১৩৪৪
আমার এপ্লিকেশন ডেট ভুল ছিল তাই বলছি নতুন করে আবেদন করে আসতে অনেক সময় লাগবে ক্যানসেল করে দিতে তারা বলছি যদি টাকা দেই তাহলে আর কিছুই করতে হবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার এপ্লিকেশন ডেট ভুল ছিল তাই বলছি নতুন করে আবেদন করে আসতে অনেক সময় লাগবে ক্যানসেল করে দিতে তারা বলছি যদি টাকা দেই তাহলে আর কিছুই করতে হবে
আমি পাসপোর্ট করতে যাই। অনলাইনে আবেদন করার পর যে সব কাগজ পএ দিছে! ওই গুলা নিয়া যায়। তখন সকাল ১০ টা থেকে ২ টা পযন্ত দারিয়ে থাকার পর ও সিরিয়াল পাই না। কাজগপএ জমা দিতে পারলাম না। কিন্তু যারা আমার পরে এসে চলে যাচ্ছে ফাইল জমা দিয়ে। তাদের মধ্যে আমি একজনকে জিগাইলাম। আপনি ভাই এখন এসে এত তারাতারি কিভাবে জমা দিলেন ভাই। ওনি আমাকে বললো বাহির থেকে মাল দিয়ে আসলে আপনার ও সারা দিন দরে দাড়াই থাকা লাগতো না। পরের দিন আমিও দালাল কে ১৫০০ টাকা দিই ১০ মিনিটের মধ্যে আমার কাগজ ও ওই দালাল জমা দিয়ে দেয়।
কিশোরগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম নতুন পাসপোর্ট করতে। অনলাইনের ফর্ম ফিলাপ করে, সব ডকুমেন্ট নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা রিজেক্ট করে। তখন সিলেট জব করতাম। সিলেট থেকে কিশোরগঞ্জ গিয়ে ছিলাম ৩বার এই পাসপোর্ট করার জন্য। ২বার রিজেক্ট করে। ৩য় বার দালালরা বলে আমাদের ১৫০০ টাকা দিন আমরা আজকের মধ্যেই সব ওকে করে দিচ্ছি। যেই কথা সেই কাজ। টাকা দিলাম এখন সব ওকে।
আমার ছেলের বয়স প্রায় দেড় বছর। ওর পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলাম। কিন্তু সেখানে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়ে সমস্যা দেখিয়ে আমার ছেলের ফাইলটা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর সেখানকার একজন আনসারের সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা করে দেওয়ার কথা বলেন। মজার বিষয় হলো, শেষ পর্যন্ত আমার সেই জন্মনিবন্ধনের কাগজটাই বাইরে একটা দোকান থেকে শুধু লেমিনেটিং করে নিয়ে আসে। এরপর ওপর থেকে একজন সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে ফাইলটা রেডি করে দেয়। আমি আবার সেই ফাইলটা জমা দিই এবং শেষ পর্যন্ত আমার ছেলের পাসপোর্টের কাজও হয়ে যায়। ঘটনাটা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি—যে কাগজের কারণে প্রথমে ফাইল রিজেক্ট করা হলো, শেষ পর্যন্ত সেটাই শুধু লেমিনেটিং আর একজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর দিয়ে ঠিক
কোনটা লিখবো জিবনে যতবার সরকারি কোন অফিসে কোন প্রয়োজনে যেতে হয়েছে ততবার ঘুসের মত অনৈতিক কাজে বাধ্য হয়ে লিপ্ত হতে হয়েছে ।এমনকি নতুন পাসপোর্ট এবং যতবার পাসপোর্ট নবায়ন করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি ততবার অফিস খরছ তথা ঘুষ বিহীন কাজটি করতে পারিনি।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ এলাকায় ভেরিফাই করে আসে। সব তথ্য ঠিক ছিল। তবে আমার জমির খতিয়ান ছিলনা। তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সত্যায়িত ভূমিহীন সনদ ও প্রদান করি। তারপর ও তিনি বলেন হবেনা। ৫০০০ টাকা দিতে হবে। ভিসা প্রসেসিং দ্রুত করতে আমার পাসপোর্ট দরকার ছিল। পরে আমি দিতে বাধ্য হয়।
সব কাগজ পত্র ঠিক থাকা সত্য,, নানা ভুল দরে ফেরত দেয়,, পরে বাহিরে কম্পিউটার দোকানে ঘুষের টাকা জমা দিলে বিশেষ এক ধরনের সাইন দেয়,, পরে অফিসে গেলে আর কোনো ভুল দরেনা ফাইল জমা নিয়ে কাজ করে দেয়।
Ami 2019 sal e passport er file joma dite parsilam na.tara reject kore disilo.pore dalal dhore take diye joma dite parsilam
যতই ভুল থাক তারা ঠিক করে নিবে দালাল মারফত টাকা চেয়েছিল
আমার জরুরি পাসপোর্ট করা দরকার ছিলো যার কারণে তারা আমার কাছে ১৮হাজার টাকা ডিমান্ড করে আর আমি তখন এমন পরিস্থিতিতে ছিলাম আমার ওদের চাহিদা অনুযায়ী দিতে বাধ্য হতে হয়েছে।
আমি পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে আমাকে,হয়রানি করে ফেনী পাসপোর্ট অফিসের কর্ম কর্তারা,যারা এজেন্সি রেফারেন্স এ গেছে তাদের কোন হয়রানির শিকার হতে হয়নি,আমি নিজে ফাইল পুরন করে গেছি আর তারা হয়রানি করছে,খুব দেরি করছে আমার পাসপোর্ট দিতে,বিভিন্ন ধাপে ধাপে পাসপোর্ট আটকিয়ে কয়েকবার পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছে।
সব ক্লিয়ার থাকার পরেও টাকা নিয়েছিল ।হয়রানির আশঙ্কায় দিয়েছি
প্রথমে আমি নিজে আবেদন করি, উনারা বলে বিভিন্ন সমস্যা আছে। কিন্তু যখন দালাল দিয়ে করলাম পরে আর কিছুেই লাগলো না। সে ৬০০০ টাকার পরিবর্তে ৮৫০০ টাকা নিছে।
Passport nij theke, own website theke banate gele , extra ki ekta kagoj na dile office e, ajaira guray , bole naki je certificate lagbe , taile kisher stamp lagbe ettadi nanan rokomer excuse dekay shoray dei , pore na pere agency te dalal dore kagoj ekta secret bole na eta kisher , eta niye gele hoigese r kichu bole e nai office e passport er , and renew korte giye , eirokom sob hoise , but police investigation e police e boltese je ager pass r akon ker pass e letter missing ase eta ami cahr diye dibo judi 10k dew, ei koktha bolse amader sylhet er bishwnath er thanar police ektay panchi restaunrt e giye , pore onk pera keye amader counselour bishwnat er oke niye gesi shate 2500tk diye hoise
পাসপোর্ট অফিসে চরম হয়রানি ও অব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা সম্প্রতি পাসপোর্ট আবেদন করতে গিয়ে আমাকে চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই যেন সেবা পেতে পারি, সেজন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় সকল মূল কাগজের পাশাপাশি সম্ভাব্য অতিরিক্ত কাগজপত্রও আমি সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাকে নানা অজুহাতে সারাদিন ঘুরানো হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছে আমার "তথ্য সঠিক নয়"। পুরো প্রক্রিয়াটিতে যেসব অব্যবস্থাপনা আমার চোখে পড়েছে: ১. দালাল চক্রের প্রভাব: সাধারণ আবেদনকারীদের প্রতিটি পদে আটকানো হলেও, যারা দালালের মাধ্যমে আসছে তাদের কাজ অনায়াসে সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে—যা আমি নিজে প্রত্যক্ষ করেছি। ২. অহেতুক দেরি ও লাইন থেকে বের করে দেওয়া: পাসপোর্ট অফিসের সেবা প্রদানের গতি অত্যন্ত ধীর। তার ওপর ব
Amar wife er passport ante gele 2000 ghush dite hoi. ekhane officer theke dalal sobai ghush khai. Officer sathe dalalder jogajog age theke ache, ansar ,security sobai ghuser sathe jorito.
2012 sale passport ante gele 10000 tk chai. Director theke suru kore ansar sobar ghush khai.
দালাল রাই বলেছিল যে এই পরিমান টাকা দিলে ২ দিনে পাসপোর্ট করা যাবে। তাই সবাই রাজি হয়। আবেদন ফরম এ তারা একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয় ফলে কোন রকম ঝামেলা ছারাই পাসপোর্ট করে ফেলেছিলাম
সারাদিন বসে থেকো এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজের সমস্যা।আপনি আগামীকাল আসেন । এরকম টাকা নেয়ার জন্য তালবাহানা শুরু করছে। পরে ওই জায়গার লোকেরা টাকা নিয়ে করে দিছে।
আমি নওগাঁ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট করতে গেলে, ওই পাসপোর্ট অফিসের দালালচক্র আমার কাছ থেকে মোট ৭৭০০ টাকা দাবি করে। এবং আমার পাসপোর্ট ইমারজেন্সি হওয়াতে আমি পরবর্তীতে ৭৭০০ টাকা পরিশোধ করি। কিন্তু সরকারি ফি তো ৫৭০০ টাকা।