরিশোধ করলে ও সময় মতো কাজ করে দেয় নি। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সেইম!!
নতুন এনজিও হিসেবে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরোর মহাপরিচালকের একান্ত সচিবের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলাম।সে সুন্দর করে তার সিন্ডিকেটের ভিতর আমাদের ঢুকায় দিয়ে, ঘুষ দিতে বাধ্য করলো
সেবাটি হলো টিএডিএ ক্লেইম করতে তাদের টাকা দিতে হয়েছে। ৮ হাজার টাকার জন্য ৩ হাজার দেওয়া লাগছে ।
বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন এর জন্য বিভিন্ন ছাড়পত্রের প্রয়োজন পড়ে। যেমন পৌরসভার ছাড়পত্র ভূমি অফিসের স্যারপত্র, গ্যাস অফিসের ছাড়পত্র, বিদ্যুৎ অফিসের ছাড়পত্র, সড়ক ও জনপদ বিভাগের ছাড়পত্র। সকল বিভাগের ছাড়পত্রই পেয়েছি অল্প ২/৪ হাজার খরচ করে কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের অফিস খুবই খারাপ। এই অফিসে যে এত ঘুস চলে চিন্তার বাইরে।
পাসপোর্ট অফিসের বাইরে যেই প্রিন্ট, ফটোকপির দোকান থাকে, ঐ দোকানের একজন বললেন আমার আরও কাগজ লাগবে নাইলে আটকাই দিবে & ব্লা ব্লা, পরে আমি তাও রাজি ছিলাম না। পরে তারা আমার বাবাকে কনভিন্স করে, তারপর ১৫০০টাকা নেই। সেইটা অফিসে বসে থাকা একজনকে আমার সাথে যেয়ে জানাই, সে আবার আমার ফাইলের ওপর মার্ক করে রাখে, তারপর আমাকে কোথাও, কোনো কিছুর জন্যই দেরি করতে হয়নাই, সাথে সাথে হয়ে গেছে সব। তার পরিবর্তে তাকে টাকা দেওয়া লেগেছে।
জন্মনিবন্ধন করতে ১০০০ টাকা ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার যে অপারেট করে ওনি নিয়েছে। তারপর আবার ভুল ওনি ই করে সংশোধন করার নামে ৩০০ টাকা নিয়েছে।
As a business owner, I find it easier to give ghush than pay the full VAT amount. Don’t get me wrong,if given the choice, I would happily pay VAT if I knew it actually benefited my country and my people. The current system incentivizes tax evasion, as NBR officials may not raid your factory if you give them ghush. When I first started, I used to pay VAT legally, but these officials would frequently harass me and force me to pay more VAT than I was actually supposed to, simply to meet their targets. That’s when I was forced to turn to the dark side. We should all pay our taxes properly but people need to trust the system.
এটা একটু বেসরকারি নার্সিং কলেজ। এটি ফরিদপুরের সদরের মধ্যে অবস্থিত নাম রেজওয়ান মোল্লা নার্সিং কলেজ। ভর্তি হওয়ার সময় তারা বলেছিল টোটাল খরচ হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। কিন্তু ইন্টার্নী শেষ করে টোটাল খরচ হয়ে যায় চার লাখ টাকা। সর্বশেষ যে দুর্নীতিটা লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য সরকারের নির্ধারিত ফি মাত্র ২ হাজার টাকা। আশপাশের অন্য কলেজগুলাই ২৫০০-৩ হাজার টাকায় কাজ করে দিয়েছে। কিন্তু এই হসপিটাল এ ১২ হাজার টাকা নিয়েছে। কাউকে বলে কোন সাহায্য পাচ্ছি না। কিছুদিন আগে আমরা অনেক প্রতিরোধ করি, একটা ঘটনা বলি কিছুদিন আগে ইন্টারনি করার জন্য ফরিদপুরের নামিদামি সব কলেজে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা করে নিয়েছে। এই কলেজ ১২০০০ টাকা চায় তখন আমরা প্রতিবাদ করি বিভিন্ন জায়গায় এদের বিরুদ্ধে নালিশ জানায়। ১৮ হাজার দিতে চe
ফাইল ফরওয়ার্ড জিম্মি