বিদ্যুৎ সংযোগ
বিল্ডিং এ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিল্ডিং এ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া।
৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে কোন খরচ নেই, কিন্তু অফিস সহকারী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী সচিবের সাথে যোগ সাজসে ১৫০ বা এর অতিরিক্ত টাকা নেয়
Under DG shipping they conduct COC class 1/2/3 exams. And these exams written question and oral both can be clear by paying a huge money. To clear oral exam its required 2 lac and more for COC-3 and for written question it required about 4-5 lac WHICH VERY RANK WISE.
একজন শিক্ষক যত টাকা কল্যাণ ও পেনশন এ পাবে তার ৫% দেওয়া লাগবে ঘুষ হিসেবে। ওখানে অনেক জট এজন্য টাকা দিলে আগে টাকা পাবেন। না দিলে অপেক্ষা করতে হবে যেটা ৪-৫ বছর।
ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ২৪,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ৬০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।
ইদানীং বিদ্যুৎ অফিসে নতুন সংযোগ নিতে গেলে ইন্সপেকশন এ ফেইল করে দেয়। তবে মিটারপ্রতি ৫-১০ হাজার টাকা জমা দিলে ইন্সপেকশন ও সাকসেস হয় সাথে মিটার লাগিয়ে দিয়ে যায়।
সাধারণ জন্মনিবন্ধ করার জন্যে ৭০০৳ দাবি করে বসে। যদি না দিই তাহলে কার্ড হবে না। কার্ড ইমারজেন্সি ছিলো তাই চেয়ারম্যানের অফিসে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে হয়েছিলো।
আমাকে বলছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে। অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়ে ইনকাম ট্যাক্স বাড়িয়ে দিবে। আমি নিরুপায় তাই টাকা দিতে বাধ্য।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের অস্ত্রের গুলি কেনার অনুমতি প্রদানের জন্য অফিস সহকারী লোকমান ৬/৭ দিন আমাকে ঘুরাচ্ছেন নানান অজুহাত দেখিয়ে।এক পর্যায়ে আমি বলি আপনি অনেক কষ্ট করছেন চা পান খাওয়ার জন্য কিছু বকশিস দিব তারপর ওনি বলেন আগামীকাল সকালে নিয়েন অনুমতি পত্র।আমি পরের দিন অনুমতি পত্র নিয়ে আসি এবং ওনাকে ৩০০ টাকা প্রদান করি।
আমার এনআইডির জন্য নাগরিক সনদ ও খারিজের কাগজ ছিলো না এর জন্য আমার কাছে 20000(বিশ হাজার) টাকা চেয়েছে
ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করাতে গিয়ে তাদের থেকে এই ঘুষ এর দাবি পেয়েছি
আমি একটা কন্টাক্টি কাজ এর জন্য একটা ফরম পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেই যা খরচ ৭০০টাকার মত,কিন্তু আমার দিতে হয় বিভিন্ন ভাবে ১হাজার টাকার মত।প্রতিটা স্টেপ এ তারা টাকা ছাড়া কাজ করে না,,,,টাকা না দিলে আটকায় রেখে দিবে।
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
I paid the payment on govt site to get character certificate. But the computer operator of Manirampur Pourashova said that needs 100 tk even though that is paid. Even, he printed a citizenship certificate even though I filled up the paper to get character certificate. He demanded more 40 tk to print out character certificate.
পরশুরাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কিবরিয়া,জুনিয়র অডিটর সুব্রত ঘুষ ছাড়া কোন কাজই করেনা। যেকোন বপতন বিল,টিএডিএ ভাতা,এলপিসি সনদ পাশ করতে হলে ওনাদের ঘুষ দিতে হয়।যেটাকে ওনারা অফিসের ভাষায় বলে 'সমন্বয়' করা। আমার বিভিন্ন কাজে বারবার অনুরোধ করলেও ওনারা সমন্বয় না করে কোন ফাইল ছাড়ে না।
বিগত কয়েকদিন থেকে জায়গা জমি জেরে আমাকে নানান ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং ঐদিনও আমাকে হুমকি দিচ্ছিল এবং সামনাসামনি এবং আমি ওটা ভিডিও করতে গেলে আবার ফোন ভেঙে ফেলে এই তো এটা নিয়ে আমি থানায় জিডি করি তবে তদন্ত কোর্টে পাঠাতে নাকি পুলিশের টাকা লাগবে সে আমাকে সরাসরি টাকা দাবি করে কোন কথা বলে নাই এ ব্যাপারে
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
আমি জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট করে সৌদি আরবে এসেছি। আমার জন্মনিবন্ধনের সব তথ্য সঠিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারিভাবে তথ্য অনলাইনে তোলার সময় আমার জন্মতারিখ ভুলভাবে ৮ বছর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে ইউনিয়ন সচিবের কাছে গেলে তিনি বলেন, এটি ঠিক করা সম্ভব হবে না। পরে একই অফিস থেকে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা সেখানে নিয়মিত ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৩০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট চায়ের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতেও ৩,০০০–৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।