নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি ২ লাখ টাকার প্রকল্পে পিআইও ৪৫,০০০ টাকা ঘুষ নেন, ইউনিয়নে প্রকল্প না দিয়ে নিজেই প্রকল্প করেন। অনুমান করা হচ্ছে দেড় বছরে ২ কোটি টাকার বেশি লোপাট হয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন ইংলিশ করতে ১০০০ টাকা ছাড়া এপ্রুভাল দেয়নাই
Home delivery of police verification within 5 days. Without any actual verification.
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বদলির জন্য আবেদন করেছিলাম। অর্থ প্রদানে অপারগ হওয়ায় বদলি হয়নি।
ক্লায়েন্টের ফাক্ট্ররী লাইসেস্ন নবায়ন। সরাসরি চাওয়া হয়েছে
এটা একটা অলিখিত এরেঞ্জমেন্ট। ঘুষ ছাড়া রাজউকে কোন ফাইল এপ্রুভ হয় না। সব নিয়ম ১০০% মেনে প্ল্যান সাবমিট করেও ঘুষ ছাড়া ফাইল এপ্রুভ হবে না।
বিমান টিকিট পরিবর্তনের জন্য গিয়েছিলাম বিমান অফিসে।২৬ দিন বৃদ্ধির জন্য উনি বললেন ১৫০০০ টাকা লাগবে,আমি রশিদ দেবার শর্তে রাজি হলাম,উনি টাকা নিয়ে সৌদি রিয়ালে রশিদ দিলেন।যা গুগল দিয়ে এক্সচেঞ্জ করে দেখলাম ১২০০০ টাকা আসে,উনাকে জানালে ভুল হয়েছে বলে আবার BDT তে ১২০০০ এর রশিদ ধরিয়ে দিলেন,কিন্তু নিলেন ১৫০০ হাজার,অবার অভিযোগ জানালে উনি ভুল হয়েছে বলে বাকি টাকা ফেরত দিলেন। পাইলট ড্রেস পরা অবস্থায় উনার বুক পকেটে শুধু ১০০০ টাকার ১টি নোট দেখে ১মএ সন্দেহ হয়েছিলো,ঘঠলোও তাই
আমি একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষে বিল এর চেক রিসিভ করতে গেছিলাম, তখন সওজ এস ডি ই মহোদয় ২২ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়, তার ভাষ্যমতে আমরা কাজে অনিয়ম করেছি, কিন্তু আমাদের কাজের তদারকি উনারা নিজেরাই করেছেন। পরে আমি ১২ লক্ষ টাকা দিয়ে চেক নিয়েছি। আমাদের বিলের পরিমান ১ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ছিলো।
সদর থেকে পুলিস নিজেই আমাকে ফোন করে ১০০০ টাকা বিকাশ করতে বলে।
২০২৫ সালে মার্চ মাসে সিলেট বিমান অফিসে গিয়েছিলাম আমার সৌদি আসার ফ্লাইট পেছানোর জন্য,বিমানের ডিউটি অফিসার সম্ভবত — নাম। আমার কাগজ পত্র নিলেন,Exit re entry পেপার ছিলো,এর ভাষা আরবি হলেও সৌদি ত্যাগের ও প্রবেশের সর্বশেষ ডেট ইংরেজি তে ছিলো,উনারা জানেন,এবং এই কাগজে তাদের ওয়েবসাইট থাকে,যা থেকে এক ক্লিকে ইংরেজি ভাষায় পাওয়া যায়। তার পরও উনাদের বাহিরের চক্রের লোকের কাছে পাঠান,সেখানে যাওয়া পর এক ক্লিকে ট্রানসলেট করে ২০০ টাকা নেয়।তখন ঐ অফিসারকে দেয়ার পর উনি দেখেন শুধু,কোন স্ক্যান করেন নি।সৌদি প্রবাসি সবার সাথে এটা করে,যদিও এর ট্রানসলেট কোনভাবেই জরুরি না।ডেট স্পষ্ট ইংরেজিতে আছে। আমার আরো অনেক আত্মিয়ের কাছ থেকে নিয়েছে তারা।
There was previously an option to submit the application online; however, the online portal is currently not functioning. As a result, applications can now only be submitted through the officials. They are reportedly charging BDT 10,000 to BDT 25,000 per application, particularly in cases involving foreign nationals. This is truly a matter of concern and shame for us.
আমার এম আর পি পাসপোর্ট আমি অনেক মাস যাবত দেশে, কিন্তু পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, করতে গিয়ে বার বার আবেদন বাতিল হয়। পুলিশের কাছে জানতে গেলে বলে ই পাসপোর্ট লাগবে। কিন্তু আমার কয়েক বছর মেয়াদ আছে । এই পরিস্থিতিতে আমার জরুরি দরকার, কারন ভিসা চলে এসেছে। এর পর একজনের মাধ্যমে পুলিশকে দিয়ে ১৫১৫ টাকার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ৯০০০টাকায় করতে হলো। পুলিশ চাইলেই আমার এই।সমাধান করে সাহায্যকরতে পারত।কিন্তু তারা টাকা খাওয়ার জন্য এগুলা বাতিল করে দেয়।
আমার আব্বার কলেজের শিক্ষকতার পেনশনের টাকা অনেক বছর ধরে আটকানো। অফিসে গিয়ে চাইলে তারা বলে ৩৫০০০ টাকা দিলে আংশিক টাকা ছেড়ে দিবে। এরপর ৩০,০০০ টাকায় রফাদফা হলে কিছু টাকা একাউন্টে আসে। এরপর প্রায় ২ বছর ধরে বাকি টাকার জন্য ঘুরতে হচ্ছে।
ASI demanded 6000 taka for recovery Lost phone. The police was from Romna Model Police station.
বাবা গাড়ির ড্রাইভার, আওয়ামি আমলে বড় ব্যবসায়ীর গাড়ি চালাতো । কারণ ছাড়া জুলাই মামলা দিলো । কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে গত ১.৫ মাস । বলেছে ১০০,০০০ টাকা দিলে হাসপাতালে যেতে দিবে ।
আমার অভিভাবক কে প্রধান স্কিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য তার এ সি আর সাইন করিয়ে নিতে হয় ATO এর কাছে, সেখানেই কিছু টাকা নেন ATO তিনি, কেবল আমার অভিভাবক নয়, বাকি সবার কাছেই তিনি ৫০০ করে নেন।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সরকারি ফি এর বাইরে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
Hsc certificate haranor jonno uttara west thanai gd korte gesi, habildar gd kora shesh gd er copy haat e rekhe amk boltese bhai cha nasta khawar jonno taka den kichu, ami bollam cholen pashe jeye nasta kore ashi, halai bollo na bhai jawa jabena.. tarpor duisho tk niye amake gd copy dise
থানায় জমি সংক্রান্ত মামলা করতে প্রথম বার মামলা লেখার জন্য ৫০০, তদন্তে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া ৫০০, তদন্ত যাওয়ার খরচ ৩০০০, তদন্ত জন্য কাগজ পত্র দেখা লাগবে বলে ২০০০ টাকা, মোট ৬০০০ টাকা নিয়েও মামলার কোনো রেসপন্স পাইনি!
আমি একটি সাইবার ক্রাইম মামলার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসা একটি লেনদেনের কারণে আমাকে মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয় এবং গুরুতর অভিযোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উক্ত লেনদেনের মূল ঘটনা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কার্যক্রম সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান বা সম্পৃক্ততা ছিল না। নিজের নাম ও সম্পৃক্ততা পরিষ্কার করার জন্য আমাকে প্রায় ৩,০০,০০০ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। আমার মতে, শুধুমাত্র একটি অনিচ্ছাকৃত/সংশ্লিষ্টতাবিহীন ব্যাংক লেনদেনের ভিত্তিতে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে এভাবে হয়রানি ও গুরুতর সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।