নবায়ন
প্রচুর হয়রানি করতেছিলো!! বারবার ডকুমেন্টস সব ঠিক থাকার পরে হার্ড কপি আনতে বলে নাতো ভেরিফাই করতে বলে!! এরপর দাদালকে টাকা নিলো আর কাজটা ১ ঘন্টার মধ্যে করে দিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রচুর হয়রানি করতেছিলো!! বারবার ডকুমেন্টস সব ঠিক থাকার পরে হার্ড কপি আনতে বলে নাতো ভেরিফাই করতে বলে!! এরপর দাদালকে টাকা নিলো আর কাজটা ১ ঘন্টার মধ্যে করে দিলো
নতুন পাসপোর্ট তৈরী করতে গিয়ে আমাকে নানারকম ভাবে হেনস্থা করা হয়। চারদিনের মতো আমি পাসপোর্ট অফিসে যায়। প্রতিটা দিনই আমাকে টাকার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কাগজে বারংবার ভুল ধরা হয়। আমি ঠিক করে পুনঃরায় কাগজ নিয়ে গেলে, আমাকে আবারো হয়রানি করা হয়। ঘুষটা সরাসরি চাওয়া হয়। হ্যান্ডক্যাশ।
আমার বয়স ১৯ বছর। আমার এনআইডি এখনো হয়নি। কিন্তু জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট দরকার ছিল। তাই জন্ম নিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সমস্ত কাগজপত্র আমার ঠিক থাকা সত্ত্বেও পাসপোর্ট বা অফিসার আমাকে রিজেক্ট করে দেয়। এরপর আমি পাসপোর্ট অফিস থেকে ফিরে আসার সময় দুজন আনসার সদস্য আমার সমস্যা জেনে তা ১৫০০ টাকার বিনিময়ে সলভ করার অঙ্গীকার দেয়। এরপর যখন আমি তাদেরকে ১৫০০ টাকা দিয়ে ওই আগের অফিসারদের কাছে যাই, তখন তারা ঠিকই আমার কাগজপত্র আবার নিয়ে নেয়।
আমি ২০২৩ সালে চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে যাই।আমি থাকতাম নারায়ণগঞ্জ। নারায়নগঞ্জে একটি কম্পিউটার দোকান থেকে ফর্ম ফিলাপ করি।পর দিন চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং জমা দেই।যে জমা নিয়েছেন তিনি বলেন এখানে ওয়ার্ড নাম্বার লিখা নেই। তখন টাইম ও তেমন ছিলো না।উনি বললেন ১টার পর কাগজ জমা নিবে না।বললেন কম্পিউটার দোকান থেকে ঠিক করে আনতে।কম্পিউটার দোকানে গেলাম তখন দোকানদার বললো টাইম বেশি নাই। দোকানদার বললো আমাকে ১৫০০ টাকা দিলে আমি জমা দেওয়ার ব্যবস্তা করে দিবো।সে সরাসরি বললো আমি ৫০০ নিবো অফিসারকে দিব১০০০ টাকা। আমিও চিন্তা করলাম আমি আবার নারায়ণগঞ্জ যাবো আবার পরের দিন চাঁদপুরে আসবো আমার ২ হাজার খরচ হবে।তখন আমি ব্যবসা করতাম,চিন্তা করলাম একদিন দোকান বন্ধ থাকবে।তখন ১৫০০ টাকা দিয়ে দেই।পরে সেইমকাগজ জমা নিলো
### তাকামুল পরীক্ষায় ঘুষ দাবির অভিযোগ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় **তাকামুল পরীক্ষা** দিতে আমি ঢাকা যাই। পরীক্ষার নির্ধারিত ফি ছিল **৫০ ডলার (প্রায় ৬,৫০০ টাকা)**। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাস করানোর নামে অনেকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমরা মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন আগে একবার পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তারা জানান, তাদেরও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য **২৫–৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ/কন্টাক্ট করতে বাধ্য করা হয়েছিল**। তারা আমাকে বলেন, কন্টাক্ট ছাড়া পরীক্ষা দিলে পাস করার সম্ভাবনা নেই। আমি কোনো ঘুষ বা কন্টাক্ট না করে পরীক্ষা দিই। পরীক্ষা শেষ করে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং আ
২০১৯ সালের কথা। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আদাবর থানার পুলিশ ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলো। সম্ভবত ১০০০ এর নিচে নিবে না। কিন্তু আমি ২য় বর্ষের ছাত্র কেবল। পকেটে ছিল ৮০০ টাকা। ৮০০ আছে বলার পর আমাকে চলে যেতে বলে। আমি থানার বাহিরে দাঁড়িয়ে রিকশা খুঁজতে থাকি। পরে আরেক কনস্টেবলকে দিয়ে আমাকে ডাকায় ঐ ৮০০ টাকাই নেয়।
২০১৯ সালে পাসপোর্ট করতে অফিসে গেলে তারা অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সে টাকা পরিশোধ করা লাগে।
পাসপোর্ট করার কাগজ জমা দিয়েছিলাম সেটি নাইনি। পরবর্তী তার পাশের দোকানদারদের সাথে কম্পিউটারের মাধ্যমে টাকা নিয়েছে সেই কাগজ আবার নতুন তৈরির নাম করে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার সময় ১০০০ টাকা নিছে আমার থেকে
পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমার ডকুমেন্ট সব থাকার পরও গুষ দিতে হয়েছে
টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দিবে না
passport korar jonno amar kache 17000 taka chailo ami dilam karon passport amar dorkar chilo.
আমি জানি সরকারি রেট হচ্ছে চার হাজার কত টাকা জানি সঠিক মনে নাই কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে নয় হাজার টাকা যদি না দেই তাহলে কাগজ পাতি হয় না আমি নিয়ে গেছি আবেদন করার পর আমার আর কে বলে ওয়েট করেন এক ঘন্টা ধরে থাকার পর বলতেছে যে নতুন করে আবেদন করেন যখন নতুন করে আবেদন করতে চাই তখন এতগুলো টাকা চাচ্ছে পরে বলতেছে এখন আপনার ইচ্ছা করবেন কি করবেন না পরে কি আর করার টাকা দিয়ে আবেদন করার পর যখনই নিয়ে গেছি তখন মাত্র এক ঘন্টার ভিতরে আমার সকল কাজ কমপ্লিট
নতুন একটা পাসপোর্ট করতে গেলে আমার হাত থেকে আবেদন করবে নিয়ে বলছে, একটা স্বাক্ষর দিয়ে এসে বলছে, এখানে ঝামেলা আছে ১৬০০ টাকা লাগবে, আমার জানামতে কাগজ সব ঠিক ছিল, নিরুপায় কাগজগুলো আমাকে আর দিচ্ছে না তাই ওর সাথে কথা বলে ৫০০ টাকা দিছি, তারপর কাগজটা দিল।
আমার কাগজে সামান্য ত্রুটি থাকায় তারা আমাকে বলে এই সমস্যার সমাধান করতে ২ হাজার টাকা লাগবে এবং পরবর্তীতে আমি ১৯০০ টাকা দিয়ে সেটি সমাধান করি। সেটি তাদেরই সমাধান করার কথা ছিল। আমি বের হয়ে আসতে চাইলে, গেটে আনসার আমাকে তাহলে এভাবে ফেরত দেওয়ার চেয়ে তুমি টাকা খরচ করো তোমার কাজ হয়ে যাবে। ২০০০ টাকার অফার করে। আমি তাকে ১৯০০ টাকা দিতে রাজি হয়ে যাই। পরবর্তীতে ১৯০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করি
পুলিশ ভেরিফিকেশন করছে, টাকা বিকাশে নিয়েছে।
পাসপোর্ট বানানোর কাম করে এবং আইডি কার্ড ঠিক করার নাম করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। এর মধ্যে কিছু টাকা বিকাশে এবং টাকা হাতে হাতে নিয়ে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট কোনোটিই দেয় না এবং অধিক টাকা দাবি করে। আমাদেরকে জানিয়ে ছিল এই টাকা তিনি নিচ্ছেন সেটা নাকি সরকারি ফি। এর সাথে অফিসের অনেকেই জড়িত।
যথারীতি অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে , ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে প্রয়োজনীয় কাজ পত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই কর্তব্যরত ব্যাক্তি সবকিছু চেক করে বললেন আপনি আগামী সপ্তাহে আসেন, জানতে চাই কেনো? কোন উত্তর না দিয়ে আমাকে এড়িয়ে গেলেন। অনেক চেষ্টা করে কোনো উপায় না পেয়ে। দ্বায়িত্ব রত আনসার সদস্য এসে বলেন ভাই ১৫০০ টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। ঠিক ১৫০০ টাকা দিলাম কাজ হয়ে গেল।
ডকুমেন্টস যাচাই করে বলা হলো এগুলো ভেরিফাই করা নাই,পরবর্তীতে পার্সপোট অফিসের দারোয়ান এর মাধ্যমে দেওয়া হলে কাজ হয়ে যায়, যেখানে আর কোন ভেরিফাই দরকার হয় নাই। দারোয়ান কতৃক ১৫০০ টাকাই ভেরিফাই,হায়রে বাংলাদেশ।
চান্দিনা, পুলিশ কর্তৃক আমার কাছ থেকে 500 টাকা দিয়েছে এবং দুইবার আমাকে যেতে হয়েছে। পার্সপোট অফিস অযথা ভূল ধরিয়ে দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। 1000 টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা শেষ। করেছে। অথ্যাৎ অতিরিক্ত ছাড়া আমি পার্সপোট করতে পারিনি।